Wednesday, November 19, 2014

বিশ্ব টয়লেট দিবস আজ:Time News

বিশ্ব টয়লেট দিবস আজ টাইম ডেস্ক টাইম নিউজ বিডি, ১৯ নভেম্বর, ২০১৪ ০৭:১৬:৩৪ প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব টয়লেট দিবস। আন্তর্জাতিক এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে টয়লেট ও স্যানিটেশন চ্যালেঞ্জের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ানো। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও এ দিবস উদযাপনে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ বছর বিশ্ব টয়লেট দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে
, ‘সমতা ও মর্যাদা’। ২০০১ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’পালিত হলেও জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৩ সালে এ দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। বিশ্ব টয়লেট দিবস বিশ্বব্যাপী নিরাপদ টয়লেট আন্দোলনে মিডিয়া, প্রাইভেট সেক্টর, উন্নয়ন সংস্থা এবং সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত করে চলেছে। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব টয়লেট দিবস সরকারের কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের দাবিতে এবং টয়লেট জীবন অত্যাবশ্যকীয় তা জনগণের কাছে পৌছাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও স্যানিটেশন সংকটের গভীর প্রভাব বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও মানসিক দিক এবং অপর্যাপ্ত স্যানিটেশনের অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরা হচ্ছে। বিশ্ব টয়লেট দিবসের ভিশন হচ্ছে ঘোষিত মানবিক অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষে সঠিক স্যানিটেশন ও প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য টয়লেট সম্পর্কে উৎসাহী সকলকে একত্রিত করে ১৯ নভেম্বর সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা। বিশ্ব টয়লেট সংস্থা ২০০১ সালে ১৯ নভেম্বর বিশ্ব টয়লেট দিবস ঘোষণা করে। এটি বিশ্বব্যাপী টয়লেট ও স্যানিটেশন অবস্থার উন্নতির জন্য নিবেদিত একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। উন্নত বিশ্বের জন্য অভাবনীয় হলেও কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রতি তিন জনের একজন (যা ২.৫ বিলিয়ন) নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও ব্যক্তিগত টয়লেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। যাদের অধিকাংশই সাব সাহারান আফ্রিকা এবং এশিয়ায় বাস করে। একটি শালীন টয়লেট সুস্থ জীবন, বৃহত্তর মানব মর্যাদা, স্বাধীনতা, নারী, পুরুষ, নারী ও ছেলেদের মধ্যে সমতা এবং সমাজ ও দেশের উন্নয়নের জন্য অনুঘটক হতে পারে। স্যানিটেশন একটি মানবাধিকার। সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী মূল্যের, গ্রহণযোগ্য এবং যথাযোগ্য স্যানিটেশন প্রবেশাধিকার সুনিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন অংশীদার, নেতৃত্ব, একটি সক্রিয় পরিবেশ এবং তাদের অধিকার দাবি করতে ইচ্ছুক ও সক্ষম একটি জড়িত জনসংখ্যার একাধিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। নিরাপদ টয়লেট ব্যবস্থা মেয়েদের স্কুলে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে কিশোরীদের জন্য পরিষ্কার টয়লেট ব্যবস্থা তাদের কর্মক্ষমতা প্রভাবিতসহ তাদের শিক্ষা সম্পূর্ণ করার সুযোগ বৃদ্ধি করে। স্যানিটেশন একটি ভাল অর্থনৈতিক বিনিয়োগ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উভয় উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। একজন ব্যক্তি গড়ে প্রতিদিন ৫ বার টয়লেট ব্যবহার করে। একটি টয়লেট ছাড়া একজন মানুষের অবস্থা কল্পনা করুন। ২০১২ সালে প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংক এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১০ সালে বাংলাদেশের ৫৬% জনসাধারণ স্যানিটেশন সুবিধা ভোগ করছে। এর মধ্যে ৫৭% নগর এলাকায় এবং ৫৫% গ্রামীন এলাকায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ এর ২০১২ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮১% স্যানিটেশন কাভারেজের নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। ৯৬ % মানুষ ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে, যার মধ্যে ৮১% স্যানিটেশন মানসম্মত। ৮১% মধ্যে ৫৬% ব্যবহার করে একক পরিবার এবং বাকী ২৫% ব্যবহার হয় সম্মিলিতভাবে। ঢাকা মহানগরীতে স্যানিটেশন কাভারেজ ৯০%। ৯৬% স্যানিটেশন কাভারেজ নিয়ে শ্রীলংঙ্কার অবস্থান প্রথম। স্যানিটেশন কাভারেজ ভারতে ৪৩%, পাকিস্তানে ৫৪% এবং নেপালে ৪৫%। ৫ বছরের কম বয়সের শিশু মৃত্যু প্রতি এক হাজারে ২০০৩ সালে ৮৮ জন এবং ২০১২ সালে ৫৩ জন। ইউনিসেফের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১ সালে দেশের মোট জনসংখ্যার ২৮% নগরীতে বাস করছে, যা ৪ কোটি ১৭ লাখ এবং ঢাকা মহানগরীতে বাস করছে ১ কোটি ৪৩ লাখ। এছাড়াও অস্থায়ীভাবে কাজের প্রয়োজনে প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন নগর ও শহরে আসছে বিপুল সংখ্যক মানুষ। অধিকাংশ মানুষ কর্মস্থলে অর্থাৎ অফিস আদালতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, শিল্পকারখানায় এবং শিশু ও ছেলে-মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করছে। তাছাড়া প্রধান সড়কের পাশে, লঞ্চ-রেল-বাস টার্মিনাল, হাসপাতাল, জনসমাগমপূর্ণ জায়গা, সভাস্থল, পাবলিক হল, খেলার মাঠ, বাজার, সিনেমা হল, ঐতিহ্যবাহী স্থানে বিপুল সংখ্যক লোক সমাগম হয়। ঢাকা শহরে প্রায় ১০ লাখ রিকসা চালক ৮-১০ ঘন্টা রিকসা চালানো কাজ করেন। অধিক সময় ঘরের বাইরে অবস্থানের কারণে এসব মানুষের স্বাভাবিকভাবেই টয়লেট ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। এ সমস্ত জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলোতে চাহিদার তুলনায় টয়লেটের অপর্যাপ্ততা, নোংরা ও ব্যবহার অনুপযোগী থাকায় মানুষ যত্রতত্র মলমুত্র ত্যাগ করছে এতে একদিকে যেমন পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে রোগজীবানু ছড়িয়ে পড়ছে। মলমূত্রের দূষিত জীবাণু দ্বারা খুব সহজেই মানুষ পানিবাহিত রোগ, জন্ডিস, টাইফয়েড, ডায়রিয়া-কলেরা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হতে পারে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের উপর। বিশেষ করে মহিলাদের অসুস্থতার একটি অন্যতম কারণ পানি কম পান করা বা নোংরা টয়লেট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা। যাতায়াতের কারণে বিভিন্ন টার্মিনালগুলোতে বেশ কিছু সময় অবস্থান করতে হয়। কিন্তু নোংরা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে টার্মিনালগুলোর পাবলিক টয়লেট সর্বসাধারণ ব্যবহার করতে চায় না। তাছাড়া পরিবহণের সাথে জড়িত কর্মচারীদের দখল, টয়লেট এলাকায় গাড়ী ধোয়াসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় টয়লেটে যাওয়া কঠিন। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে টার্মিনালে টয়লেট ব্যবহারের পরিবেশ না থাকায়। মার্কেটগুলোতে প্রচুর লোক সমাগম হয়। কিন্তু এসবের প্রায় টিতেই ক্রেতা তথা সর্ব সাধারণের ব্যবহারের জন্য পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে মানুষ আসে রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা নিতে । কিন্তু অপরিস্কার, অস্বাস্থ্যকর টয়লেটের কারণে সেই ব্যক্তিকে বহন করে নিয়ে যেতে হচ্ছে আরও কিছু রোগ। বিভিন্ন জেলা, থানা ও ইউনিয়ন বা অন্যান্য শহরের বাজারে প্রচুর লোক সমাগম হয়। এ সকল বাজারগুলোতে টয়লেট সংখ্যা কম এবং অত্যন্ত দূর্গন্ধপূর্ন ও নোংরা। যে সকল মানুষ এ বাজারগুলোতে আসে তারা স্থায়ীভাবে সেখানে থাকে না। এ ধরণের অস্থায়ী বাজারগুলোতে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকার কারণে মানুষ খোলা জায়গায় যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যগ করছে। এমনকি এক প্রকার বাধ্য হয়ে মানুষ যেখানে সেখানে মলমুত্র ত্যগ করতে বাধ্য হচ্ছে। অধিকাংশ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় অধিক সংখ্যক ছাত্র/ছাত্রীর জন্য মুষ্টিমেয় কিছু টয়লেটের ব্যবস্থা থাকে। যা ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। আবার সেগুলো পরিচ্ছন্নতার দিক দিয়েও তেমন ভালো নয়। বিশেষ করে মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টয়লেটজনিত সমস্যা তুলনামূলক বেশি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত বা সঠিকভাবে টয়লেট পরিস্কার না করায় অপরিচ্ছন্নতার কারণে এবং স্বল্প টয়লেট থাকায় মেয়েরা টয়লেট ব্যবহার করছে না। দেখা গেছে টয়লেট কাঠামো থাকলে প্রায়ই সেগুলো বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী থাকায় টয়লেট ব্যবহার না করার জন্য মেয়েরা পানি কম পান করছে। এ অল্প বয়স থেকেই পানি কম পান করার কারণে মেয়েরা বড় হয়েও পেটের নানা রোগে ভুগছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে বা ধরে রাখলে মূত্র থলিতে ব্যথা ও কষ্ট অনুভূত হতে পারে এবং ঘন ঘন “প্রদাহ” (ইনফেকশন) হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের মূত্র নালী/থলিতে, কিডনীতে প্রদাহ ও ‘এনাল ফিশার’ এর প্রকোপ বেশি। বাধ্য হয়ে কখনও অপরিচ্ছন্ন টয়লেট ব্যবহার করাও মেয়েদের জন্য ঝুকিপূর্ণ। ‘পাবলিক টয়লেট’ বলতে আমরা সাধারণভাবে সরকার কর্তৃক জনগণের জন্য বাজার ও শহর এলাকায় নির্মিত টয়লেট গুলোকেই বুঝে থাকি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, সরকারী প্রতিষ্ঠান, খেলার মাঠ, সিনেমা হল, পাবলিক হল, গোরস্থান, অস্থায়ী বাজার, প্রধান সড়কের পাশে, সভাস্থল, ঐতিহ্যবাহী স্থান, লঞ্চ-রেল-বাস টার্মিনাল, হাসপাতাল, ইত্যাদি জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় অর্থাৎ বসত বাড়ির বাইরের সকল পায়খানা-প্রস্রাবখানাই মূলত পাবলিক টয়লেট। জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনে এবং মানুষের বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের পয়:বিষয়ক দূর্ভোগ কমানোর জন্য এসকল স্থানে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সম্মত পাবলিক টয়লেট থাকা প্রয়োজন। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় পাবলিক টয়লেট বিষয়ক সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন ও তার যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরী। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণস্থানে মহিলা, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী বান্ধব পাবলিক টয়লেট স্থাপন, তাতে নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পাবলিক টয়লেটগুলো যাতে করে মানুষ সহজে খুজে পায় এজন্য সাংকেতিক চিহ্ন সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদান করা । ইকোস্যানিটেশন পদ্ধতির মাধ্যমের পয়ঃবর্জ্য ও পানিকে পূন:ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। স্বাস্থ্যকর ও পর্যাপ্ত টয়লেট জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই পারবে নগরীর পাবলিক টয়লেটের দৈন্যদশা দূর করতে। এক গবেষণায় দেখা গেছে ঢাকা শহরে সিটি করপোরেশন মোট ৬৯টি পাবলিক টয়লেট নির্মান করে যার মধ্যে ৫টি মোটামুটি ব্যবহার উপযোগী। ২টি ভেংগে ফেলা হয়েছে, ১০টি সম্পূর্ণরুপে বন্ধ রয়েছে, ১০টিতে কোনো সেবা নাই। ৭৫% টয়লেটে মেয়েদের এখন আর আলাদা ব্যবস্থা নাই। ৫০% টয়লেটে নিয়মিত পানি থাকে না। ৭০% এ প্রয়োনীয় আলো ব্যবস্থা নাই। বাংলাদেশ ওয়াশ অ্যালায়েন্সের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর অলক কুমার মজুমদার বলেন, বিশ্বে এখনো ২৫০ কোটি মানুষ উন্নত স্যানিটেশন থেকে বঞ্চিত। বাংলাদেশে ৫৭ ভাগ মানুষ উন্নত স্যানিটেশন ব্যবহার করছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও স্যানিটেশন সেক্রেটারিয়েটের সদস্য সচিব মো. ওয়ালী উল্লাহ্‌ জানান, দেশে বর্তমানে ৯৭ শতাংশ লোক যেকোনো ধরনের ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে। বাকি ৩ শতাংশ পরিবার খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করছে। ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, জাতিসংঘের হিসাবে, বিশ্বে সাতশ’ কোটি মানুষের মধ্যে আড়াইশ’ কোটি মানুষের উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। একশ’ কোটি মানুষ খোলা জায়গায় মল-মূত্র ত্যাগ করেন। আমাদের দেশের গুটিকয়েক পাবলিক টয়লেটব্যতিত বেশিরভাগই অপরিচ্ছন্ন এবং নিরাপত্তাহীন। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১০% প্রতিবন্ধী হলেও পাবলিক টয়লেটগুলোতে তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। পরিবেশবিদ আবু নাসের খান বলেন, ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশনেই স্যানিটারী ইন্সপেক্টর থাকা সত্ত্বেও পাবলিক টয়লেটগুলো তদারকি করছে না। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়; বেশীরভাগ পাবলিক টয়লেটের অবস্থাই করুণ। কোনটির দরজা নেই, ছিটকিনি নেই, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। অপরিস্কার, ময়লা, দুর্গন্ধ, ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে, ময়লা পানি জমে থাকে, নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেএইচ  

No comments:

Post a Comment