পুলিশ-বিজিবির গুলিতে নিহতসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার স্টাফ রিপোর্টার টাইম নিউজ বিডি, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ১১:৫০:৪২ ময়মনসিংহে পুলিশের সঙ্গে ও কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দু'জন নিহত ছাড়াও লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের একদিন পরে স্থানীয় যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। জানা যায়, ময়মনসিংহে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে খোকন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এঘটনায় ওসিসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বুধবার মধ্যরাতে জেলার ঈশ্বরগঞ্জের সোহাগী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, খোকন আন্তজেলা মাদক সম্রাট। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, মধ্যরাতে ঈশ্বরগঞ্জের সোহাগী বাজারে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আন্তজেলা মাদক সম্রাট খোকন নিহত হয়। এ সময় পুলিশ একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, চারটি ককটেল উদ্ধার করে। খোকনের লাশ ময়মনসিংহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের নেয়ামতপুরের একটি খাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে যুবদল নেতা মো: বাবলুর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাবলু উপজেলার রাধাপুর গ্রামের হাবিব উল্লাহ আজগরের ছেলে ও ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা যায়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে বাবলু বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে নেয়ামতপুরের একটি খালে তার লাশ ভাসতে দেখা যায়। লক্ষ্মীপুর সদর থানার দায়িত্বরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নূরজাহান জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও টেকনাফে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি)’র গুলিতে হোসেন আহমেদ নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তিনি আলীখালী এলাকার মৃত মোজাহার মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে টেকনাফের হ্নীলা আলীখালী এলাকার ইয়াবা সিন্ডিকেট মিয়ানমার হতে ইয়াবার একটি বিরাট চালান খালাস করতে ১০-১২ জন কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নদীর পাড়ে যায়। এমন গোপন সংবাদ পেয়ে লেদা বিওপির নায়েক সুবেদার আতউর রহমানের নেতৃত্বে একদল বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে ইয়াবা পাচারকারী বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করলে বিজিবিও আত্ম রক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় বলে জানা গেছে। এসময় বিজিবির সদস্য তারা মিয়া ও সিদ্দিকুর রহমান আহত হয়। পরে পাচারকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ পাচারকারী হোছন আহমদকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসাপতালে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ও ২ রাউন্ড তার্জা কাতুজ উদ্ধার করা হয় এবং নিহত হোছন আহমদের মরদেহ টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের ২ স্ত্রী, ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কবির আহমদ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিজিবি কর্তৃক মরদেহ হস্তান্তরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এআর
No comments:
Post a Comment