ঢাকা: নাশকতা ও প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে করা তিন মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চে এই তিন মামলায় মির্জা আব্বাসের করা জামিন আবেদনের বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে নাশকতার দুই মামলায় জামিন চেয়ে মির্জা আব্বাসের করা আবেদনে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি রুহুল কুদ্দুসের একক বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য ছিল। আর প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে করা মামলায় জামিন আবেদনে শুনানির দিন ধার্য ছিল বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চে। কিন্তু এদিন তিনটি মামলার শুনানিতেই মির্জা আব্বাসের পক্ষ থেকে এক সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ফলে মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে যায়। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মোহাম্মদ বশিরুল্লাহ জানান, নাশকতার দুই মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি রুহুল কুদ্দুসের একক বেঞ্চে সোমবার শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু এদিন মির্জা আব্বাসের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন শুনানির জন্য আদালতে এক সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এদিকে প্লট বরাদ্দের অনিয়মের অভিযোগে করা মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদনের শুনানিও সোমবার বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন জামিন শুনানির জন্য মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার আইনজীবী এক সপ্তাহ সময় চেয়ে আবদেন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন জানান, তিন মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানির জন্য আদালতে এক সপ্তাহ সময় চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।তিনি জানান, তিন মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানির আবেদন হাইকোর্টের আগামী ৪ মের কার্যতালিকায় থাকবে। নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর পল্টন ও মতিঝিল থানায় করা দুই মামলায় এবং প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে শাহবাগ থানায় করা এক মামলায় জামিন চেয়ে ১২ এপ্রিল হাইকোর্টে আবেদন করেন মির্জা আব্বাস। এর মধ্যে নাশকতার অভিযোগে করা দুই মামলায় জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৫ এপ্রিল বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিভক্ত আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশের নথি প্রধান বিচারপতির দফতরে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য রোববার প্রধান বিচারপতি তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন। নতুন বার্তা/মোআ
No comments:
Post a Comment