কমে যাবে।’ রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন এসব মত তুলে ধরে ইডব্লিউজি। এ সময় সংগঠনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পরিচালক ড. আব্দুল আলীম। নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রার্থীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার আতঙ্কে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে খুবই সীমিতভাবে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। অনেক প্রার্থী গ্রেপ্তার কিংবা রাজনৈতিক মামলায় পুলিশের হয়রানির ভয়ে প্রচারণা চালাতেই বের হননি।’ আব্দুল আলীম বলেন, ‘এছাড়া পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় অনেকে প্রচারণা চালাতে পারেননি। বিশেষ করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণা সামগ্রী অন্য প্রার্থীদের তুলনায় কম ছিল।’ প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিন সিটি করপোরেশনের সবক’টিতেই মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। তবে এসবের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে খুবই সীমিত আকারে আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে।’ আব্দুল আলীম বলেন, ‘আচরণবিধির লঙ্ঘনের এসব ঘটনা ছোট। কিন্তু ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রার্থীরা উৎসাহিত হয়েছেন, যা নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আইন অমান্য করে প্রার্থীরা প্রচারণায় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছবি, স্লোগানসহ বিভিন্ন বিষয় ব্যবহার করেছেন। নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় আকারের পোস্টার, দেয়ালে, যানবাহনে, বিদ্যুতের খুঁটিতে, ছাদে পোস্টার লাগিয়েছেন, যা নির্বাচনের স্পষ্ট আচরণবিধির লঙ্ঘন।’ এছাড়া দুপুর দুইটা থেকে রাত নয়টার পর মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও প্রার্থীরা তা মানেননি বলেও অভিযোগ করেন ইডব্লিউজির এই পরিচালক। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কোন দল সমর্থিত প্রার্থী বেশি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, এই ব্যাপারে আমরা পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে জানাব।’ নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে আব্দুল আলীম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তরে ৯টি, দক্ষিণে ১৪টি ও চট্টগ্রামে ১০টি মোবাইল কোর্ট বসিয়েছিল। কিন্তু কেবল অর্থদণ্ড ও সতর্ক নোটিশে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ ছিল।’ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- ডেমোক্রেসি ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান, ইমাম হাসনাত প্রমুখ। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ২৮টি সিভিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সমন্বয়ে ইডব্লিউজি গঠিত হয়। মন্তব্য
Sunday, April 26, 2015
সেনা বিভ্রান্তি নির্বাচনে সহিংসতা বাড়াবে: ইডব্লিউজি:আরটিএনএন
কমে যাবে।’ রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন এসব মত তুলে ধরে ইডব্লিউজি। এ সময় সংগঠনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পরিচালক ড. আব্দুল আলীম। নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রার্থীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার আতঙ্কে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে খুবই সীমিতভাবে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। অনেক প্রার্থী গ্রেপ্তার কিংবা রাজনৈতিক মামলায় পুলিশের হয়রানির ভয়ে প্রচারণা চালাতেই বের হননি।’ আব্দুল আলীম বলেন, ‘এছাড়া পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় অনেকে প্রচারণা চালাতে পারেননি। বিশেষ করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণা সামগ্রী অন্য প্রার্থীদের তুলনায় কম ছিল।’ প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিন সিটি করপোরেশনের সবক’টিতেই মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। তবে এসবের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে খুবই সীমিত আকারে আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে।’ আব্দুল আলীম বলেন, ‘আচরণবিধির লঙ্ঘনের এসব ঘটনা ছোট। কিন্তু ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রার্থীরা উৎসাহিত হয়েছেন, যা নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আইন অমান্য করে প্রার্থীরা প্রচারণায় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছবি, স্লোগানসহ বিভিন্ন বিষয় ব্যবহার করেছেন। নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় আকারের পোস্টার, দেয়ালে, যানবাহনে, বিদ্যুতের খুঁটিতে, ছাদে পোস্টার লাগিয়েছেন, যা নির্বাচনের স্পষ্ট আচরণবিধির লঙ্ঘন।’ এছাড়া দুপুর দুইটা থেকে রাত নয়টার পর মাইক্রোফোন ও লাউড স্পিকারের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও প্রার্থীরা তা মানেননি বলেও অভিযোগ করেন ইডব্লিউজির এই পরিচালক। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কোন দল সমর্থিত প্রার্থী বেশি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, এই ব্যাপারে আমরা পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে জানাব।’ নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে আব্দুল আলীম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তরে ৯টি, দক্ষিণে ১৪টি ও চট্টগ্রামে ১০টি মোবাইল কোর্ট বসিয়েছিল। কিন্তু কেবল অর্থদণ্ড ও সতর্ক নোটিশে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ ছিল।’ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- ডেমোক্রেসি ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান, ইমাম হাসনাত প্রমুখ। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ২৮টি সিভিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সমন্বয়ে ইডব্লিউজি গঠিত হয়। মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment