মূল ভবনে নেয়ার পথে হাসপাতালের বারান্দায় অপেক্ষমাণ সাংবাদিকরা সালাহ উদ্দিনকে ঘিরে ধরেন। এ সময় বিভিন্ন হাঁটার ওপরই প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। কেমন আছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখনো জীবিত আছি এটাই বড় বিষয়।’ এরপর ঢাকায় অপহরণ থেকে শিলং পৌঁছার বিষয়ে বলতে গিয়ে সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘আমি পুলিশকে বলেছি...। চোখ বান্ধা ছিল আমার, হাত বান্ধা ছিল। একটা লং জার্নি। মনে হয় ১২-১৪ ঘণ্টার হবে। দুই ঘণ্টা হয়তো স্টপেজ ছিল, মনে হয়।’ ‘এইখানে শিলং গলফ কোর্সের পাশে আমাকে ফেলে রাখে। তারপর কিছু লোককে বললাম, আমাকে একটু পুলিশ স্টেশনের দিকে নিয়ে যাও অথবা পুলিশকে খবর দাও, আমার এই এই অবস্থা’ একটু হাঁটতেই হাঁপিয়ে উঠলেন, ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। স্বেচ্ছায় থানায় এসেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ... তখন তারা পুলিশকে কল করল। আমি গেলাম। তো তাদের আমার হিস্ট্রি বলার পর তারা হয়তো মনে করেছে, আমি মেন্টাল পেশেন্ট।’ দেশে ফিরতে চান, নাকি আরো চিকিৎসা করাতে চান- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে তো এখন রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইন্টারপোল। এটা গভর্নমেন্টের উচিত হয়নি। আমি তো কোনো সাজাপ্রাপ্ত দাগী অ্যাবসকন্ডিং কোনো আসামি না। তো, কেন করছে, আমি তো জানি না।’ সিঙ্গাপুর কিংবা তৃতীয় কোনো দেশে যেতে চান কিনা- এমন প্রশ্নে সালাহ উদ্দিন আরো জানান, ‘আমার স্ত্রী আসলে এখানে দ্রুত আইন প্রক্রিয়া শুরু করবো। তখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’ উল্লেখ্য, প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর গত ১১ মে শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ফরেনার্স অ্যাক্টে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত ১০ মার্চ থেকে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তাকে উত্তরার একটি বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তার পরিবার ও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তবে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়নি বলে দাবি করে আসছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মন্তব্য
Tuesday, May 19, 2015
এখনো জীবিত আছি এটাই বড় কথা: সালাহ উদ্দিন (ভিডিও):আরটিএনএন
মূল ভবনে নেয়ার পথে হাসপাতালের বারান্দায় অপেক্ষমাণ সাংবাদিকরা সালাহ উদ্দিনকে ঘিরে ধরেন। এ সময় বিভিন্ন হাঁটার ওপরই প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। কেমন আছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখনো জীবিত আছি এটাই বড় বিষয়।’ এরপর ঢাকায় অপহরণ থেকে শিলং পৌঁছার বিষয়ে বলতে গিয়ে সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘আমি পুলিশকে বলেছি...। চোখ বান্ধা ছিল আমার, হাত বান্ধা ছিল। একটা লং জার্নি। মনে হয় ১২-১৪ ঘণ্টার হবে। দুই ঘণ্টা হয়তো স্টপেজ ছিল, মনে হয়।’ ‘এইখানে শিলং গলফ কোর্সের পাশে আমাকে ফেলে রাখে। তারপর কিছু লোককে বললাম, আমাকে একটু পুলিশ স্টেশনের দিকে নিয়ে যাও অথবা পুলিশকে খবর দাও, আমার এই এই অবস্থা’ একটু হাঁটতেই হাঁপিয়ে উঠলেন, ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। স্বেচ্ছায় থানায় এসেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ... তখন তারা পুলিশকে কল করল। আমি গেলাম। তো তাদের আমার হিস্ট্রি বলার পর তারা হয়তো মনে করেছে, আমি মেন্টাল পেশেন্ট।’ দেশে ফিরতে চান, নাকি আরো চিকিৎসা করাতে চান- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেশে তো এখন রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইন্টারপোল। এটা গভর্নমেন্টের উচিত হয়নি। আমি তো কোনো সাজাপ্রাপ্ত দাগী অ্যাবসকন্ডিং কোনো আসামি না। তো, কেন করছে, আমি তো জানি না।’ সিঙ্গাপুর কিংবা তৃতীয় কোনো দেশে যেতে চান কিনা- এমন প্রশ্নে সালাহ উদ্দিন আরো জানান, ‘আমার স্ত্রী আসলে এখানে দ্রুত আইন প্রক্রিয়া শুরু করবো। তখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’ উল্লেখ্য, প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর গত ১১ মে শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ফরেনার্স অ্যাক্টে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত ১০ মার্চ থেকে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তাকে উত্তরার একটি বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তার পরিবার ও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তবে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়নি বলে দাবি করে আসছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment