আবু তোরাব নামের প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা কাজ করতে পারছেন না। কিন্তু অন্যত্র তাদের কর্মসংস্থানের চেষ্টা চলছে। গত মে মাসে প্রায় ১৮০ জন বাংলাদেশি ওই কোম্পানিতে কাজ করার উদ্দেশ্যে ইরাকে গিয়েছিলেন। নাজাফ থেকে মোহাম্মদ সিদ্দিক জানান, প্রায় ছয় মাস আগে ইরাকে যাওয়ার পর থেকে তারা মূলতঃ আটক অবস্থায় আছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো কাজ নাই, ওখানে আমাদের রাখছে মে মাস থেকে। ইরাক সরকার মনে করে আসলে ওটা কোন কোম্পানি না। আমাদের ১৮০ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক আটক রাখছে। ১৬ জন বেশি প্রতিবাদী ছিল বলে এদের সবাইকে সরিয়ে ফেলছে।’ সিদ্দিক মনে করেন, দেশে ফেরত পাঠানোর নামে তাদের হয়তো অন্যত্র পাচার করা হবে। তিনি বলেন, ‘তারা বলে, রুম থেকে বের হলো তোমাদের মেরে ফেলবো। থাকলে এখানে থাকতে হবে। আমরা তোমাদের ২৭০০ ডলারে কিনেছি। ইচ্ছা করলে পাচার করবো। ইচ্ছা করলে তোমাদের দাস বানাবো।’ নাজাফ শহরে থাকা অপর এক শ্রমিক মো. শহিদুল ইসলাম একই অভিযোগ করে বলেছেন, একটা রুমে বন্দী অবস্থায় তারা অসহায় জীবনযাপন করছেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে ইরাক আসছি। কিন্তু এখানেও আমরা কাজ করতে পারতেছি না, আটকে আছি। পরিবারকে টাকা পাঠাইতে পারছি না। আমাদের অনেকের পরিবার খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে আছে।’ তবে ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রেজানুর রহমান খান জানিয়েছেন, ‘আবু তোরাব কোম্পানিটি ফান্ডের কারণে বন্ধ আছে যে কারণে তারা কাজ শুরু করতে পারেনি এবং শ্রমিকেরাও কর্মহীন অবস্থায় আছে।’ রেজানুর জানান, পুরো বিষয়টি ইরাক সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাস জানে এবং তারা অন্য কোন কোম্পানিতে এই ১৮০ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, কয়েক মাস কাজ করতে না পেরে টাকা উপার্জন করতে না পেরে হতাশা থেকে শ্রমিকেরা এমন মন্তব্য করে থাকতে পারে। এমনকি স্বার্থান্বেষী কোন মহল এই অবস্থার ফায়দা লোটার চেষ্টা করতে পারে। মন্তব্য
Thursday, November 13, 2014
ইরাকে ‘দাস’ হয়ে আছেন বাংলাদেশি শ্রমিকরা?:RTNN
আবু তোরাব নামের প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা কাজ করতে পারছেন না। কিন্তু অন্যত্র তাদের কর্মসংস্থানের চেষ্টা চলছে। গত মে মাসে প্রায় ১৮০ জন বাংলাদেশি ওই কোম্পানিতে কাজ করার উদ্দেশ্যে ইরাকে গিয়েছিলেন। নাজাফ থেকে মোহাম্মদ সিদ্দিক জানান, প্রায় ছয় মাস আগে ইরাকে যাওয়ার পর থেকে তারা মূলতঃ আটক অবস্থায় আছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো কাজ নাই, ওখানে আমাদের রাখছে মে মাস থেকে। ইরাক সরকার মনে করে আসলে ওটা কোন কোম্পানি না। আমাদের ১৮০ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক আটক রাখছে। ১৬ জন বেশি প্রতিবাদী ছিল বলে এদের সবাইকে সরিয়ে ফেলছে।’ সিদ্দিক মনে করেন, দেশে ফেরত পাঠানোর নামে তাদের হয়তো অন্যত্র পাচার করা হবে। তিনি বলেন, ‘তারা বলে, রুম থেকে বের হলো তোমাদের মেরে ফেলবো। থাকলে এখানে থাকতে হবে। আমরা তোমাদের ২৭০০ ডলারে কিনেছি। ইচ্ছা করলে পাচার করবো। ইচ্ছা করলে তোমাদের দাস বানাবো।’ নাজাফ শহরে থাকা অপর এক শ্রমিক মো. শহিদুল ইসলাম একই অভিযোগ করে বলেছেন, একটা রুমে বন্দী অবস্থায় তারা অসহায় জীবনযাপন করছেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে ইরাক আসছি। কিন্তু এখানেও আমরা কাজ করতে পারতেছি না, আটকে আছি। পরিবারকে টাকা পাঠাইতে পারছি না। আমাদের অনেকের পরিবার খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে আছে।’ তবে ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রেজানুর রহমান খান জানিয়েছেন, ‘আবু তোরাব কোম্পানিটি ফান্ডের কারণে বন্ধ আছে যে কারণে তারা কাজ শুরু করতে পারেনি এবং শ্রমিকেরাও কর্মহীন অবস্থায় আছে।’ রেজানুর জানান, পুরো বিষয়টি ইরাক সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাস জানে এবং তারা অন্য কোন কোম্পানিতে এই ১৮০ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, কয়েক মাস কাজ করতে না পেরে টাকা উপার্জন করতে না পেরে হতাশা থেকে শ্রমিকেরা এমন মন্তব্য করে থাকতে পারে। এমনকি স্বার্থান্বেষী কোন মহল এই অবস্থার ফায়দা লোটার চেষ্টা করতে পারে। মন্তব্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment