ীকার করতে রাজি হননি। মঙ্গলবার বিরোধীদলীয় এমপিরা সংসদে তাঁর ইস্তফা চেয়ে সোচ্চার হয়েছেন। ব্যাপক হাঙ্গামার কারণে লোকসভা একবার এবং রাজ্যসভার অধিবেশন চারবার মুলতুবি রাখতে হয়। সোমবার পশ্চিম দিল্লিতে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি বলেন, ''দিল্লির মানুষকে এটা ঠিক করতে হবে, যে তাঁরা রামজাদার (রামের সন্তানদের) সরকার চান, না হারামজাদার সরকার চান।’ এরপর তিনি বলেন, মুসলিম এবং খ্রিস্টানরাও রামের সন্তান। এই মন্তব্যেই উত্তাল হয়ে ওঠে দেশের রাজনৈতিক মহল। এরই জেরে মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে ওই মন্ত্রীকে বলতে হয়, ‘আমার মন্তব্যের জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। আমি ভবিষ্যতে এ সম্পর্কে কোনো কথা বলব না।’ তাঁর মতে, যাঁরা রামের অনুগামী নন তাঁরা ভারতের বাসিন্দাই নন! স্বাধ্বী নিরঞ্জনের এ মন্তব্যের পর বিতর্কের ঝড় ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় মুখর হয় বিরোধী দলগুলো। কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা সাধ্বীর ওই মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা দাবি করেন। বিএসপির সুপ্রিমো মায়াবতীর অভিযোগ, প্রতিমন্ত্রীর ওই মন্তব্য সংবিধান বিরোধী এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে আঘাত করেছে। মন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবিও তোলেন মায়াবতী। আম আদমি পার্টির মণীশ সিসৌদিয়া বলেন, “এটাই বিজেপি’র আসল চেহারা। তাদের ভাষাই প্রমাণ দিচ্ছে কেন্দ্রে থেকে কী ধরনের কাজ তারা করছে এবং ভবিষ্যতে তারা দিল্লিতে কী করবে!” যদিও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, “মন্ত্রী তাঁর ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে কথা স্বীকার করে তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। ব্যস! বিষয়টা সেখানেই থেমে গেছে।” মোদির অন্যতম বিশ্বস্ত নিরঞ্জন জ্যোতি উত্তরপ্রদেশে দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষদের মধ্যে বিজেপির সংগঠন তৈরি করা অন্যতম হোতা। আসন্ন দিল্লির নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারের দায়িত্বেও আছেন এই সাংসদ। ইআর
Wednesday, December 3, 2014
মুসলমান ও খ্রিস্টানদের রামের সন্তান বলায় সংসদে ঝড়:Time News
ীকার করতে রাজি হননি। মঙ্গলবার বিরোধীদলীয় এমপিরা সংসদে তাঁর ইস্তফা চেয়ে সোচ্চার হয়েছেন। ব্যাপক হাঙ্গামার কারণে লোকসভা একবার এবং রাজ্যসভার অধিবেশন চারবার মুলতুবি রাখতে হয়। সোমবার পশ্চিম দিল্লিতে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি বলেন, ''দিল্লির মানুষকে এটা ঠিক করতে হবে, যে তাঁরা রামজাদার (রামের সন্তানদের) সরকার চান, না হারামজাদার সরকার চান।’ এরপর তিনি বলেন, মুসলিম এবং খ্রিস্টানরাও রামের সন্তান। এই মন্তব্যেই উত্তাল হয়ে ওঠে দেশের রাজনৈতিক মহল। এরই জেরে মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে ওই মন্ত্রীকে বলতে হয়, ‘আমার মন্তব্যের জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। আমি ভবিষ্যতে এ সম্পর্কে কোনো কথা বলব না।’ তাঁর মতে, যাঁরা রামের অনুগামী নন তাঁরা ভারতের বাসিন্দাই নন! স্বাধ্বী নিরঞ্জনের এ মন্তব্যের পর বিতর্কের ঝড় ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় মুখর হয় বিরোধী দলগুলো। কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা সাধ্বীর ওই মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা দাবি করেন। বিএসপির সুপ্রিমো মায়াবতীর অভিযোগ, প্রতিমন্ত্রীর ওই মন্তব্য সংবিধান বিরোধী এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে আঘাত করেছে। মন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবিও তোলেন মায়াবতী। আম আদমি পার্টির মণীশ সিসৌদিয়া বলেন, “এটাই বিজেপি’র আসল চেহারা। তাদের ভাষাই প্রমাণ দিচ্ছে কেন্দ্রে থেকে কী ধরনের কাজ তারা করছে এবং ভবিষ্যতে তারা দিল্লিতে কী করবে!” যদিও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, “মন্ত্রী তাঁর ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে কথা স্বীকার করে তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। ব্যস! বিষয়টা সেখানেই থেমে গেছে।” মোদির অন্যতম বিশ্বস্ত নিরঞ্জন জ্যোতি উত্তরপ্রদেশে দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষদের মধ্যে বিজেপির সংগঠন তৈরি করা অন্যতম হোতা। আসন্ন দিল্লির নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারের দায়িত্বেও আছেন এই সাংসদ। ইআর
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment