দল ছেড়ে ক্ষমতার স্বাদ পেতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দেন। এরশাদ একটানা ৯ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এরশাদের স্বৈরশাসনের এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ১৯৮৩ সালের প্রথমার্ধে যুব ও ছাত্রসমাজ শুরু করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন। দীর্ঘ ৮ বছর তারা রাজপথে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করে এরশাদের পতন ঘটায়। এরশাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে প্রাণ দিতে হয় নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, দিপালী, ডা. মিলন, ফিরোজ, জাহাঙ্গীরসহ অনেককে। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয়, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে স্বৈরাচার এরশাদ বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। রক্তের সিঁড়িতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ঢেউয়ে উত্তাল হয়ে উঠে ঢাকার রাজপথ। এরশাদের পতন ত্বরান্বিত ও গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হয় ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর। এদিনই তিনটি জোট ঐক্যবদ্ধভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা ঘোষণা করে। জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে প্রধান দুই দলের টানাটানির কারণে কে সরকার গড়বে তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠেন এরশাদ। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এরশাদের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মরিয়া হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় দুই জোটের সঙ্গে দরকষাকষি করে রাজনীতিতে বাড়তি মূল্য পেতে ভুল করছেন না এরশাদও। বিগত নির্বাচনের সময় সুবিধা নিয়ে কখনো গণতন্ত্র রক্ষায় নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেন, কখনো আবার আরো সুবিধা আদায়ে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেন এরশাদ। এতে ধন্ধে পড়ে যায় উভয় দল ও জাতি। আওয়ামী লীগ কালক্ষেপণ না করে রওশনকে নির্বাচনে ভিড়িয়ে সেরে ফেলে সাধারণ নির্বাচন। রওশন এরশাদ এখন বিরোধীদলের নেতা। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। জেএ
Saturday, December 6, 2014
স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস আজ:Time News
দল ছেড়ে ক্ষমতার স্বাদ পেতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দেন। এরশাদ একটানা ৯ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এরশাদের স্বৈরশাসনের এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ১৯৮৩ সালের প্রথমার্ধে যুব ও ছাত্রসমাজ শুরু করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন। দীর্ঘ ৮ বছর তারা রাজপথে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করে এরশাদের পতন ঘটায়। এরশাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে প্রাণ দিতে হয় নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, দিপালী, ডা. মিলন, ফিরোজ, জাহাঙ্গীরসহ অনেককে। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয়, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে স্বৈরাচার এরশাদ বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। রক্তের সিঁড়িতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ঢেউয়ে উত্তাল হয়ে উঠে ঢাকার রাজপথ। এরশাদের পতন ত্বরান্বিত ও গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হয় ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর। এদিনই তিনটি জোট ঐক্যবদ্ধভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা ঘোষণা করে। জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে প্রধান দুই দলের টানাটানির কারণে কে সরকার গড়বে তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠেন এরশাদ। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এরশাদের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মরিয়া হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় দুই জোটের সঙ্গে দরকষাকষি করে রাজনীতিতে বাড়তি মূল্য পেতে ভুল করছেন না এরশাদও। বিগত নির্বাচনের সময় সুবিধা নিয়ে কখনো গণতন্ত্র রক্ষায় নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেন, কখনো আবার আরো সুবিধা আদায়ে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেন এরশাদ। এতে ধন্ধে পড়ে যায় উভয় দল ও জাতি। আওয়ামী লীগ কালক্ষেপণ না করে রওশনকে নির্বাচনে ভিড়িয়ে সেরে ফেলে সাধারণ নির্বাচন। রওশন এরশাদ এখন বিরোধীদলের নেতা। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। জেএ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment