Thursday, November 13, 2014

ধ্বংসের মুখে মানিকগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি:RTNN

ধ্বংসের মুখে মানিকগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি নিজস্ব প্রতিনিধি আরটিএনএন মানিকগঞ্জ: বিল বকেয়া থাকায় দুই মাস আগে কেটে দেয়া হয়েছে পানির লাইন। তিন বছর ধরে বকেয়া পড়ে আছে পত্রিকার বিল। নেই পর্যাপ্ত জনবলও। এমন করুণ দশা মানিকগঞ্জের পাবলিক লাইব্রেরির। ৫৩ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরিটি রক্ষায় কারও কোনো উদ্যোগ নেই। নেই কোনো মাথাব্যথাও। এর ফলে ধ্বংসের মুখে পড়েছে ঐহিত্যবাহী এই লাইব্রেরিটি। ১০ বছর
েরও বেশি সময় নির্বাচন না হওয়ায় এটি দেখভাল করার কেউ নেই। পদাধিকারবলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক। এ ছাড়া প্রতি দুই বছরের জন্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও এই লাইব্রেরি দেখভাল করার কথা। সর্বশেষ ২০০৪ সালে লাইব্রেরির কার্যকর পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুহাম্মদ তৌহিদুর রহমান দুই বছরের জন্য সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। লাইব্রেরির কার্যালয় এবং জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬১ সালে কালেক্টরেট ভবনের উত্তর পাশে দ্বিতল একটি ভবনের ওপর তলায় পাবলিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়। লাইব্রেরিটিতে উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, ইতিহাসবিষয়ক বইসহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ১০ হাজার বই রয়েছে। মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, সেখানে কোনো পাঠক নেই। লাইব্রেরির সহকারী গ্রন্থাগারিক শাহ আলম ও পিয়ন ইসলাম উদ্দিন বসে গল্প করছেন। তাঁরা জানান, আগে এখানে ১১টি জাতীয় দৈনিক রাখা হতো। তিন বছর ধরে প্রায় ৮৪ হাজার টাকা পত্রিকার বিল বকেয়া থাকায় এখন মাত্র তিনটি পত্রিকা রাখা হয়। বিল বকেয়া থাকায় দুই মাস ধরে পানির লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। পানি না থাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় পাঠকদের। এ কারণে দিন দিন পাঠকসংখ্যা কমছে। এ ছাড়া প্রতিবছর জাতীয় গ্রন্থাগার থেকে বই এবং অনুদানের অর্থ দেওয়ার কথা থাকলেও প্রায় নয় বছর থেকে এগুলো পাওয়া যায়নি। লাইব্রেরির ভবনের নিচতলার ভাড়ার টাকায় অনিয়মিতভাবে কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য খরচ চালানো হচ্ছে। সহকারী গ্রন্থাগারিক শাহ আলম বলেন, তিন বছর আগেও গড়ে প্রতিদিন ৪০-৫০ জন পাঠক বই পড়তে আসত। এখন তা কমে ১০-১২ জনে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠানটির জনবলসংকটও রয়েছে। ছয়টি পদের বিপরীতে আছেন কেবল সহকারী গ্রন্থাগারিক, পিয়ন ও ঝাড়ুদার রয়েছে। অফিস সহকারী, গ্রন্থাগারিক ও নৈশপ্রহরীর পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। ইসলাম উদ্দিন বলেন, সহস্রাধিক বই ছিঁড়ে গেছে। অথচ বইগুলো বাঁধানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। তৌহিদুর রহমান বলেন, অনুদানের ব্যাপারে জাতীয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কয়েক দফায় যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে ২০০৫ সালের পর থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস বলেন, সম্প্রতি পাবলিক লাইব্রেটির কার্যকরী পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। লাইব্রেরির প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মন্তব্য নিউজ ডেস্কআরটিএনএনকলকাতা: ছাত্রদের ভিড় ঠেকাতে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাওলানা আজাদ লাইব্রেরি ব্যবহারের ছাত্রীদের অনু . . . বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন নাহার হলে নিজ কক্ষে ফজরের নামায আদায়কালে ছাত্রলীগের হাত . . . বিস্তারিত  

No comments:

Post a Comment