ল ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে। এরপর বিশ্ব ক্রিকেটেও দাপট দেখিয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সি হিউজ। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগে ব্যাট করার সময় বলের আঘাতে মারা যান তিনি। ২৫ নভেম্বর দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন হিউজ। ৬৩ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংসও খেলেন তিনি। কিন্তু নিউ সাউথ ওয়েলসের পেসার শন অ্যাবোটের বাউন্সার হুক করতে গিয়ে বল হিউজের মাথায় লাগে। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে ছিলেন হিউজ। পরক্ষণেই ২২ গজের প্রিয় ক্রিজে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সিডনি হাসপাতালে। সেখানে হিউজকে নেওয়ার পর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু কোনো কাজ না হওয়ায় কোমায় ছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২৭ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হিউজ। বুধবার তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয় ক্রিকেটারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে হাজারো ভক্ত জড়ো হয়। তারা ফুল আর চোখের জলে শেষ বিদায় দেন হিউজকে। শৈশবের স্মৃতিঘেরা ম্যাকসভিলি স্কুলের মাঠে ওই শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। হিউজের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট। হিউজের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগেই সেখানে বান্ধবীসহ হাজির হন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। অস্ট্রেলিয়া দলের সব সদস্যও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সাড়ে ১২টার দিকে হিউজের কফিন স্কুলের মাঠে এসে পৌঁছায়। শেষকৃত্য অনুষ্ঠান দেখানোর জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরের মোড়ে জায়ান্ট স্ক্রিন প্রজেক্টর বসানো হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্লার্ক বলেছেন, ‘চির শান্তিতে ঘুমাও আমার ছোট ভাই।’নিজের হোমটাউন ম্যাকসভিলেতে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন হিউজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৬টি টেস্ট ও ২৫টি ওয়ানডে খেলেছেন ২৫ বছর বয়সী হিউজ। ২৬ ম্যাচে ৩ শতক আর ৭ অর্ধশতক হাঁকানো হিউজের ব্যাট থেকে এসেছে ১ হাজার ৫৩৫ রান। আর ওয়ানডেতে ২৫ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৮২৬ রান। এতে দুটি শতকের সঙ্গে চার অর্ধশতকের ইনিংসও রয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬৪ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন ফিলিপ হিউজ। অস্ট্রেলিয়া দলে এই জার্সিটি কোনো দিন ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। তথ্যসূত্র : বিবিসি, দ্য সিডনি মনিং হেরাল্ড । ইআর
Wednesday, December 3, 2014
হাজারো ফুলের শ্রদ্ধায় হিউজের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত:Time News
ল ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে। এরপর বিশ্ব ক্রিকেটেও দাপট দেখিয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সি হিউজ। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগে ব্যাট করার সময় বলের আঘাতে মারা যান তিনি। ২৫ নভেম্বর দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন হিউজ। ৬৩ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংসও খেলেন তিনি। কিন্তু নিউ সাউথ ওয়েলসের পেসার শন অ্যাবোটের বাউন্সার হুক করতে গিয়ে বল হিউজের মাথায় লাগে। কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে ছিলেন হিউজ। পরক্ষণেই ২২ গজের প্রিয় ক্রিজে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সিডনি হাসপাতালে। সেখানে হিউজকে নেওয়ার পর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু কোনো কাজ না হওয়ায় কোমায় ছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২৭ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হিউজ। বুধবার তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয় ক্রিকেটারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে হাজারো ভক্ত জড়ো হয়। তারা ফুল আর চোখের জলে শেষ বিদায় দেন হিউজকে। শৈশবের স্মৃতিঘেরা ম্যাকসভিলি স্কুলের মাঠে ওই শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। হিউজের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট। হিউজের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগেই সেখানে বান্ধবীসহ হাজির হন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। অস্ট্রেলিয়া দলের সব সদস্যও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সাড়ে ১২টার দিকে হিউজের কফিন স্কুলের মাঠে এসে পৌঁছায়। শেষকৃত্য অনুষ্ঠান দেখানোর জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরের মোড়ে জায়ান্ট স্ক্রিন প্রজেক্টর বসানো হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্লার্ক বলেছেন, ‘চির শান্তিতে ঘুমাও আমার ছোট ভাই।’নিজের হোমটাউন ম্যাকসভিলেতে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন হিউজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৬টি টেস্ট ও ২৫টি ওয়ানডে খেলেছেন ২৫ বছর বয়সী হিউজ। ২৬ ম্যাচে ৩ শতক আর ৭ অর্ধশতক হাঁকানো হিউজের ব্যাট থেকে এসেছে ১ হাজার ৫৩৫ রান। আর ওয়ানডেতে ২৫ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৮২৬ রান। এতে দুটি শতকের সঙ্গে চার অর্ধশতকের ইনিংসও রয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬৪ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন ফিলিপ হিউজ। অস্ট্রেলিয়া দলে এই জার্সিটি কোনো দিন ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। তথ্যসূত্র : বিবিসি, দ্য সিডনি মনিং হেরাল্ড । ইআর
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment