Thursday, November 13, 2014

তামিম-ইমরুলের শতকে প্রথম দিন বাংলাদেশের:RTNN

তামিম-ইমরুলের শতকে প্রথম দিন বাংলাদেশের খেলা প্রতিবেদক আরটিএনএন চট্টগ্রাম: এমন শুরু বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে খুব একটা হয়নি। টস জিতে বুধবার সকাল থেকেই দাপুটে ব্যাটিং করতে থাকেন উদ্বোধনী জুটির তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। এদিন নিজেদের রেকর্ড ভেঙে বিদায় নেন তামিম ইকবাল। রেকর্ড ভাঙার পথে তামিম ইমরুল কায়েসের সঙ্গে গড়েছেন ২২৪ রানের জুটি। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের ১৮৫ রানই ছিল এখন পর্যন্ত
বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড। দ্বিতীয় সেশনে এসে তামিম ইকবাল তার শতক তুলে নেন। এর কিছু সময় পর ইমরুল কায়েসও তার মাইলকফলক স্পর্শ করেন। তাদের ২২৪ রানের জুটি ভাঙেন অনিয়মিত বোলার সিকান্দার রাজা। রাজার বলে হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে ক্যাচ দেওয়ার আগে তামিম করেন ১০৯ রান। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি করার পথে তিনি মোকাবেলা করেন ১৭১ বল, যাতে ১৪টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা রয়েছে। তামিম ইকবাল আউটের পর ইমরুল কায়েস মুমিনুল হককে নিয়ে ৪৮ রানের জুটি গড়েন। এরপর দলীয় ২৭২ রানে আউট হন ইমরুল কায়েস। মাসাকাদজার বলে অতিরিক্ত খেলোয়াড় সিবান্দার তালুবন্দি হওয়ার আগে তিনি করেন ১৩০ রান। এটি টেস্টে ইমরুলের দ্বিতীয় শতক। ১৩০ রানে পথে ইমরুল বল খেলেছেন ২৫৭টি, যাতে ১২টি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কা রয়েছে। ইমরুলের পর মাঠে নামেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মুমিনুল হকের সঙ্গে তিনি দিন শেষ করেছেন। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩০৩ রান। মুমিনুল ৪৬ আর রিয়াদ ৫ রানে অপরাজিত আছেন। তারা আগামীকাল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সিকান্দার রাজা ও মাসাকাদজা উইকেট দুটি পেয়েছেন। এর আগে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ দলে আজ উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবালের সঙ্গে খেলতে নামে বাম-হাতি ইমরুল কায়েস। তিনি শামসুর রহমান শুভর পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন। তিন ম্যাচের সিরিজ স্বাগতিক বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে। এই টেস্টে জিতলে জিম্বাবুয়েকে টাইগাররা হোয়াইটওয়াশ করবে। সঙ্গে ঢুকে যাবে রেকর্ডের পাতায়। সেই সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে উঠবে বাংলাদেশের টেস্ট প্রাপ্তির ১৫তম বছর। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ১৫ বছরের মধ্যে একমাত্র ইংল্যান্ডের তিন বা তার বেশি ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষ দলকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব রয়েছে। জিম্বাবুয়েকে হারাতে পারলে দ্বিতীয় দল হিসেবে লেখা হবে বাংলাদেশের নাম। পাশাপাশি এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে তিন ম্যাচের সিরিজে প্রতিপক্ষ দলকে হোয়াটওয়াশ করার ইতিহাস গড়বে টাইগাররা। এছাড়া এই টেস্টে জয় পেলে র‌্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়ের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে ১৪ পয়েন্টে। ইতোমধ্যে জিম্বাবুয়েকে সরিয়ে বাংলাদেশ নবম স্থানে উঠে এসেছে। তবে চট্টগ্রাম টেস্ট ড্র হলেও সমস্যা নেই, তখন পয়েন্টের ব্যবধান হবে ৯। আর হারলে এই ব্যবধান কমে আসবে মাত্র ৩ পয়েন্টে। ফলে টাইগাররা জয়-ই চাইবে। কারণ নবম স্থানে থাকতে পারলে আগামী ক্যালেন্ডারে বাংলাদেশ আরো বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাবে। আর মঙ্গলবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জয়ের কথায় জানিয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তিনি বলেন, ‘৩-০ ব্যবধানে জিততে আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা ঢেলে দেব।’ মন্তব্য  

No comments:

Post a Comment