্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে এমন মন্তব্য করে বসলেন আসিফ খান। আসিফ খান একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উত্তর প্রদেশে সংগঠন দেখভাল করতেন। একটি প্রতারণার মামলায় কিছুদিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন মুকুল রায়ের একসময়ের ছায়াসঙ্গী এই আসিফ খান। অভিযোগ উঠেছে, সারদা-কাণ্ডে সিবিআইকে নানা তথ্য দেয়ায় রাজ্য সরকার মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে নিয়ে উত্তর প্রদেশে রওনা হয় পুলিশ। দমদম বিমানবন্দরে ঢোকার সময় সংবাদ মাধ্যমকে আসিফ খান বলেন, 'সারদা-কাণ্ডে ডাকাত রাণীর দলের সবাই যুক্ত। ডাকাত রাণীকে ধরলে অনেক কথাই জানা যাবে। উত্তর প্রদেশে থাকা সব টাকা মুকুলদার। গোয়েন্দাদের উচিত, তা উদ্ধার করা।' ডাকাতরানি’ কে এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ খান জানান, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'। মমতা বন্দপাধ্যায়সহ আরও অনেকের নামে আসিফ অভিযোগ করলেও বাংলাদেশে এই টাকা এসেছে কিনা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এর আগেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সারদা কেলেঙ্কারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু মমতা তখন তাকে 'মিথ্যাবাদী' বলে অভিযোগ করেছিলেন। আসিফের অভিযোগ, সারদা নিয়ে মুখ বন্ধ করার জন্যই তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তবে তার অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ টাকার বিষয়ে বলেছেন, 'সব মুকুল রায়ের টাকা।' সারদার টাকা তৃণমূলে কারা নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'যদি এমন নেতা দেখাতে পারেন যিনি টাকা নেননি, আমি তাঁর দলে নাম লেখাব।' কৌশলী সুরে আরো বলেন, 'তৃণমূল দলটা মমতার সন্তানের মতো। সন্তানের বাড়বৃদ্ধি হলে মায়েরও ভাল হয়!' এদিকে চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে বিতর্কিত সারদা গ্রুপ বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীকে প্রায় ৭৫০ কোটি রুপি দিয়েছে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা হিন্দুস্তান টাইমস। অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই রুপি বস্তায় ভরে সীমান্তে এনে বিনিময়ে বাংলাদেশি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও বলা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিলো, ইডি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সারদা গ্রুপের প্রধান সুদীপ্ত সেন স্বীকার করেছিলেন, তার সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছেন ভারতের রাজ্যসভার একজন সদস্য। বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর কথা স্বীকার করে তিনি বলেছেন, এই টাকার একটা অংশ রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগ হয়েছে। সারদা কেলেঙ্কারি ও বিদেশে অর্থ পাচার নিয়ে তাকে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট ছাড়াও ভারতের সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলো। কিন্তু আসিফের মন্তব্য শুনে সিবিআই এর রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সবার মনে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সারদা কেলেঙ্কারিতে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামকে জড়ানোর বিষয়টি নিয়ে। ইআর/এআর
Wednesday, November 19, 2014
সারদা কেলেঙ্কারিতে নেই জামায়াত, 'ডাকাতরাণী' মমতা:Time News
্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে এমন মন্তব্য করে বসলেন আসিফ খান। আসিফ খান একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উত্তর প্রদেশে সংগঠন দেখভাল করতেন। একটি প্রতারণার মামলায় কিছুদিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন মুকুল রায়ের একসময়ের ছায়াসঙ্গী এই আসিফ খান। অভিযোগ উঠেছে, সারদা-কাণ্ডে সিবিআইকে নানা তথ্য দেয়ায় রাজ্য সরকার মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে নিয়ে উত্তর প্রদেশে রওনা হয় পুলিশ। দমদম বিমানবন্দরে ঢোকার সময় সংবাদ মাধ্যমকে আসিফ খান বলেন, 'সারদা-কাণ্ডে ডাকাত রাণীর দলের সবাই যুক্ত। ডাকাত রাণীকে ধরলে অনেক কথাই জানা যাবে। উত্তর প্রদেশে থাকা সব টাকা মুকুলদার। গোয়েন্দাদের উচিত, তা উদ্ধার করা।' ডাকাতরানি’ কে এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ খান জানান, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'। মমতা বন্দপাধ্যায়সহ আরও অনেকের নামে আসিফ অভিযোগ করলেও বাংলাদেশে এই টাকা এসেছে কিনা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এর আগেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সারদা কেলেঙ্কারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু মমতা তখন তাকে 'মিথ্যাবাদী' বলে অভিযোগ করেছিলেন। আসিফের অভিযোগ, সারদা নিয়ে মুখ বন্ধ করার জন্যই তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তবে তার অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ টাকার বিষয়ে বলেছেন, 'সব মুকুল রায়ের টাকা।' সারদার টাকা তৃণমূলে কারা নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'যদি এমন নেতা দেখাতে পারেন যিনি টাকা নেননি, আমি তাঁর দলে নাম লেখাব।' কৌশলী সুরে আরো বলেন, 'তৃণমূল দলটা মমতার সন্তানের মতো। সন্তানের বাড়বৃদ্ধি হলে মায়েরও ভাল হয়!' এদিকে চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে বিতর্কিত সারদা গ্রুপ বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীকে প্রায় ৭৫০ কোটি রুপি দিয়েছে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা হিন্দুস্তান টাইমস। অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই রুপি বস্তায় ভরে সীমান্তে এনে বিনিময়ে বাংলাদেশি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও বলা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিলো, ইডি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সারদা গ্রুপের প্রধান সুদীপ্ত সেন স্বীকার করেছিলেন, তার সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছেন ভারতের রাজ্যসভার একজন সদস্য। বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর কথা স্বীকার করে তিনি বলেছেন, এই টাকার একটা অংশ রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগ হয়েছে। সারদা কেলেঙ্কারি ও বিদেশে অর্থ পাচার নিয়ে তাকে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট ছাড়াও ভারতের সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলো। কিন্তু আসিফের মন্তব্য শুনে সিবিআই এর রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সবার মনে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সারদা কেলেঙ্কারিতে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামকে জড়ানোর বিষয়টি নিয়ে। ইআর/এআর
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment