ওস ও পাপুয়া নিউগিনি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের এত দুর্নীতি আর কোনো দেশে হয় না। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয় কিন্তু সার্কের সদস্য আফগানিস্তানের অবস্থায় কেবল বাংলাদেশের চেয় খারাপ। বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৪’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে টিআইবি বাংলাদেশে দুর্নীতি বৃদ্ধির পেছনে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দায়ী করেছে। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন নির্বাহী হস্তক্ষেপের ফলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে আক্রোশের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অনুষ্ঠানে টিআইবির পক্ষ থেকে দুর্নীতি কমাতে যে করণীয় নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে, তার মূলে উঠে এসেছে রাজনৈতিক সদিচ্ছাই। দুর্নীতি নির্মূলের চাবিকাঠিই হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধে ভয় বা করুণার ঊর্ধ্বে উঠে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিকাঠামো শক্তিশালীকরণ, কার্যকর সংসদ, দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সততা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে সততা নিশ্চিত করাসহ দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, প্রধান প্রধান জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এবং দুর্নীতিবিরোধী চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সুশীল সমাজসহ সাধারণ নাগরিক, গণমাধ্যম, এনজিওগুলোর সক্রিয় ভূমিকা পালন করার কথা বলেছে টিআইবি। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের মধ্যে চেপে বসেছে। এর ফলে দুর্নীতি কমানো সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘সাধারণ জনগণ বা নাগরিক সমাজ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে কিংবা বিচার চাইলে তাকে সাহায্য করা হয় না। উল্টো সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে আক্রোশের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এভাবে মানুষের মধ্যে বিচার চাওয়ার প্রবণতা কমে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়। ফলে দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রে নির্বাহীর হস্তক্ষেপে কোনো প্রতিষ্ঠানই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। বর্তমান সংসদের অকার্যকারিতার কারণও এই হস্তক্ষেপ।’ সুলতানা কামাল বলেন, ‘গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে হলে বিচার বিভাগ, সংসদ, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, দুদককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’ তিনি বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক বিস্তার ও জবাবদিহিতার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরিদ্র জনগোষ্ঠি। টিআইবি চেয়ারপারসন বলেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি আশঙ্কাজনকহারে হলেও তা রোধে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। এজন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে। টিআইবি নিয়ে সম্প্রতি সরকারের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আমরা সব সময় সরকারের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাই। কিন্তু সরকারের কোনো রেসপন্স পায় না। আমাদের তথ্যেও ভুল থাকতে পারে এবং সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু সরকার সেটা করে না। সুলতানা কামাল বলেন, সম্প্রতি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এটা উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির কারণেই হয়েছে। কারণ চালকরা যোগ্য না হলেও তারা রাস্তায় গাড়ি চালাতে পারছেন। তিনি বলেন, যেকোনো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য হচ্ছে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয় হয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের দাবিতে সোচ্চার হওয়া। তাছাড়া দুর্নীতি দূর করতে হলে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যম, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলেও মনে করেন সুলতানা কামাল। সংবাদ সম্মেলনে টিআই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে উচ্চক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশ নয় ধাপ নিচে নেমে গেছে। এছাড়া একমাত্র আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ফলে সার্বিকভাবে দুর্নীতির বৈশ্বিক ধারণা সূচকে বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। ইফতেখারুজ্জামা বলেন, ২০১৪ সালের সিপিআই অনুযায়ী ৯২টি দেশের স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে, আগের স্কোর ধরে রেখেছে ৪৭টি এবং অবনতি হয়েছে ৩৬টি দেশের। বাংলাদেশ এই অবনতির তালিকায় রয়েছে। তিনি বলেন, অস্বীকৃতির মানসিকতাই দুর্নীতি বাড়িয়ে দেয়। আমাদের দেশে সংস্থাগুলো বরাবরই দুর্নীতির কথা অস্বীকার করেন। ফলে মানুষ আরো বেশি দুর্নীতি করতে চায়। আর এ দুর্নীতি দেশের উন্নয়নের অন্তরায়। টিআইবি নির্বাহী আরো বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে দুর্নীতি যদি মধ্যম সারির পর্যায়ে উন্নীত করা যায়, তবে জিডিপি আরো ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামালের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির সদস্য এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. এটিএম শামসুল হুদা এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্নীতির সূচকে এবার বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সূত্র হিসেবে ৭টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যথাক্রমে: বার্টেলসমান ফাউন্ডেশন পরিচালিত ট্রান্সফরমেশন ইনডেক্স, ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট পরিচালিত কান্ট্রি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট, গ্লোবাল ইনসাইটের কান্ট্রি রিস্ক রেটিংস, পলিটিক্যাল রিস্ক সার্ভিসেস এর ইন্টারন্যাশনাল কান্ট্রি রিস্ক গাইড, বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল অ্যাসেসমেন্ট, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের এক্সিউকিউটিভ ওপিনিয়ন সার্ভে এবং ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট পরিচালিত রুল অব ল’ ইনডেক্স এর রিপোর্টসমূহের জরিপ ব্যবহৃত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিপিআই নির্ণয়ে টিআইবি কোনো ভূমিকা পালন করে না। এমনকি টিআইবির গবেষণা থেকে প্রাপ্ত কোনো তথ্য বা বিশ্লেষণ সিপিআই-এ পাঠানো হয় না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের মতই টিআইবি দুর্নীতির ধারণা সূচক স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ করে মাত্র। মন্তব্য pay per click নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশ ১৪তম দুর্নীত . . . বিস্তারিত নিউজ ডেস্কআরটিএনএনকুয়ালালামপুর: দরিদ্রদের সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট প্রদানে কামরাঙ্গীরচরে কম খরচে আবাসন প্রকল্পের আগ্রহ প্র . . . বিস্তারিত
Wednesday, December 3, 2014
‘বিচারহীনতায় বাড়ছে দুর্নীতি, দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা’:RTNN
ওস ও পাপুয়া নিউগিনি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের এত দুর্নীতি আর কোনো দেশে হয় না। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয় কিন্তু সার্কের সদস্য আফগানিস্তানের অবস্থায় কেবল বাংলাদেশের চেয় খারাপ। বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৪’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে টিআইবি বাংলাদেশে দুর্নীতি বৃদ্ধির পেছনে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দায়ী করেছে। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন নির্বাহী হস্তক্ষেপের ফলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে আক্রোশের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অনুষ্ঠানে টিআইবির পক্ষ থেকে দুর্নীতি কমাতে যে করণীয় নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে, তার মূলে উঠে এসেছে রাজনৈতিক সদিচ্ছাই। দুর্নীতি নির্মূলের চাবিকাঠিই হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধে ভয় বা করুণার ঊর্ধ্বে উঠে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিকাঠামো শক্তিশালীকরণ, কার্যকর সংসদ, দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সততা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে সততা নিশ্চিত করাসহ দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, প্রধান প্রধান জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এবং দুর্নীতিবিরোধী চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সুশীল সমাজসহ সাধারণ নাগরিক, গণমাধ্যম, এনজিওগুলোর সক্রিয় ভূমিকা পালন করার কথা বলেছে টিআইবি। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের মধ্যে চেপে বসেছে। এর ফলে দুর্নীতি কমানো সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘সাধারণ জনগণ বা নাগরিক সমাজ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে কিংবা বিচার চাইলে তাকে সাহায্য করা হয় না। উল্টো সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে আক্রোশের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এভাবে মানুষের মধ্যে বিচার চাওয়ার প্রবণতা কমে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়। ফলে দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রে নির্বাহীর হস্তক্ষেপে কোনো প্রতিষ্ঠানই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। বর্তমান সংসদের অকার্যকারিতার কারণও এই হস্তক্ষেপ।’ সুলতানা কামাল বলেন, ‘গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে হলে বিচার বিভাগ, সংসদ, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, দুদককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’ তিনি বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক বিস্তার ও জবাবদিহিতার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরিদ্র জনগোষ্ঠি। টিআইবি চেয়ারপারসন বলেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি আশঙ্কাজনকহারে হলেও তা রোধে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। এজন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে। টিআইবি নিয়ে সম্প্রতি সরকারের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আমরা সব সময় সরকারের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাই। কিন্তু সরকারের কোনো রেসপন্স পায় না। আমাদের তথ্যেও ভুল থাকতে পারে এবং সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু সরকার সেটা করে না। সুলতানা কামাল বলেন, সম্প্রতি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এটা উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির কারণেই হয়েছে। কারণ চালকরা যোগ্য না হলেও তারা রাস্তায় গাড়ি চালাতে পারছেন। তিনি বলেন, যেকোনো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য হচ্ছে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয় হয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের দাবিতে সোচ্চার হওয়া। তাছাড়া দুর্নীতি দূর করতে হলে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যম, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলেও মনে করেন সুলতানা কামাল। সংবাদ সম্মেলনে টিআই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে উচ্চক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশ নয় ধাপ নিচে নেমে গেছে। এছাড়া একমাত্র আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ফলে সার্বিকভাবে দুর্নীতির বৈশ্বিক ধারণা সূচকে বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। ইফতেখারুজ্জামা বলেন, ২০১৪ সালের সিপিআই অনুযায়ী ৯২টি দেশের স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে, আগের স্কোর ধরে রেখেছে ৪৭টি এবং অবনতি হয়েছে ৩৬টি দেশের। বাংলাদেশ এই অবনতির তালিকায় রয়েছে। তিনি বলেন, অস্বীকৃতির মানসিকতাই দুর্নীতি বাড়িয়ে দেয়। আমাদের দেশে সংস্থাগুলো বরাবরই দুর্নীতির কথা অস্বীকার করেন। ফলে মানুষ আরো বেশি দুর্নীতি করতে চায়। আর এ দুর্নীতি দেশের উন্নয়নের অন্তরায়। টিআইবি নির্বাহী আরো বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে দুর্নীতি যদি মধ্যম সারির পর্যায়ে উন্নীত করা যায়, তবে জিডিপি আরো ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামালের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির সদস্য এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. এটিএম শামসুল হুদা এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্নীতির সূচকে এবার বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সূত্র হিসেবে ৭টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যথাক্রমে: বার্টেলসমান ফাউন্ডেশন পরিচালিত ট্রান্সফরমেশন ইনডেক্স, ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট পরিচালিত কান্ট্রি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট, গ্লোবাল ইনসাইটের কান্ট্রি রিস্ক রেটিংস, পলিটিক্যাল রিস্ক সার্ভিসেস এর ইন্টারন্যাশনাল কান্ট্রি রিস্ক গাইড, বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল অ্যাসেসমেন্ট, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের এক্সিউকিউটিভ ওপিনিয়ন সার্ভে এবং ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট পরিচালিত রুল অব ল’ ইনডেক্স এর রিপোর্টসমূহের জরিপ ব্যবহৃত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিপিআই নির্ণয়ে টিআইবি কোনো ভূমিকা পালন করে না। এমনকি টিআইবির গবেষণা থেকে প্রাপ্ত কোনো তথ্য বা বিশ্লেষণ সিপিআই-এ পাঠানো হয় না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের মতই টিআইবি দুর্নীতির ধারণা সূচক স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ করে মাত্র। মন্তব্য pay per click নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশ ১৪তম দুর্নীত . . . বিস্তারিত নিউজ ডেস্কআরটিএনএনকুয়ালালামপুর: দরিদ্রদের সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট প্রদানে কামরাঙ্গীরচরে কম খরচে আবাসন প্রকল্পের আগ্রহ প্র . . . বিস্তারিত
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment