টার অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা ও দেশে দ্রুত প্রত্যাবর্তন প্রত্যাশা করেন তারা। এর আগে তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে রাত ১১টা থেকে গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সমাগম হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মীর ‘শুভ শুভ জন্মদিন, তারেক ভাইয়ের জন্মদিন’ স্লোগান পুরো এলাকাকে সরগরম করে রাখে। জন্মদিন উপলক্ষে (গতকাল) বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনাসভা করে বিএনপি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করা হবে। ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে গরিব ও দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ছাত্রদল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তার ডাক নাম পিনু। তারেক রহমান ঢাকার বিএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব হোসেনের বড় মেয়ে ডা. জোবাইদার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারেক। ১৯৯১ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সদস্য পদ লাভের মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে জেলা বিএনপির সদস্য হন। ২০০২ সালে তারেক রহমানকে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব নির্বাচিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। বর্তমানে তারেক রহমান দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির বিপুল জয়ের পিছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এরপর সেই সময়ে দলকে শক্তিশালী করতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ছুটে যান। তার সেই ভূমিকা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। গত ১/১১ এর পটপরিবর্তনের পর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে একটি দুর্নীতি মামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। উচ্চ আদালত থেকে প্যারোলে জামিন পেয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে স্বপরিবারে লন্ডনে যান। লন্ডনে থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। তারেক রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখনো যুক্তরাজ্যেই অবস্থান করছেন। সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। এমএইচ
Thursday, November 20, 2014
তারেক রহমানের ৫০তম জন্মদিন পালিত হচ্ছে:Time News
টার অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা ও দেশে দ্রুত প্রত্যাবর্তন প্রত্যাশা করেন তারা। এর আগে তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে রাত ১১টা থেকে গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সমাগম হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মীর ‘শুভ শুভ জন্মদিন, তারেক ভাইয়ের জন্মদিন’ স্লোগান পুরো এলাকাকে সরগরম করে রাখে। জন্মদিন উপলক্ষে (গতকাল) বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনাসভা করে বিএনপি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করা হবে। ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে গরিব ও দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ছাত্রদল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তার ডাক নাম পিনু। তারেক রহমান ঢাকার বিএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব হোসেনের বড় মেয়ে ডা. জোবাইদার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারেক। ১৯৯১ সালে বগুড়ার গাবতলী থানা বিএনপির সদস্য পদ লাভের মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে জেলা বিএনপির সদস্য হন। ২০০২ সালে তারেক রহমানকে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব নির্বাচিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। বর্তমানে তারেক রহমান দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির বিপুল জয়ের পিছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এরপর সেই সময়ে দলকে শক্তিশালী করতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ছুটে যান। তার সেই ভূমিকা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। গত ১/১১ এর পটপরিবর্তনের পর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে একটি দুর্নীতি মামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। উচ্চ আদালত থেকে প্যারোলে জামিন পেয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে স্বপরিবারে লন্ডনে যান। লন্ডনে থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। তারেক রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখনো যুক্তরাজ্যেই অবস্থান করছেন। সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। এমএইচ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment