াকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন— বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাপরাখালী গ্রামের আফসার আলী খাঁর ছেলে লাভলু খাঁ, পশ্চিম বহরবুনিয়ার আসমত আলী হাওলাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান হবি ওরফে হাবি ডাকাত, সাপরাখালীর তাজেল হওলাদারের ছেলে আলামিন হাওলাদার এবং সূর্যমুখী গ্রামের মজিদ হওলাদারের ছেলে বেল্লাল হোসেন। যাবজ্জীবন দণ্ডিত হলেন— পশ্চিম বহরবুনিয়া গ্রামের আবদুর রব শেখের ছেলে হারুন শেখ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় শুধু উপস্থিত ছিলেন যাবজ্জীবন দণ্ডিত হারুন শেখ। মামলার নথি থেকে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে আসামিদের সঙ্গে মোরেলগঞ্জ উপজেলার উত্তর ফুলহাতা গ্রামের বশির উদ্দিন হওলাদারের ছেলে সরোয়ার হোসেন হাওলাদারের বিরোধ ছিল। এর জেরে ২০০৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা সরোয়ারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাশের পশ্চিম বহনবুনিয়া গ্রামের বয়াসিঙ্গের খালপাড়ে কুপিয়ে হত্যা করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা। ওই ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর মোরেলগঞ্জ থানার এসআই আবুল কালাম ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার ছয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলা চলাকালে একজনের মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি শেখ মোহাম্মদ আলী এবং আসামিদের পক্ষে ছিলেন আবদুল জলিল বেপারী। মন্তব্য নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিটঘর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা . . . বিস্তারিত আনছার হোসেনআরটিএনএনকক্সবাজার: সমুদ্রপাড়ের জেলা কক্সবাজার যেন ‘নিখোঁজ’ এলাকায় পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গ্রা . . . বিস্তারিত
Tuesday, May 19, 2015
বাগেরহাটে হত্যার দায়ে চারজনের ফাঁসির আদেশ:আরটিএনএন
াকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন— বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাপরাখালী গ্রামের আফসার আলী খাঁর ছেলে লাভলু খাঁ, পশ্চিম বহরবুনিয়ার আসমত আলী হাওলাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান হবি ওরফে হাবি ডাকাত, সাপরাখালীর তাজেল হওলাদারের ছেলে আলামিন হাওলাদার এবং সূর্যমুখী গ্রামের মজিদ হওলাদারের ছেলে বেল্লাল হোসেন। যাবজ্জীবন দণ্ডিত হলেন— পশ্চিম বহরবুনিয়া গ্রামের আবদুর রব শেখের ছেলে হারুন শেখ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় শুধু উপস্থিত ছিলেন যাবজ্জীবন দণ্ডিত হারুন শেখ। মামলার নথি থেকে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে আসামিদের সঙ্গে মোরেলগঞ্জ উপজেলার উত্তর ফুলহাতা গ্রামের বশির উদ্দিন হওলাদারের ছেলে সরোয়ার হোসেন হাওলাদারের বিরোধ ছিল। এর জেরে ২০০৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা সরোয়ারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাশের পশ্চিম বহনবুনিয়া গ্রামের বয়াসিঙ্গের খালপাড়ে কুপিয়ে হত্যা করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা। ওই ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর মোরেলগঞ্জ থানার এসআই আবুল কালাম ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার ছয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলা চলাকালে একজনের মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি শেখ মোহাম্মদ আলী এবং আসামিদের পক্ষে ছিলেন আবদুল জলিল বেপারী। মন্তব্য নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিটঘর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা . . . বিস্তারিত আনছার হোসেনআরটিএনএনকক্সবাজার: সমুদ্রপাড়ের জেলা কক্সবাজার যেন ‘নিখোঁজ’ এলাকায় পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গ্রা . . . বিস্তারিত
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment