েন অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত পুরো ঘটনায় জড়িত ছিল। আর এমএম রানা অপহরণ পর্যন্ত আংশিক জড়িত ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত র্যাব সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত খুনের ঘটনায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত) র্যাব-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ ও কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন সিপিএসসি জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। আর লে. কমান্ডার (অব.) এম এম রানা অপহরণ পর্যন্ত অংশ নিয়ে আংশিক জড়িত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে র্যাব সদর দপ্তরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে র্যাব আরও বলেছে, ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই কাউন্সিলর নূর হোসেন কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে অপহরণ ও খুনের পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল ও ১ মে শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সাত খুনে জড়িত অভিযোগ আসায় গত ৫ মে বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতৎপ্রণোদিত হয়ে র্যাব-১১ এর ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন এবং র্যাবকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার হন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা তারেক সাঈদ এবং রানা ও আরিফ। এর আগেই তিনজনকে নারায়ণগঞ্জ র্যাব থেকে সরিয়ে এনে সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে ৮ মে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিনকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে র্যাব। কমিটির অপর সদস্যরা ছিলেন র্যা ব-১০ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার গোলাম সারওয়ার, মেজর মোহাম্মদ সাদিক ও এসপি সাজ্জাদ। কমিটি সাত মাস ধরে তদন্ত চালিয়ে তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন। তারা জানান, কমিটি এই দীর্ঘ তদন্তকাজে শতাধিক র্যাব কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাধারণ মানুষ, প্রত্যক্ষদর্শী, ঘটনার শিকার সাত জনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। এছাড়াও সাত জনকে অপহরণের পর খুন করার আগে সেসব স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় সেগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে তথ্য ও আলামত নিয়েই তার ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করে তদন্ত কমিটি। মন্তব্য
Thursday, December 11, 2014
সাত খুনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জড়িত তারেক-আরিফ:RTNN
র্যাবের প্রতিবেদন সাত খুনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জড়িত তারেক-আরিফ নিজস্ব প্রতিবেদক আরটিএনএন ঢাকা: নারায়ণগঞ্জের বর্বরোচিত সাত খুনের ঘটনায় র্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক তারেক সাঈদ এবং অপর দুই কর্মকর্তা সাবেক কোম্পানি কমান্ডার আরিফ হোসেন ও এমএম রানা জড়িত ছিলেন। সাত খুনের ঘটনায় বুধবার হাইকোর্টে জমা দেয়া র্যাবের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তারেক সাঈদ ও আরিফ হোস
েন অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত পুরো ঘটনায় জড়িত ছিল। আর এমএম রানা অপহরণ পর্যন্ত আংশিক জড়িত ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত র্যাব সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত খুনের ঘটনায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত) র্যাব-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ ও কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন সিপিএসসি জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। আর লে. কমান্ডার (অব.) এম এম রানা অপহরণ পর্যন্ত অংশ নিয়ে আংশিক জড়িত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে র্যাব সদর দপ্তরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে র্যাব আরও বলেছে, ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই কাউন্সিলর নূর হোসেন কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে অপহরণ ও খুনের পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল ও ১ মে শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সাত খুনে জড়িত অভিযোগ আসায় গত ৫ মে বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতৎপ্রণোদিত হয়ে র্যাব-১১ এর ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন এবং র্যাবকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার হন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা তারেক সাঈদ এবং রানা ও আরিফ। এর আগেই তিনজনকে নারায়ণগঞ্জ র্যাব থেকে সরিয়ে এনে সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে ৮ মে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিনকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে র্যাব। কমিটির অপর সদস্যরা ছিলেন র্যা ব-১০ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার গোলাম সারওয়ার, মেজর মোহাম্মদ সাদিক ও এসপি সাজ্জাদ। কমিটি সাত মাস ধরে তদন্ত চালিয়ে তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন। তারা জানান, কমিটি এই দীর্ঘ তদন্তকাজে শতাধিক র্যাব কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাধারণ মানুষ, প্রত্যক্ষদর্শী, ঘটনার শিকার সাত জনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। এছাড়াও সাত জনকে অপহরণের পর খুন করার আগে সেসব স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় সেগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে তথ্য ও আলামত নিয়েই তার ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করে তদন্ত কমিটি। মন্তব্য
েন অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত পুরো ঘটনায় জড়িত ছিল। আর এমএম রানা অপহরণ পর্যন্ত আংশিক জড়িত ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত র্যাব সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত খুনের ঘটনায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত) র্যাব-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ ও কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন সিপিএসসি জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। আর লে. কমান্ডার (অব.) এম এম রানা অপহরণ পর্যন্ত অংশ নিয়ে আংশিক জড়িত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে র্যাব সদর দপ্তরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে র্যাব আরও বলেছে, ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই কাউন্সিলর নূর হোসেন কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে অপহরণ ও খুনের পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল ও ১ মে শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সাত খুনে জড়িত অভিযোগ আসায় গত ৫ মে বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতৎপ্রণোদিত হয়ে র্যাব-১১ এর ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন এবং র্যাবকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার হন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা তারেক সাঈদ এবং রানা ও আরিফ। এর আগেই তিনজনকে নারায়ণগঞ্জ র্যাব থেকে সরিয়ে এনে সামরিক বাহিনী থেকে অবসরে পাঠানো হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে ৮ মে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিনকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে র্যাব। কমিটির অপর সদস্যরা ছিলেন র্যা ব-১০ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার গোলাম সারওয়ার, মেজর মোহাম্মদ সাদিক ও এসপি সাজ্জাদ। কমিটি সাত মাস ধরে তদন্ত চালিয়ে তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছেন। তারা জানান, কমিটি এই দীর্ঘ তদন্তকাজে শতাধিক র্যাব কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাধারণ মানুষ, প্রত্যক্ষদর্শী, ঘটনার শিকার সাত জনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। এছাড়াও সাত জনকে অপহরণের পর খুন করার আগে সেসব স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় সেগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে তথ্য ও আলামত নিয়েই তার ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করে তদন্ত কমিটি। মন্তব্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment