ুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন তিনি। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এক নম্বর আমলী আদালতের বিচারক আহসান হাবিব আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আইন ১৯৭৩ সালের ৩(২) ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠান। মামলার অপর আসামিরা হলেন-ময়মনসিংহ শহরের ৩ নং কলেজ রোড গোলকীবাড়ি এলাকার জামায়াত নেতা মো: ফখরুজ্জামান ও গলগণ্ডা এলাকার গোলাম রব্বানী। মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এম এ হান্নান ময়মনসিংহ জেলা শান্তি কমিটির সাধারন সম্পাদক এবং মো: ফখরুজ্জামান ও গোলাম রব্বানী আলবদর বাহিনীর সশস্ত্র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ৯ আগষ্ট বিকেলে ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহমানকে গৌরীপুরের ভাঙ্গনামারি চর থেকে ধরে আনেন। পরে তাকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি টর্চার সেলে প্রকাশ্য দিবালোকে দু'চোখ উপড়ে ফেলে ও ডান হাত ভেঙ্গে দিয়ে এম এ হান্নান নিজে গুলি করে হত্যা করেন। পরে লাশ ফেলে দেন ব্রহ্মপুত্র নদে। এরপর আসামিরা তাদের বাড়ীঘর লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। মামলায় বাদী রহিমা খাতুন আরো অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এম এ হান্নানের শহরের নতুন বাজার বাসা ও থানার ঘাট জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে টর্চার সেল তৈরি করে নিরীহ নারী-পুরুষকে নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন। এদিকে দীর্ঘদিন পর মামলা করার বিষয়ে বাদী রহিমা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, এতো দিন প্রাণভয়ে স্বামীর বিচার চাননি। কিন্তু এখন ‘গণতান্ত্রিক’ সরকার রয়েছে বলে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন তিনি। মন্তব্য
Tuesday, May 19, 2015
জাপা এমপির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা:আরটিএনএন
ুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন তিনি। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এক নম্বর আমলী আদালতের বিচারক আহসান হাবিব আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আইন ১৯৭৩ সালের ৩(২) ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠান। মামলার অপর আসামিরা হলেন-ময়মনসিংহ শহরের ৩ নং কলেজ রোড গোলকীবাড়ি এলাকার জামায়াত নেতা মো: ফখরুজ্জামান ও গলগণ্ডা এলাকার গোলাম রব্বানী। মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এম এ হান্নান ময়মনসিংহ জেলা শান্তি কমিটির সাধারন সম্পাদক এবং মো: ফখরুজ্জামান ও গোলাম রব্বানী আলবদর বাহিনীর সশস্ত্র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ৯ আগষ্ট বিকেলে ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহমানকে গৌরীপুরের ভাঙ্গনামারি চর থেকে ধরে আনেন। পরে তাকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে একটি টর্চার সেলে প্রকাশ্য দিবালোকে দু'চোখ উপড়ে ফেলে ও ডান হাত ভেঙ্গে দিয়ে এম এ হান্নান নিজে গুলি করে হত্যা করেন। পরে লাশ ফেলে দেন ব্রহ্মপুত্র নদে। এরপর আসামিরা তাদের বাড়ীঘর লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। মামলায় বাদী রহিমা খাতুন আরো অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এম এ হান্নানের শহরের নতুন বাজার বাসা ও থানার ঘাট জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে টর্চার সেল তৈরি করে নিরীহ নারী-পুরুষকে নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসিয়ে দিয়েছেন। এদিকে দীর্ঘদিন পর মামলা করার বিষয়ে বাদী রহিমা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, এতো দিন প্রাণভয়ে স্বামীর বিচার চাননি। কিন্তু এখন ‘গণতান্ত্রিক’ সরকার রয়েছে বলে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন তিনি। মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment