। কেবলমাত্র সাগরের নোনা পানিকে পানির প্ল্যান্টে বিশুদ্ধকরণ করে খাওয়ার উপযোগী করা হয়। আর এই পানিই মালের অধিবাসীদের মধ্যে পানির লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সরকারি পানির প্ল্যান্টে দুর্ঘটনা ঘটায় এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে, মালদ্বীপের এ সংকটজনক অবস্থায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রতিবেশী ভারত। ভারত সেখানে খাবার পানিভর্তি বিমান পাঠিয়েছে। শ্রীলঙ্কা, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও পানি সহায়তা চেয়েছে দেশটি। সরকার অবশ্য বিকল্প হিসেবে বোতলজাত পানি সরবরাহ করছে জনসাধারণের মধ্যে। তবে, এই পানি পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকে দোকান থেকে বোতলজাত পানি কিনতে গিয়ে মারামারিতেও লিপ্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে, মালদ্বীপের হোটেল-রিসোর্টগুলো পানি সংকটে পড়েনি। কারণ, হোটেল-রিসোর্টগুলোর রয়েছে নিজস্ব পানির প্ল্যান্ট; যেখানে সাগরের পানি খাওয়ার উপযোগী করা হয়। ফলে, দেশটির পর্যটন শিল্পে এর প্রভাব পড়বে না বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদনের ৩০ শতাংশই আসে পর্যটন খাত থেকে। উল্লেখ্য, মালদ্বীপ হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম নিচু একটি অঞ্চল। দেশটির কোন দ্বীপই এক দশমিক ৮ মিটারের বেশি উঁচু নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, অদূর ভবিষ্যতে দেশটিতে সাগরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই, মালদ্বীপ সরকার দেশটিকে এখনকার অবস্থান থেকে সরিয়ে উঁচু কোন এলাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় জমি কেনার চিন্তা-ভাবনাও করা হচ্ছে। এটি হলে মালদ্বীপ এশিয়া থেকে চলে যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। এমএ
Saturday, December 6, 2014
মালদ্বীপে খাবার পানি নেই, জরুরী অবস্থা জারী:Time News
। কেবলমাত্র সাগরের নোনা পানিকে পানির প্ল্যান্টে বিশুদ্ধকরণ করে খাওয়ার উপযোগী করা হয়। আর এই পানিই মালের অধিবাসীদের মধ্যে পানির লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সরকারি পানির প্ল্যান্টে দুর্ঘটনা ঘটায় এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে, মালদ্বীপের এ সংকটজনক অবস্থায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রতিবেশী ভারত। ভারত সেখানে খাবার পানিভর্তি বিমান পাঠিয়েছে। শ্রীলঙ্কা, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও পানি সহায়তা চেয়েছে দেশটি। সরকার অবশ্য বিকল্প হিসেবে বোতলজাত পানি সরবরাহ করছে জনসাধারণের মধ্যে। তবে, এই পানি পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকে দোকান থেকে বোতলজাত পানি কিনতে গিয়ে মারামারিতেও লিপ্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে, মালদ্বীপের হোটেল-রিসোর্টগুলো পানি সংকটে পড়েনি। কারণ, হোটেল-রিসোর্টগুলোর রয়েছে নিজস্ব পানির প্ল্যান্ট; যেখানে সাগরের পানি খাওয়ার উপযোগী করা হয়। ফলে, দেশটির পর্যটন শিল্পে এর প্রভাব পড়বে না বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদনের ৩০ শতাংশই আসে পর্যটন খাত থেকে। উল্লেখ্য, মালদ্বীপ হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম নিচু একটি অঞ্চল। দেশটির কোন দ্বীপই এক দশমিক ৮ মিটারের বেশি উঁচু নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, অদূর ভবিষ্যতে দেশটিতে সাগরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই, মালদ্বীপ সরকার দেশটিকে এখনকার অবস্থান থেকে সরিয়ে উঁচু কোন এলাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় জমি কেনার চিন্তা-ভাবনাও করা হচ্ছে। এটি হলে মালদ্বীপ এশিয়া থেকে চলে যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। এমএ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment