ন বলেন, ‘আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সহযোগিতা করার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের গ্রিন সিগন্যাল না থাকায় সেনাবাহিনী কাজ করতে পারছে না।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিরোধী দলের কাউন্সিলর প্রার্থীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, মেয়র প্রার্থীকে স্বশরীরে আহত করা হয়েছে।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হামলার এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বোধগম্য হয়েছিল সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। কিন্তু এই নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। তাই তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে একচুলও নড়াচড়া করতে পারে না।’ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের ওপর বিদেশিদের হাই-ভোল্টেজ ফোকাস রয়েছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না। বিরোধী দলকে তাদের সাংবিধানিক অধিকার পালন করতে দিতে হবে।’ সরকারকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো আশঙ্কার কারণ নেই। আমরা আগের মতো তিন সিটিতে জয়লাভ করলেই পরশু দিন বলব না- ক্ষমতা থেকে সরে যান।’ সিটি নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের ভিত্তি হতে পারতো উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘তিন সিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তা জাতীয় নির্বাচনের ব্যাক-গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করতে পারব।’ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভূঁইফোড়, অনভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কাজে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটা স্পেশালাইজড কাজ। এখানে স্পেশাল প্রতিষ্ঠানদের অনুমোদন দেয়া উচিত। এদের অবিলম্বে বাতিল করা হোক।’ নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে রিপন বলেন, ‘আপনারা মেরুদণ্ড সোজা করুন। ঠিক মত দায়িত্ব পালন করুন। নইলে এখনই পদ থেকে সরে দাঁড়ান।’ মন্তব্য
Monday, April 27, 2015
ইসিকে মেরুদণ্ড সোজা রাখার আহ্বান বিএনপির:আরটিএনএন
ন বলেন, ‘আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সহযোগিতা করার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের গ্রিন সিগন্যাল না থাকায় সেনাবাহিনী কাজ করতে পারছে না।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিরোধী দলের কাউন্সিলর প্রার্থীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, মেয়র প্রার্থীকে স্বশরীরে আহত করা হয়েছে।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হামলার এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বোধগম্য হয়েছিল সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। কিন্তু এই নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। তাই তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে একচুলও নড়াচড়া করতে পারে না।’ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের ওপর বিদেশিদের হাই-ভোল্টেজ ফোকাস রয়েছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না। বিরোধী দলকে তাদের সাংবিধানিক অধিকার পালন করতে দিতে হবে।’ সরকারকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো আশঙ্কার কারণ নেই। আমরা আগের মতো তিন সিটিতে জয়লাভ করলেই পরশু দিন বলব না- ক্ষমতা থেকে সরে যান।’ সিটি নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের ভিত্তি হতে পারতো উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘তিন সিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তা জাতীয় নির্বাচনের ব্যাক-গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করতে পারব।’ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভূঁইফোড়, অনভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কাজে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটা স্পেশালাইজড কাজ। এখানে স্পেশাল প্রতিষ্ঠানদের অনুমোদন দেয়া উচিত। এদের অবিলম্বে বাতিল করা হোক।’ নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে রিপন বলেন, ‘আপনারা মেরুদণ্ড সোজা করুন। ঠিক মত দায়িত্ব পালন করুন। নইলে এখনই পদ থেকে সরে দাঁড়ান।’ মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment