্রিয়ার অসম্পূর্ণ শর্তসমূহ দূরীকরণ’ চুক্তি। এছাড়া মানবসম্পদ রফতানির বিষয়ে ২০১২ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক সংশোধনে একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রটোকলের ফলে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক প্রদেশে ১২ হাজার বাংলাদেশির কাজের সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখের মতো বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন। এছাড়া পর্যটন খাতে সহযোগিতা এবং শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ে সহযোগিতায় দুটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে দুই দেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেসমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন দূতাবাস কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন। স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় শেখ হাসিনা পুত্রাজায়ার পারদানা স্কয়ারে পৌঁছালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নাজিব রাজাক তাকে অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়, একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী রূদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। পরে পারদানা মিটিং রুমে শুরু হয় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। পরে সেখানেই একটি চুক্তি, একটি প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকে সই করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। নতুন বার্তা/বিজে/জবা
Wednesday, December 3, 2014
মালয়েশিয়ার সঙ্গে চার চুক্তি :Natun Barta
্রিয়ার অসম্পূর্ণ শর্তসমূহ দূরীকরণ’ চুক্তি। এছাড়া মানবসম্পদ রফতানির বিষয়ে ২০১২ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক সংশোধনে একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রটোকলের ফলে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক প্রদেশে ১২ হাজার বাংলাদেশির কাজের সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখের মতো বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন। এছাড়া পর্যটন খাতে সহযোগিতা এবং শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ে সহযোগিতায় দুটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে দুই দেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেসমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন দূতাবাস কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন। স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় শেখ হাসিনা পুত্রাজায়ার পারদানা স্কয়ারে পৌঁছালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নাজিব রাজাক তাকে অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়, একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী রূদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। পরে পারদানা মিটিং রুমে শুরু হয় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। পরে সেখানেই একটি চুক্তি, একটি প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকে সই করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। নতুন বার্তা/বিজে/জবা
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment