সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘একজন রাজাকারের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তমের নামে মামলা করা হয়েছে। আর সেই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। এ নিয়ে আমার আর বলার কিছু নেই। আমি সময় গুণছি, কখন পুলিশ আমাকে নিতে আসে।’ মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা ‘কাদেরিয়া’ বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘২০১৩ সালে সারা দেশে ফাঁসি ফাঁসি রব উঠেছিল। সে সময়ে আমি নাম পদবিসহ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে রাজাকার বলেছিলাম। একই সঙ্গে তার বিচার হওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেছিলাম। আর এটাই ছিল আমার ভুল।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অনেক ছলা-কলা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে যারা ডিসি, এসপিসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিল, তাদের অনেকেই রাজাকার ছিল।’ কাদের সিদ্দকী বলেন, ‘আর এই রকম একজন রাজাকারের পক্ষ থেকে আমার নামে মামলা করা হয়েছে। আমি দলীয়ভাবে এই পরোয়ানার তীব্র নিন্দা জানায়। এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের মাহিমাকে ভূ-লুন্ঠিত করা হয়েছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে এসেছে- আমি নাকি ১৪ বার আদলতে হাজিরা দেইনি। কিন্তু আমি দুবার আদালতে হাজির হয়েছি। তখন আমাকে স্ত্রীর জিম্মায় থাকার জন্য জামিন দিয়েছেন আদালত। ৫০০ ধারার মামলা হিসেবে ভেবেছিলাম মামলাটি শেষ হয়ে গেছে।’ মহীউদ্দীন খানের বিরুদ্ধে মামলা করলেন না কেন- সাংবাদিকদের এমন পশ্নে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘রাজাকারের বিরুদ্ধে মামলা করে কি আমি আমার সম্মান নষ্ট করব? আপনি কি তাই মনে করেন? আমি এ বিষয়ে অপারগ। মামলা করে তাকে আমি সম্মানিত করতে চায় না।’ এ সময় কাদের সিদ্দিকীর পাশে বসা তার স্ত্রী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি জেল-জুলুমকে ভয় পাই না। যুদ্ধের সময়ও আমি কোনো প্রকার ভয় পাইনি। আমি সব সময় সাহসী ছিলাম, কখনই ভীতু ছিলাম না।’ তিনি বলেন, ‘তার (কাদের সিদ্দিকী) বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তাকে আবারো জেলে নিলেও আমার আক্ষেপের কিছু নেই। কারণ তার বিরুদ্ধে মামলাটি ‘ফালতু’। এজন্য আফসোস বা দুঃখ করার কিছু নেই।’ মন্তব্য
Thursday, November 13, 2014
পরোয়ানার কী প্রয়োজন, নিয়ে গেলেই তো হয়: কাদের সিদ্দিকী:RTNN
সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘একজন রাজাকারের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তমের নামে মামলা করা হয়েছে। আর সেই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। এ নিয়ে আমার আর বলার কিছু নেই। আমি সময় গুণছি, কখন পুলিশ আমাকে নিতে আসে।’ মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা ‘কাদেরিয়া’ বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘২০১৩ সালে সারা দেশে ফাঁসি ফাঁসি রব উঠেছিল। সে সময়ে আমি নাম পদবিসহ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে রাজাকার বলেছিলাম। একই সঙ্গে তার বিচার হওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেছিলাম। আর এটাই ছিল আমার ভুল।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অনেক ছলা-কলা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে যারা ডিসি, এসপিসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিল, তাদের অনেকেই রাজাকার ছিল।’ কাদের সিদ্দকী বলেন, ‘আর এই রকম একজন রাজাকারের পক্ষ থেকে আমার নামে মামলা করা হয়েছে। আমি দলীয়ভাবে এই পরোয়ানার তীব্র নিন্দা জানায়। এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের মাহিমাকে ভূ-লুন্ঠিত করা হয়েছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে এসেছে- আমি নাকি ১৪ বার আদলতে হাজিরা দেইনি। কিন্তু আমি দুবার আদালতে হাজির হয়েছি। তখন আমাকে স্ত্রীর জিম্মায় থাকার জন্য জামিন দিয়েছেন আদালত। ৫০০ ধারার মামলা হিসেবে ভেবেছিলাম মামলাটি শেষ হয়ে গেছে।’ মহীউদ্দীন খানের বিরুদ্ধে মামলা করলেন না কেন- সাংবাদিকদের এমন পশ্নে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘রাজাকারের বিরুদ্ধে মামলা করে কি আমি আমার সম্মান নষ্ট করব? আপনি কি তাই মনে করেন? আমি এ বিষয়ে অপারগ। মামলা করে তাকে আমি সম্মানিত করতে চায় না।’ এ সময় কাদের সিদ্দিকীর পাশে বসা তার স্ত্রী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি জেল-জুলুমকে ভয় পাই না। যুদ্ধের সময়ও আমি কোনো প্রকার ভয় পাইনি। আমি সব সময় সাহসী ছিলাম, কখনই ভীতু ছিলাম না।’ তিনি বলেন, ‘তার (কাদের সিদ্দিকী) বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তাকে আবারো জেলে নিলেও আমার আক্ষেপের কিছু নেই। কারণ তার বিরুদ্ধে মামলাটি ‘ফালতু’। এজন্য আফসোস বা দুঃখ করার কিছু নেই।’ মন্তব্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment