লীগের আঁতাত হলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচার করা হতো না। জামায়াতের সঙ্গে আঁতাতের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন- জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন ধরনের আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে বিচার কিকরে হয়? এদিকে, জামায়াত নেতাদের বক্তব্য হলো-বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর ৪৩ বছর পর এখন হঠাৎ করে যাদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলে বিচার করা হচ্ছে১৯৯৬ সালে তাদেরই সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসেন। এরপর জামায়াত ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনা যুদ্ধপরাধীদের বিচারেরঅঙ্গীকার করেন এবং বঙ্গবন্ধুর সময় যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় যাদের নাম ছিল না জামায়াতের এমন সব শীর্ষ নেতাদের একের পর এক ফাঁসির দণ্ড দেয়া হচ্ছে। এমনই পটভূমির উল্লেখ করে জামায়াত নেতাদের অভিযোগ বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন করাটাই হলো জামায়াতের বড় অপরাধ। শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নাজেহাল করতেই জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে বিচারের নামে তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হচ্ছে। আর এ পরিস্থিতিতে সমঝোতার কোন প্রশ্নই উঠে না। জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ জামায়াতের মাঠ পর্যায়ের একাধিক নেতা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্যও দিয়েছেন। এদিকে, এরইমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্ন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি শুরু করেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার। এ জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এই আদালতে জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয় এবং কার্যকরও করা হয় এই রায়। এরপর জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসইন সাঈদীর আপিল বিভাগের রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ে সাঈদীর নিম্ম আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ শিথিল করেতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপরই জামায়াত বিরোধী শক্তিগুলোর কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন এবং বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দাবি করেন- সরকারের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত হয়েছে বলেই এ ধরণের রায় দেয়া হয়েছে। এসব পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও বলেছেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ঐতিহাসিক।’বেগম জিয়ার এটি অভিমানসুলভ অভিযোগ হলেও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক একেবারে ছিল না, তা নয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে জামায়াত নেতারা খালেদা জিয়াকেও গালমন্দ করেছিলেন। এদিকে, গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরাও সাঈদীর বিরুদ্ধে রায়েরপর শাহবাগে সমাবেশ করে রায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন; পুলিশ তাদের পিটিয়ে শাহবাগ ছাড়া করেছিল। তবে, জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যে কোন ধরণের আঁতাত হয়নি তাএখন স্পষ্ট বলেই দাবি আওয়ামী লীগ নেতাদের। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনাসহ দলের সিনিয়র নেতারা স্পষ্ট ভাষায় বলছেন- জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে জামায়াতের বিচার হয় কিকরে? তাছাড়া ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- প্রত্যেক যুদ্ধাপরাধীর বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেই হবে। কোন যুদ্ধাপরাধীকে রেহাই দেয়া হবে না। গত ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে জামায়াতের কোনো আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে বিচার কী করে হয়- এ প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগ স্বাধীন। সাঈদীর ফাঁসির রায়তো আমি দেইনি, আদালত দিয়েছে। বিচারটা এত দিন পরে আওয়ামী লীগ করছে বলেই কী এসব প্রশ্ন উঠছে?’ ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন আঁতাত হয়নি, আঁতাতের প্রশ্নই ওঠে না। আঁতাত করলে যুদ্ধাপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হতো না। ২১ সেপ্টেম্বর রোববার সচিবালয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির একটি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাতের কোনো প্রশ্নই উঠে না। এটা টোটালি রাবিশ। একটা গুজব, এই গুজব জামায়াতেরই সৃষ্টি । গত ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গুলিস্তানে কাজী বসির মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের এক আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, কিছুদিন আগে শুনেছি জামায়াতে সঙ্গে আমাদের আঁতাত হয়েছে। এ জন্য বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। এখন জামায়াত নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর রায়ে প্রমাণিত হয়েছে সরকারের সঙ্গে জামায়াতের কোন আঁতাত বা সমঝোতা হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় শেখ হাসিনা, নাসিম, মেনন, ইনুরা দেয়নি। যারা এই রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল দিয়েছে তারা আদালতের বিরুদ্ধে হরতাল দিয়েছে। তাই আদালত অবমাননার দায়ে এদের বিচার হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সতীশ চন্দ্র রায় টাইমনিউজবিডি.কমকে বলেন, জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাত- এটা ভুল। ইতোমধ্যে তা প্রমাণ হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন আঁতাত হয়নি। মানবতাবিরোধীদের ব্যাপারে সরকার আঁতাত করতে পারে না। এমআর/কেবি
Tuesday, November 11, 2014
জামায়াত সরকার আঁতাত?:Time News
লীগের আঁতাত হলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচার করা হতো না। জামায়াতের সঙ্গে আঁতাতের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন- জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন ধরনের আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে বিচার কিকরে হয়? এদিকে, জামায়াত নেতাদের বক্তব্য হলো-বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর ৪৩ বছর পর এখন হঠাৎ করে যাদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলে বিচার করা হচ্ছে১৯৯৬ সালে তাদেরই সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসেন। এরপর জামায়াত ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনা যুদ্ধপরাধীদের বিচারেরঅঙ্গীকার করেন এবং বঙ্গবন্ধুর সময় যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় যাদের নাম ছিল না জামায়াতের এমন সব শীর্ষ নেতাদের একের পর এক ফাঁসির দণ্ড দেয়া হচ্ছে। এমনই পটভূমির উল্লেখ করে জামায়াত নেতাদের অভিযোগ বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন করাটাই হলো জামায়াতের বড় অপরাধ। শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নাজেহাল করতেই জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে বিচারের নামে তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হচ্ছে। আর এ পরিস্থিতিতে সমঝোতার কোন প্রশ্নই উঠে না। জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ জামায়াতের মাঠ পর্যায়ের একাধিক নেতা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্যও দিয়েছেন। এদিকে, এরইমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্ন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি শুরু করেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার। এ জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এই আদালতে জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয় এবং কার্যকরও করা হয় এই রায়। এরপর জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসইন সাঈদীর আপিল বিভাগের রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ে সাঈদীর নিম্ম আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ শিথিল করেতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপরই জামায়াত বিরোধী শক্তিগুলোর কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন এবং বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দাবি করেন- সরকারের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত হয়েছে বলেই এ ধরণের রায় দেয়া হয়েছে। এসব পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও বলেছেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ঐতিহাসিক।’বেগম জিয়ার এটি অভিমানসুলভ অভিযোগ হলেও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক একেবারে ছিল না, তা নয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে জামায়াত নেতারা খালেদা জিয়াকেও গালমন্দ করেছিলেন। এদিকে, গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরাও সাঈদীর বিরুদ্ধে রায়েরপর শাহবাগে সমাবেশ করে রায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন; পুলিশ তাদের পিটিয়ে শাহবাগ ছাড়া করেছিল। তবে, জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যে কোন ধরণের আঁতাত হয়নি তাএখন স্পষ্ট বলেই দাবি আওয়ামী লীগ নেতাদের। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনাসহ দলের সিনিয়র নেতারা স্পষ্ট ভাষায় বলছেন- জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে জামায়াতের বিচার হয় কিকরে? তাছাড়া ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- প্রত্যেক যুদ্ধাপরাধীর বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেই হবে। কোন যুদ্ধাপরাধীকে রেহাই দেয়া হবে না। গত ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে জামায়াতের কোনো আঁতাত হয়নি। আঁতাত হলে বিচার কী করে হয়- এ প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগ স্বাধীন। সাঈদীর ফাঁসির রায়তো আমি দেইনি, আদালত দিয়েছে। বিচারটা এত দিন পরে আওয়ামী লীগ করছে বলেই কী এসব প্রশ্ন উঠছে?’ ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন আঁতাত হয়নি, আঁতাতের প্রশ্নই ওঠে না। আঁতাত করলে যুদ্ধাপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হতো না। ২১ সেপ্টেম্বর রোববার সচিবালয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির একটি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাতের কোনো প্রশ্নই উঠে না। এটা টোটালি রাবিশ। একটা গুজব, এই গুজব জামায়াতেরই সৃষ্টি । গত ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গুলিস্তানে কাজী বসির মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের এক আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, কিছুদিন আগে শুনেছি জামায়াতে সঙ্গে আমাদের আঁতাত হয়েছে। এ জন্য বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। এখন জামায়াত নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর রায়ে প্রমাণিত হয়েছে সরকারের সঙ্গে জামায়াতের কোন আঁতাত বা সমঝোতা হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় শেখ হাসিনা, নাসিম, মেনন, ইনুরা দেয়নি। যারা এই রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল দিয়েছে তারা আদালতের বিরুদ্ধে হরতাল দিয়েছে। তাই আদালত অবমাননার দায়ে এদের বিচার হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সতীশ চন্দ্র রায় টাইমনিউজবিডি.কমকে বলেন, জামায়াতের সঙ্গে সরকারের আঁতাত- এটা ভুল। ইতোমধ্যে তা প্রমাণ হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। জামায়াতের সঙ্গে সরকারের কোন আঁতাত হয়নি। মানবতাবিরোধীদের ব্যাপারে সরকার আঁতাত করতে পারে না। এমআর/কেবি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment