মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সিপিএ ও আইপিওতে বাংলাদেশ থেকে চেয়ারপারসন ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া সম্পর্তিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক এই দুটি সংস্থায় বাংলাদেশের জয়লাভ একদিকে যেমন আমাদের বিরল অর্জন, তেমনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে আমাদের ক্রমবর্ধমান সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রমাণ।’ শেখ হাসিনা দাবি করেন, ‘এর মধ্য দিয়ে এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অব্যাহত অগ্রযাত্রার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় পুরোপুরি আস্থা রাখে।’ ‘গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে আজ রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে সেটি আবারো সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে’ যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো কোনো মহলের ‘নেতিবাচক’ প্রচারণা স্বত্ত্বেও বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের আন্তর্জাতিক ফোরামে নির্বাচিত হওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌহাদ্যপূর্ণ ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ভিত্তি ক্রমশঃ আরো জোরদার হচ্ছে।’ সরকারদলীয় সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বর্তমান সরকারের ওপর আছে। তার প্রমাণ, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল অথবা ব্যক্তিত্ব অনরবত সরকার উৎখাতের হুমকি ও সময় দিচ্ছে এবং নানা ধরনের কথা বলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েও সাড়া পাচ্ছে না। ‘এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে- জনগণের আস্থা আমাদের ওপর আছে এবং তারা বিশ্বাস করে কেবল আমরাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। দেশবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসই আমাদের বড় শক্তি’ যোগ করেন শেখ হাসিনা। স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর অপর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রার্থী বাছাই করা বড় বিষয়। ওআইসিতে একজন যুদ্ধাপরাধীকে প্রার্থী দিয়েছিল, সেই প্রার্থীকে কেউ পছন্দ করেনি। যে প্রথম রাউন্ডে দুই ভোট এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে শুধু নিজের ভোট পেয়েছিল। ‘আমরা সিপিএ ও আইপিওতে উপযুক্ত প্রার্থী দিয়েছিলাম বলে সবাই ভোট দিয়েছে এবং তারা বিজয়ী হয়েছেন’ দাবি করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘২০৪১সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাই ২০৪১ সালকে সামনে রেখে কিভাবে আগানো যায় সেই পরিকল্পনা নিচ্ছি।’ এ কে এম রহমতুল্লার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অঙ্গীকার করেছিলাম- দেশের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিচার করা হবে। চিহ্নিত মানবতাবিরোধীতের বিচারের মাধ্যমে উচিত সাজা নিশ্চিত করলে শহীদের আত্মা শান্তি পাবে ও তাদের পরিবারের সদস্যরা তৃপ্ত হবেন।’ তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আমি দাবি তুলেছিলাম এবং শহীদদের মা’দের নিয়ে দাবি বাস্তবায়নে সংগ্রাম করেছিলাম। আজ সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে সাজা কার্যকর শুরু হয়েছে এজন্য আমি স্বস্তি বোধ করছি।’ মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ২০১৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ৩৯ হাজার ৯০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে। তিনি বলেন, প্রতি উপজেলা বা থানার অনধিক তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট এক হাজার ৪৯৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া, সাউন্ড সিস্টেম ও ইন্টারনেট মডেম সরবরাহ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আরো জানান, চলতি অর্থ-বছরে আরও তিন হাজার ৯৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষের জন্য একইরূপ উপকরণ বিতরণের জন্য অপেক্ষমাণ এবং তিন হাজার ৫০৪টির জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন মন্তব্য pay per click
Thursday, November 20, 2014
বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্র ও সুশাসনের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী:RTNN
মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সিপিএ ও আইপিওতে বাংলাদেশ থেকে চেয়ারপারসন ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া সম্পর্তিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক এই দুটি সংস্থায় বাংলাদেশের জয়লাভ একদিকে যেমন আমাদের বিরল অর্জন, তেমনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে আমাদের ক্রমবর্ধমান সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রমাণ।’ শেখ হাসিনা দাবি করেন, ‘এর মধ্য দিয়ে এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অব্যাহত অগ্রযাত্রার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় পুরোপুরি আস্থা রাখে।’ ‘গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে আজ রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে সেটি আবারো সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে’ যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো কোনো মহলের ‘নেতিবাচক’ প্রচারণা স্বত্ত্বেও বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের আন্তর্জাতিক ফোরামে নির্বাচিত হওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌহাদ্যপূর্ণ ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ভিত্তি ক্রমশঃ আরো জোরদার হচ্ছে।’ সরকারদলীয় সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বর্তমান সরকারের ওপর আছে। তার প্রমাণ, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল অথবা ব্যক্তিত্ব অনরবত সরকার উৎখাতের হুমকি ও সময় দিচ্ছে এবং নানা ধরনের কথা বলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েও সাড়া পাচ্ছে না। ‘এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে- জনগণের আস্থা আমাদের ওপর আছে এবং তারা বিশ্বাস করে কেবল আমরাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। দেশবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসই আমাদের বড় শক্তি’ যোগ করেন শেখ হাসিনা। স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর অপর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রার্থী বাছাই করা বড় বিষয়। ওআইসিতে একজন যুদ্ধাপরাধীকে প্রার্থী দিয়েছিল, সেই প্রার্থীকে কেউ পছন্দ করেনি। যে প্রথম রাউন্ডে দুই ভোট এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে শুধু নিজের ভোট পেয়েছিল। ‘আমরা সিপিএ ও আইপিওতে উপযুক্ত প্রার্থী দিয়েছিলাম বলে সবাই ভোট দিয়েছে এবং তারা বিজয়ী হয়েছেন’ দাবি করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘২০৪১সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাই ২০৪১ সালকে সামনে রেখে কিভাবে আগানো যায় সেই পরিকল্পনা নিচ্ছি।’ এ কে এম রহমতুল্লার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অঙ্গীকার করেছিলাম- দেশের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিচার করা হবে। চিহ্নিত মানবতাবিরোধীতের বিচারের মাধ্যমে উচিত সাজা নিশ্চিত করলে শহীদের আত্মা শান্তি পাবে ও তাদের পরিবারের সদস্যরা তৃপ্ত হবেন।’ তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আমি দাবি তুলেছিলাম এবং শহীদদের মা’দের নিয়ে দাবি বাস্তবায়নে সংগ্রাম করেছিলাম। আজ সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে সাজা কার্যকর শুরু হয়েছে এজন্য আমি স্বস্তি বোধ করছি।’ মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ২০১৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ৩৯ হাজার ৯০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে। তিনি বলেন, প্রতি উপজেলা বা থানার অনধিক তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট এক হাজার ৪৯৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া, সাউন্ড সিস্টেম ও ইন্টারনেট মডেম সরবরাহ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আরো জানান, চলতি অর্থ-বছরে আরও তিন হাজার ৯৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষের জন্য একইরূপ উপকরণ বিতরণের জন্য অপেক্ষমাণ এবং তিন হাজার ৫০৪টির জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন মন্তব্য pay per click
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment