র গুরুত্বারূপ করে এই আইনজ্ঞ বলেন, “একটি সংশোধনী হলেই সেটা চূড়ান্ত নয়। এটা নিয়ে আইনজীবীসহ সব নাগরিকের একটি জাতীয় সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। সেখানে সরকারের প্রতিনিধিদের বেশি করে থাকা উচিত। আপনারা শাসক। আপনারা বেশি জ্ঞানী। আমরা সরল বিশ্বাসী মানুষ। আপনারা এসে বোঝাবেন, কোনটি ঠিক।” ড. কামাল হোসেন বলেন, ভোটারবিহীন নির্বাচন ১৯৮৬ সালে প্রথম শুরু হয়েছে। শাসক দল দাবি করতে পারে যে, ভোটারবিহীন নির্বাচন ঠিক আছে। কিন্তু এটা গণতন্ত্র নয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন এবং তারা সরকার গঠন করবেন, এটাই গণতন্ত্র। সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারে না। এই সংবিধানপ্রণেতা বলেন, “যার যার ধর্ম তার তার। আওয়ামী লীগ গঠনের সময় আমরা ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি কেটে দিয়েছি বলে আমরা অমুসলিম হয়ে যাইনি। যে যার ধর্ম পালন করবে। এটা নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়।” তিনি আরো বলেন, জাতীয়তাবাদ নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। কারণ এই জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। প্রধান বিচারপতির পদ প্রসঙ্গে আইনজ্ঞ ড. কামাল বলেন, “প্রধান বিচারপতিসহ সব বিচারপতি শপথ অনুযায়ী বিবেক দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি পক্ষপাতিত্বভাবে কিছু করলে একটি স্তম্ভ ধসে যাবে।” গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তাই তারা মাসদার হোসেন মামলায় হাইকোর্টের রায়কে আপিল বিভাগে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিচারব্যবস্থা এখন পণ্যে পরিণত হয়েছে। সততা, যোগ্যতা, মেধার ভিত্তিতে না করে দলীয়করণে বিচারক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সংগঠনের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আবু ইয়াহিয়া দুলাল প্রমুখ। নতুন বার্তা/এজেখান/মোআ
Thursday, November 20, 2014
৫ জানুয়ারি ভোট দিয়েছে এমন কাউকে পাননি ড. কামাল :Natun Barta
র গুরুত্বারূপ করে এই আইনজ্ঞ বলেন, “একটি সংশোধনী হলেই সেটা চূড়ান্ত নয়। এটা নিয়ে আইনজীবীসহ সব নাগরিকের একটি জাতীয় সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। সেখানে সরকারের প্রতিনিধিদের বেশি করে থাকা উচিত। আপনারা শাসক। আপনারা বেশি জ্ঞানী। আমরা সরল বিশ্বাসী মানুষ। আপনারা এসে বোঝাবেন, কোনটি ঠিক।” ড. কামাল হোসেন বলেন, ভোটারবিহীন নির্বাচন ১৯৮৬ সালে প্রথম শুরু হয়েছে। শাসক দল দাবি করতে পারে যে, ভোটারবিহীন নির্বাচন ঠিক আছে। কিন্তু এটা গণতন্ত্র নয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন এবং তারা সরকার গঠন করবেন, এটাই গণতন্ত্র। সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারে না। এই সংবিধানপ্রণেতা বলেন, “যার যার ধর্ম তার তার। আওয়ামী লীগ গঠনের সময় আমরা ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি কেটে দিয়েছি বলে আমরা অমুসলিম হয়ে যাইনি। যে যার ধর্ম পালন করবে। এটা নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়।” তিনি আরো বলেন, জাতীয়তাবাদ নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। কারণ এই জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। প্রধান বিচারপতির পদ প্রসঙ্গে আইনজ্ঞ ড. কামাল বলেন, “প্রধান বিচারপতিসহ সব বিচারপতি শপথ অনুযায়ী বিবেক দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি পক্ষপাতিত্বভাবে কিছু করলে একটি স্তম্ভ ধসে যাবে।” গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তাই তারা মাসদার হোসেন মামলায় হাইকোর্টের রায়কে আপিল বিভাগে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিচারব্যবস্থা এখন পণ্যে পরিণত হয়েছে। সততা, যোগ্যতা, মেধার ভিত্তিতে না করে দলীয়করণে বিচারক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সংগঠনের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আবু ইয়াহিয়া দুলাল প্রমুখ। নতুন বার্তা/এজেখান/মোআ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment