কল্যাণপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী প্রচারণায় এবং পরে তেজগাঁওয়ে তার প্রধান নির্বাচনী অফিসে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনটি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দুই বাম রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেন, নির্বাচনের আগেই নিজের পক্ষে ফল নিশ্চিত করতে সরকার জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের সহযোগী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, সিটি নির্বাচনে আচরণবিধির বেপরোয়া লঙ্ঘন হচ্ছে। নির্বাচনকে টাকার খেলায় পরিণত করা হয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে মাস্তান বাহিনী নামানো হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী প্রচারণা ও কার্যা।লয়ে হামলার ঘটনা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম দাবি করেন, কল্যাণপুরে যুবলীগের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক কালামের নেতৃত্বে ‘ঘড়ি প্রতীকের ব্যাজ পরা’ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এবং তেজগাঁওয়ে ‘ঘড়ি প্রতীকের ব্যাজ পরা’ সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। হামলার ঘটনার ভিডিও চিত্র ও হামলাকারীদের ছবি সংগৃহীত আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। এর আগেও সরকারি দল-সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা লালবাগে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদপ্রার্থী বজলুর রশীদ ফিরোজের কর্মীদের হুমকি দেয় এবং মহাখালী সাততলা বস্তিতে আবদুল্লাহ আল ক্বাফীর কর্মীদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। সেলিম হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার এসব হামলার দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। সিটি নির্বাচনে টাকার খেলা, পেশিশক্তি প্রদর্শন, ধর্মীয় অনুভূতি ও প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যতটুকু ক্ষমতা আছে, তা মোটেও নির্বাচন কমিশন প্রয়োগ করছে না। জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগে নিষ্ঠাবান থাকার আহ্বান জানিয়ে বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, বোমা মেরে যেমন মানুষ হত্যা করা হয়, টাকা দিয়েও তেমনি মনুষ্যত্ব হত্যা করা হয়। সিপিবির সাধারণ সম্পাদক জাফর বলেন, ভয় পেয়ে সরকার সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। নির্বাচনের আগেই ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিশ্চিত করতে সরকার জনগণের মধ্যে নানা আতঙ্ক ও আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের সহযোগী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মনজুরুল আহসান খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, শাসছুজ্জামান সেলিম, সাজ্জাদ জহির চন্দন, কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা জাহেদুল হক মিলু, রাজেকুজ্জামান রতন, সিপিবির নেতা অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, ডা. সাজেদুল হক রুবেল, জলি তালুকদার, আসলাম খান প্রমুখ। নতুন বার্তা/মোআ
Monday, April 27, 2015
‘ভোট কেড়ে নিতে মাস্তান নামানো হয়েছে’ :নতুন বার্তা
কল্যাণপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী প্রচারণায় এবং পরে তেজগাঁওয়ে তার প্রধান নির্বাচনী অফিসে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনটি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দুই বাম রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেন, নির্বাচনের আগেই নিজের পক্ষে ফল নিশ্চিত করতে সরকার জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের সহযোগী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, সিটি নির্বাচনে আচরণবিধির বেপরোয়া লঙ্ঘন হচ্ছে। নির্বাচনকে টাকার খেলায় পরিণত করা হয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে মাস্তান বাহিনী নামানো হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী প্রচারণা ও কার্যা।লয়ে হামলার ঘটনা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম দাবি করেন, কল্যাণপুরে যুবলীগের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক কালামের নেতৃত্বে ‘ঘড়ি প্রতীকের ব্যাজ পরা’ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এবং তেজগাঁওয়ে ‘ঘড়ি প্রতীকের ব্যাজ পরা’ সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। হামলার ঘটনার ভিডিও চিত্র ও হামলাকারীদের ছবি সংগৃহীত আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। এর আগেও সরকারি দল-সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা লালবাগে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদপ্রার্থী বজলুর রশীদ ফিরোজের কর্মীদের হুমকি দেয় এবং মহাখালী সাততলা বস্তিতে আবদুল্লাহ আল ক্বাফীর কর্মীদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। সেলিম হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার এসব হামলার দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। সিটি নির্বাচনে টাকার খেলা, পেশিশক্তি প্রদর্শন, ধর্মীয় অনুভূতি ও প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যতটুকু ক্ষমতা আছে, তা মোটেও নির্বাচন কমিশন প্রয়োগ করছে না। জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগে নিষ্ঠাবান থাকার আহ্বান জানিয়ে বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, বোমা মেরে যেমন মানুষ হত্যা করা হয়, টাকা দিয়েও তেমনি মনুষ্যত্ব হত্যা করা হয়। সিপিবির সাধারণ সম্পাদক জাফর বলেন, ভয় পেয়ে সরকার সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। নির্বাচনের আগেই ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিশ্চিত করতে সরকার জনগণের মধ্যে নানা আতঙ্ক ও আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের সহযোগী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মনজুরুল আহসান খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, শাসছুজ্জামান সেলিম, সাজ্জাদ জহির চন্দন, কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা জাহেদুল হক মিলু, রাজেকুজ্জামান রতন, সিপিবির নেতা অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, ডা. সাজেদুল হক রুবেল, জলি তালুকদার, আসলাম খান প্রমুখ। নতুন বার্তা/মোআ
Labels:
নতুন বার্তা
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment