আমি তাদের কাজের বৈধতা দিলে তারা আমাকে ক্ষমতায় বসাবেন। বেগম জিয়া বলেন, এই প্রস্তাবের জবাবে আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি কারো ডিরেকশনে (নির্দেশনায়) চলি না। দেশের জনগণের প্রতি আমার কমিটমেন্ট আছে-কোন অন্যায়কে আমি প্রশ্রয় দিতে পারি না। পক্ষান্তরে, ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ এক এক করে তাদের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়-এমন ইঙ্গিত দিয়ে বেগম জিয়া বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। দেশে বিচার-ব্যবস্থার সমালোচনা করে বেগম জিয়া আরও বলেন, হাসিনা হিটলারের মতো মানুষ হত্যা করছেন। দেশে প্রতিনিয়ত গুম, খুন চলছে। জনগণের নিরাপত্তা নেই। এভাবে দেশ চলতে পারে না।বিচারকরা যে সঠিক বিচার করছেন না, সেজন্য তাদেরও একদিন আল্লাহর দরবারে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের দল। আমরা ক্ষমতায় থাকলে সারা দেশে সুষম উন্নয়ন করি। আমরা মনে করি জনগণ ভোট দেয় উন্নয়নের জন্য। আর আওয়ামী লীগের আমলে কোন উন্নয়ন হয় না। তারা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য দুর্নীতি করে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভার অনুমতি না দেয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবে একের পর এক আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। তথন এর দায় আওয়ামী লীগকেই বহন করতে হবে। উপস্থিত জনগণকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ঈশা খাঁর কথা আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে। বেশি অত্যাচার হলে ঢাল-তলোয়ার আছে; এটা নিয়েই অবৈধ সরকারকে মোকাবেলা করব। আপনারা প্রস্তুত আছেন তো? তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আপনাদেরকে আন্দোলনের ডাক দেব। আপনারা বিগত দিনের মতো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন।’ কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে জনসভায় ২০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কল্যাণপার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মাদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা ইসহাক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আব্দুল মোবিন, ডিএল এর মহাসচিব সাইফুউদ্দিন মনি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।। এমএইচ, কেবি
Thursday, November 13, 2014
মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীনের ফাঁদে পা দেইনি: খালেদা:Time News
আমি তাদের কাজের বৈধতা দিলে তারা আমাকে ক্ষমতায় বসাবেন। বেগম জিয়া বলেন, এই প্রস্তাবের জবাবে আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি কারো ডিরেকশনে (নির্দেশনায়) চলি না। দেশের জনগণের প্রতি আমার কমিটমেন্ট আছে-কোন অন্যায়কে আমি প্রশ্রয় দিতে পারি না। পক্ষান্তরে, ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ এক এক করে তাদের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়-এমন ইঙ্গিত দিয়ে বেগম জিয়া বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। দেশে বিচার-ব্যবস্থার সমালোচনা করে বেগম জিয়া আরও বলেন, হাসিনা হিটলারের মতো মানুষ হত্যা করছেন। দেশে প্রতিনিয়ত গুম, খুন চলছে। জনগণের নিরাপত্তা নেই। এভাবে দেশ চলতে পারে না।বিচারকরা যে সঠিক বিচার করছেন না, সেজন্য তাদেরও একদিন আল্লাহর দরবারে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের দল। আমরা ক্ষমতায় থাকলে সারা দেশে সুষম উন্নয়ন করি। আমরা মনে করি জনগণ ভোট দেয় উন্নয়নের জন্য। আর আওয়ামী লীগের আমলে কোন উন্নয়ন হয় না। তারা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য দুর্নীতি করে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভার অনুমতি না দেয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবে একের পর এক আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। তথন এর দায় আওয়ামী লীগকেই বহন করতে হবে। উপস্থিত জনগণকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ঈশা খাঁর কথা আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে। বেশি অত্যাচার হলে ঢাল-তলোয়ার আছে; এটা নিয়েই অবৈধ সরকারকে মোকাবেলা করব। আপনারা প্রস্তুত আছেন তো? তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আপনাদেরকে আন্দোলনের ডাক দেব। আপনারা বিগত দিনের মতো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন।’ কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে জনসভায় ২০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কল্যাণপার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মাদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা ইসহাক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আব্দুল মোবিন, ডিএল এর মহাসচিব সাইফুউদ্দিন মনি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।। এমএইচ, কেবি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment