যমের। অনেক সময়েই ভারতীয় সাংবাদিকেরা তাদের এমন প্রশ্ন করেছেন যা গ্রহণযোগ্য নয়। আবার কারো কারো মতে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নরেন্দ্র মোদী সরকারের জনসংযোগের কাজ করছে। ‘গো হোম ইন্ডিয়ান মিডিয়া’ নামে হ্যাশট্যাগ তৈরি করে এই বিষয়ে প্রচার চলছে টুইটারে। তবে অনেকের মতে, বিরূপ প্রচারের চেয়ে ভারতের ত্রাণকার্যের প্রশংসাই হয়েছে বেশি। নেপালি জনমানস ও সংবাদমাধ্যমের একাংশের ধারণা, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নেপাল নিয়ে কিছুটা দাদাগিরি করে। টুইটারে প্রচার তারই প্রতিফলন। কিন্তু তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে ভারত-বিরোধী প্রচারের পেছনে উসকানিও থাকতে পারে বলে মনে করছে কিছু শিবির। গতকালই ত্রাণের সুযোগে বিদেশি শক্তির ‘নেপাল-বিরোধী চক্রান্ত’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালাকে সতর্ক করেছিলেন মাওবাদী নেতা প্রচণ্ড। নেপালে ত্রাণের কাজে গিয়ে ভারতীয় সেনার কপ্টার চিনা সীমান্তের কাছে ওড়াউড়ি করেছে বলেও দাবি নেপালি সংবাদমাধ্যমের একাংশের। ভারতের ত্রাণকার্যের পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই বলে সে দেশের একটি সংবাদপত্রে নিবন্ধ লিখে জানিয়েছেন কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রঞ্জিত রাই। কোনো কারণ না জানালেও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে এখন নেপালে না যেতে অনুরোধ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। তার জনকপুর যাত্রায় আগে সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্র। সূত্র: আনন্দবাজার মন্তব্য
Monday, May 4, 2015
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নেপালিরা:আরটিএনএন
যমের। অনেক সময়েই ভারতীয় সাংবাদিকেরা তাদের এমন প্রশ্ন করেছেন যা গ্রহণযোগ্য নয়। আবার কারো কারো মতে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নরেন্দ্র মোদী সরকারের জনসংযোগের কাজ করছে। ‘গো হোম ইন্ডিয়ান মিডিয়া’ নামে হ্যাশট্যাগ তৈরি করে এই বিষয়ে প্রচার চলছে টুইটারে। তবে অনেকের মতে, বিরূপ প্রচারের চেয়ে ভারতের ত্রাণকার্যের প্রশংসাই হয়েছে বেশি। নেপালি জনমানস ও সংবাদমাধ্যমের একাংশের ধারণা, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নেপাল নিয়ে কিছুটা দাদাগিরি করে। টুইটারে প্রচার তারই প্রতিফলন। কিন্তু তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে ভারত-বিরোধী প্রচারের পেছনে উসকানিও থাকতে পারে বলে মনে করছে কিছু শিবির। গতকালই ত্রাণের সুযোগে বিদেশি শক্তির ‘নেপাল-বিরোধী চক্রান্ত’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালাকে সতর্ক করেছিলেন মাওবাদী নেতা প্রচণ্ড। নেপালে ত্রাণের কাজে গিয়ে ভারতীয় সেনার কপ্টার চিনা সীমান্তের কাছে ওড়াউড়ি করেছে বলেও দাবি নেপালি সংবাদমাধ্যমের একাংশের। ভারতের ত্রাণকার্যের পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই বলে সে দেশের একটি সংবাদপত্রে নিবন্ধ লিখে জানিয়েছেন কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রঞ্জিত রাই। কোনো কারণ না জানালেও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে এখন নেপালে না যেতে অনুরোধ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। তার জনকপুর যাত্রায় আগে সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্র। সূত্র: আনন্দবাজার মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment