কাটছে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে। কুলসুম (১৫) জন্ম থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। সে বড়ইয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে। এছাড়াও তার শারীরিক অক্ষমতা রয়েছে। আব্দুল কাদের হাওলাদার ও মনির হাওলাদার সুস্থভাবে জন্মিয়েছে। কিন্তু জন্মের ১২ বছর পর তারা প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। তারা পাটল গ্রামের মুনসুর আলী হাওলাদারের ছেলে। এদুটো গ্রাম ছাড়াও রাজাপুর উপজেলার আরও ৬টি ইউনিয়নে বহু প্রতিবন্ধী রয়েছে। জানা গেছে, গত ১৫ বছর ধরে গ্রাম দুটিতে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম নিচ্ছে। অথচ এই দীর্ঘ সময়েও এর কারণ অনুসন্ধানে সরকারি-বেসরকারি কোনো পর্যায় থেকেই কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী শুধু রাজাপুর উপজেলাতেই রয়েছে ২ হাজার ২৬৬ জন প্রতিবন্ধী। আর বেসরকারি সংস্থাগুলোর জরিপে এর সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী থাকার পরও তাদের জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নেই। এলাকার শিশু-প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তারা। প্রতিবন্ধী মাহতাব জানান, জন্ম থেকেই তিনি প্রতিবন্ধী। এখানে আরও অনেক প্রতিবন্ধী রয়েছে। তারা কেউই কোনো ভাতা বা সুবিধা পায় না। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ভবানী শংকর বল জানান, প্রতিবন্ধী জরিপ শেষ হয়েছে। সরকারিভাবে ৩৭১ জন প্রতিবন্ধী ৫০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছে। তবে এই ভাতা খুবই কম বলেও স্বীকার করেন তিনি। এমকে
Wednesday, December 3, 2014
শুধু রাজাপুরেই ৫ হাজার প্রতিবন্ধী!:Time News
কাটছে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে। কুলসুম (১৫) জন্ম থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। সে বড়ইয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে। এছাড়াও তার শারীরিক অক্ষমতা রয়েছে। আব্দুল কাদের হাওলাদার ও মনির হাওলাদার সুস্থভাবে জন্মিয়েছে। কিন্তু জন্মের ১২ বছর পর তারা প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। তারা পাটল গ্রামের মুনসুর আলী হাওলাদারের ছেলে। এদুটো গ্রাম ছাড়াও রাজাপুর উপজেলার আরও ৬টি ইউনিয়নে বহু প্রতিবন্ধী রয়েছে। জানা গেছে, গত ১৫ বছর ধরে গ্রাম দুটিতে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম নিচ্ছে। অথচ এই দীর্ঘ সময়েও এর কারণ অনুসন্ধানে সরকারি-বেসরকারি কোনো পর্যায় থেকেই কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী শুধু রাজাপুর উপজেলাতেই রয়েছে ২ হাজার ২৬৬ জন প্রতিবন্ধী। আর বেসরকারি সংস্থাগুলোর জরিপে এর সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী থাকার পরও তাদের জন্য কোনো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নেই। এলাকার শিশু-প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তারা। প্রতিবন্ধী মাহতাব জানান, জন্ম থেকেই তিনি প্রতিবন্ধী। এখানে আরও অনেক প্রতিবন্ধী রয়েছে। তারা কেউই কোনো ভাতা বা সুবিধা পায় না। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ভবানী শংকর বল জানান, প্রতিবন্ধী জরিপ শেষ হয়েছে। সরকারিভাবে ৩৭১ জন প্রতিবন্ধী ৫০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছে। তবে এই ভাতা খুবই কম বলেও স্বীকার করেন তিনি। এমকে
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment