লুইজ, লুইজ গুস্তাভো, ফার্নান্দিনহো, অস্কার, উইলিয়ান, আদ্রিয়ানো, দানিলো আর নেইমারকে। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। তুরস্কের এক ডিফেন্ডার নিজেদের শিবিরে বল ক্লিয়ার করতে গোলরক্ষক ভলকানো দেমিরেলকে ব্যাক পাস দেয়। কিন্তু বল গিয়ে পড়ে নেইমারের পায়ে। ফিনিশিং টাচ করার আগেই প্রতিপক্ষের আরেক ডিফেন্ডারের দৃঢ়তায় গোল বঞ্চিত হন নেইমার। তবে খেলার ২০তম মিনিটে ঠিকই গোল আদায় করে নেন নেইমার। নেইমারকে বলের যোগান দেন ফার্নান্দিনহো। আর সেই বল আয়ত্বে নিয়ে দেমিরেলকে কোনো সুযোগই দেননি নেইমার। ডান পায়ের ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে লিড পাইয়ে দেন ম্যাচের ২৪তম মিনিটে সেলেকাওদের লিড দ্বিগুণ হয় আত্মঘাতী গোলের সুবাদে। লুইজ আদ্রিয়ানোর ডান কোণ থেকে তুলে মারা জোড়ালো শটে পা লাগিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন তুরস্কের ডিফেন্ডার কায়া। ফলে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে ২-০ গোলে। ৩০তম মিনিটে ব্যবধান কমানোর প্রথম সুযোগ পায় তুরস্ক। ব্রাজিলের গোলপোস্টের ডান কোণ থেকে শট নেন আরদা তুরান। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এ তারকা স্ট্রাইকারের মাপা শটটি অসাধারণ একটি ডাইভ দিয়ে রুখে দেন দিয়েগো আলভেজ। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন উইলিয়ান। তবে দুই মিনিট পরে ঠিকই গোল পান তিনি। দারুণ একটি পাস থেকে নেইমারের বাড়ানো বলে গোল করেন উইলিয়ান। ফলে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলের লিড নেয় সফরকারী ব্রাজিল। বিরতির পর আবারো আগের চেহারাতেই ফিরে আসে ব্রাজিল। এ সময় স্বাগতিকরা তাদের গোলরক্ষক ভলকানো দেমিরেলকে মাঠ থেকে উঠিয়ে ভলকানো বাবাকানকে মাঠে নামায়। আর গোলরক্ষক পরিবর্তনের ফলও পায় তুরস্ক। ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে ডেভিড লুইজের দারুণ একটি হেড থেকে যাওয়া বল রুখে দেন বাবাকান। এ সময় বাবাকানকে দৌড়ে গিয়ে অভিনন্দন জানাতেও ভুল করেননি ডেভিড লু্ইজ। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। উইলিয়ানের সঙ্গে ওয়ান টাচ পাস খেলে দারুণভাবে বাবাকানকে পরাস্ত করেন তিনি। ফলে, সেলেকাওরা ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে আরদা তুরানের পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন বুলুত। তিনি সরাসরি ব্রাজিল গোলরক্ষক আলভেজের গায়ে বল মেরে দেন। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে ৪-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নেইমাররা। বিশ্বকাপের পর কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, আর্জেন্টিনা আর জাপানের পর এবার নেইমারবাহিনী হারালো তুরস্ককে। পরের ম্যাচে ১৮ নভেম্বর ব্রাজিল মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়ার।
Thursday, November 13, 2014
চার গোলে ব্রাজিলের কাছে ধরাশায়ী তুরস্ক:Time News
লুইজ, লুইজ গুস্তাভো, ফার্নান্দিনহো, অস্কার, উইলিয়ান, আদ্রিয়ানো, দানিলো আর নেইমারকে। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। তুরস্কের এক ডিফেন্ডার নিজেদের শিবিরে বল ক্লিয়ার করতে গোলরক্ষক ভলকানো দেমিরেলকে ব্যাক পাস দেয়। কিন্তু বল গিয়ে পড়ে নেইমারের পায়ে। ফিনিশিং টাচ করার আগেই প্রতিপক্ষের আরেক ডিফেন্ডারের দৃঢ়তায় গোল বঞ্চিত হন নেইমার। তবে খেলার ২০তম মিনিটে ঠিকই গোল আদায় করে নেন নেইমার। নেইমারকে বলের যোগান দেন ফার্নান্দিনহো। আর সেই বল আয়ত্বে নিয়ে দেমিরেলকে কোনো সুযোগই দেননি নেইমার। ডান পায়ের ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে লিড পাইয়ে দেন ম্যাচের ২৪তম মিনিটে সেলেকাওদের লিড দ্বিগুণ হয় আত্মঘাতী গোলের সুবাদে। লুইজ আদ্রিয়ানোর ডান কোণ থেকে তুলে মারা জোড়ালো শটে পা লাগিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন তুরস্কের ডিফেন্ডার কায়া। ফলে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে ২-০ গোলে। ৩০তম মিনিটে ব্যবধান কমানোর প্রথম সুযোগ পায় তুরস্ক। ব্রাজিলের গোলপোস্টের ডান কোণ থেকে শট নেন আরদা তুরান। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এ তারকা স্ট্রাইকারের মাপা শটটি অসাধারণ একটি ডাইভ দিয়ে রুখে দেন দিয়েগো আলভেজ। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন উইলিয়ান। তবে দুই মিনিট পরে ঠিকই গোল পান তিনি। দারুণ একটি পাস থেকে নেইমারের বাড়ানো বলে গোল করেন উইলিয়ান। ফলে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলের লিড নেয় সফরকারী ব্রাজিল। বিরতির পর আবারো আগের চেহারাতেই ফিরে আসে ব্রাজিল। এ সময় স্বাগতিকরা তাদের গোলরক্ষক ভলকানো দেমিরেলকে মাঠ থেকে উঠিয়ে ভলকানো বাবাকানকে মাঠে নামায়। আর গোলরক্ষক পরিবর্তনের ফলও পায় তুরস্ক। ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে ডেভিড লুইজের দারুণ একটি হেড থেকে যাওয়া বল রুখে দেন বাবাকান। এ সময় বাবাকানকে দৌড়ে গিয়ে অভিনন্দন জানাতেও ভুল করেননি ডেভিড লু্ইজ। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। উইলিয়ানের সঙ্গে ওয়ান টাচ পাস খেলে দারুণভাবে বাবাকানকে পরাস্ত করেন তিনি। ফলে, সেলেকাওরা ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে আরদা তুরানের পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন বুলুত। তিনি সরাসরি ব্রাজিল গোলরক্ষক আলভেজের গায়ে বল মেরে দেন। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে ৪-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নেইমাররা। বিশ্বকাপের পর কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, আর্জেন্টিনা আর জাপানের পর এবার নেইমারবাহিনী হারালো তুরস্ককে। পরের ম্যাচে ১৮ নভেম্বর ব্রাজিল মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়ার।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment