২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে উন্নীত করা। আমাদের সব উন্নয়নমুখী উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে সমৃদ্ধি, ন্যায্যতা ও সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের ব্যাপারে মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সার্বিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকেই নির্দেশ করে। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের ‘শোকেস বাংলাদেশ’ আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের যোগাযোগ উন্নয়ন, জ্বালানি, পর্যটন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও খাদ্য ও কৃষি খাতেও মালয়েশীয় বিনিয়োগকারীরা যাতে আকৃষ্ট হতে পারেন এমন আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্বসহ যে কোনোও ধরনের অংশিদারিত্ব স্থাপনে বাংলাদেশ প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি মালয়েশীয় ব্যবসায়ীরা তাদের নিজেদের দেশকে আধুনিক ও উন্নত করে তুলতে অবদান রেখেছেন। একই ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশও তাদের ডাকছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, অর্থনৈতিক উন্নয়নে পিছিয়ে থাকলেও আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য যে সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি তা আকর্ষণীয়। বাংলাদেশ সফর করে একটি সত্যিকারের বাংলাদেশকে উপলব্ধি করতেও মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সংলাপে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মালয় সাউথ-সাউথ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আজমান হাশিম। এছাড়া মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়ে মতবিনিময় করেন। এএইচ
Wednesday, December 3, 2014
মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ সফরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর:Time News
২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে উন্নীত করা। আমাদের সব উন্নয়নমুখী উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে সমৃদ্ধি, ন্যায্যতা ও সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের ব্যাপারে মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সার্বিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকেই নির্দেশ করে। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের ‘শোকেস বাংলাদেশ’ আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের যোগাযোগ উন্নয়ন, জ্বালানি, পর্যটন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও খাদ্য ও কৃষি খাতেও মালয়েশীয় বিনিয়োগকারীরা যাতে আকৃষ্ট হতে পারেন এমন আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্বসহ যে কোনোও ধরনের অংশিদারিত্ব স্থাপনে বাংলাদেশ প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি মালয়েশীয় ব্যবসায়ীরা তাদের নিজেদের দেশকে আধুনিক ও উন্নত করে তুলতে অবদান রেখেছেন। একই ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশও তাদের ডাকছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, অর্থনৈতিক উন্নয়নে পিছিয়ে থাকলেও আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য যে সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি তা আকর্ষণীয়। বাংলাদেশ সফর করে একটি সত্যিকারের বাংলাদেশকে উপলব্ধি করতেও মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সংলাপে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মালয় সাউথ-সাউথ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আজমান হাশিম। এছাড়া মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়ে মতবিনিময় করেন। এএইচ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment