ে মারধর ও গণধর্ষণ করে। এরপর তাকে ট্রেনের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। কল্যাণ-কোলশেওয়াদি পুলিশ স্টেশনের উপ-পরিদর্শক ভিএস পাওয়ার জানান, ধর্ষিতার বাড়ি বাংলাদেশের অভয়নগরে। ৪-৫ বছর আগে মিঠুন চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তি তাকে মুম্বই নিয়ে যায় এবং জিজু নামের এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। এরপর থেকে কল্যাণ রেল স্টেশনের কাছে এক বস্তিতে জিজুর সঙ্গে ছিলেন তিনি। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে বলা হয়, জিজু ও আরেক ব্যক্তি ওই বাংলাদেশি তরুণীকে দেহব্যবসায় নামতে বাধ্য করে। ১০ মে মধ্যরাতের দিকে ৩-৪ নরপিশাচ তাকে কল্যাণ রেলওয়ে প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। শুধু ধর্ষণ করেই নিবৃত্ত থাকেনি। তারা তাকে নির্মম প্রহার করে। এরপর পাঠানকোট এক্সপ্রেস ট্রেনে মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরদিন কয়েকজন মানুষ মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় ট্রেনের মধ্যে খুঁজে পায়। ভোপাল স্টেশনে রেলওয়ে পুলিশ তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর ১৩ মে ভোপাল পুলিশ ধর্ষণের শিকার যুবতীর জবানবন্দি নেয় এবং অভিযোগটি মুম্বই রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে মুম্বই রেলওয়ে পুলিশ মামলাটি আরো তদন্তের জন্য কল্যাণ পুলিশের কাছে পাঠায়। মন্তব্য
Tuesday, May 19, 2015
ভারতে বাংলাদেশি তরুণীকে গণধর্ষণ:আরটিএনএন
ে মারধর ও গণধর্ষণ করে। এরপর তাকে ট্রেনের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। কল্যাণ-কোলশেওয়াদি পুলিশ স্টেশনের উপ-পরিদর্শক ভিএস পাওয়ার জানান, ধর্ষিতার বাড়ি বাংলাদেশের অভয়নগরে। ৪-৫ বছর আগে মিঠুন চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তি তাকে মুম্বই নিয়ে যায় এবং জিজু নামের এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। এরপর থেকে কল্যাণ রেল স্টেশনের কাছে এক বস্তিতে জিজুর সঙ্গে ছিলেন তিনি। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে বলা হয়, জিজু ও আরেক ব্যক্তি ওই বাংলাদেশি তরুণীকে দেহব্যবসায় নামতে বাধ্য করে। ১০ মে মধ্যরাতের দিকে ৩-৪ নরপিশাচ তাকে কল্যাণ রেলওয়ে প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। শুধু ধর্ষণ করেই নিবৃত্ত থাকেনি। তারা তাকে নির্মম প্রহার করে। এরপর পাঠানকোট এক্সপ্রেস ট্রেনে মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরদিন কয়েকজন মানুষ মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় ট্রেনের মধ্যে খুঁজে পায়। ভোপাল স্টেশনে রেলওয়ে পুলিশ তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর ১৩ মে ভোপাল পুলিশ ধর্ষণের শিকার যুবতীর জবানবন্দি নেয় এবং অভিযোগটি মুম্বই রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে মুম্বই রেলওয়ে পুলিশ মামলাটি আরো তদন্তের জন্য কল্যাণ পুলিশের কাছে পাঠায়। মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment