বিচারপতি অক্ষয় মেহতা মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে ২০০০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। জি-নিউজ ইন্ডিয়া জানায়, অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন মোদি সরকারকে। এর আগে ২০০৮ সালে কমিশন যে প্রথম রিপোর্টটি পেশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, গোধরা স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। অবশ্য ওই রিপোর্টেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মন্ত্রীদের অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, এই প্রতিবেদনটি আটটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের হলফনামা নেওয়া হয়েছে। তবে বিচারপতি নানাবতী রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখ খুলেননি। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা বা না করা সরকারের ব্যাপার। সুপ্রীম কোর্ট তাদের রিপোর্টটি কমিশনকে দেওয়া থেকে নিরস্ত্র করতে নির্দেশ দিয়েছিল। তাতে দু’আড়াই বছর সময় লেগেছে। তাই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে অনেকটা দেরি হয়েছে। অব্যহতি পেল মোদি গুজরাট দাঙ্গার অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। ২০০২ সালে গুজরাটের গোধরায় ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনার কারনে সেই দাঙ্গায় সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের। দীর্ঘ ১২ বছর পর মঙ্গলবার সুপ্রীম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জিটি নানাবতী ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অক্ষয় মেহতা মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে ২০০০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। জি-নিউজ ইন্ডিয়া জানায়, অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন মোদি সরকারকে। এর আগে ২০০৮ সালে কমিশন যে প্রথম রিপোর্টটি পেশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, গোধরা স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। অবশ্য ওই রিপোর্টেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মন্ত্রীদের অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, এই প্রতিবেদনটি আটটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের হলফনামা নেওয়া হয়েছে। তবে বিচারপতি নানাবতী রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখ খুলেননি। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা বা না করা সরকারের ব্যাপার। সুপ্রীম কোর্ট তাদের রিপোর্টটি কমিশনকে দেওয়া থেকে নিরস্ত্র করতে নির্দেশ দিয়েছিল। তাতে দু’আড়াই বছর সময় লেগেছে। তাই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে অনেকটা দেরি হয়েছে। ইআর
Wednesday, November 19, 2014
অব্যহতি পেল মোদি:Time News
বিচারপতি অক্ষয় মেহতা মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে ২০০০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। জি-নিউজ ইন্ডিয়া জানায়, অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন মোদি সরকারকে। এর আগে ২০০৮ সালে কমিশন যে প্রথম রিপোর্টটি পেশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, গোধরা স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। অবশ্য ওই রিপোর্টেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মন্ত্রীদের অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, এই প্রতিবেদনটি আটটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের হলফনামা নেওয়া হয়েছে। তবে বিচারপতি নানাবতী রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখ খুলেননি। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা বা না করা সরকারের ব্যাপার। সুপ্রীম কোর্ট তাদের রিপোর্টটি কমিশনকে দেওয়া থেকে নিরস্ত্র করতে নির্দেশ দিয়েছিল। তাতে দু’আড়াই বছর সময় লেগেছে। তাই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে অনেকটা দেরি হয়েছে। অব্যহতি পেল মোদি গুজরাট দাঙ্গার অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। ২০০২ সালে গুজরাটের গোধরায় ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনার কারনে সেই দাঙ্গায় সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের। দীর্ঘ ১২ বছর পর মঙ্গলবার সুপ্রীম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জিটি নানাবতী ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অক্ষয় মেহতা মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে ২০০০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। জি-নিউজ ইন্ডিয়া জানায়, অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন মোদি সরকারকে। এর আগে ২০০৮ সালে কমিশন যে প্রথম রিপোর্টটি পেশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, গোধরা স্টেশনে ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। অবশ্য ওই রিপোর্টেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর মন্ত্রীদের অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, এই প্রতিবেদনটি আটটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের হলফনামা নেওয়া হয়েছে। তবে বিচারপতি নানাবতী রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখ খুলেননি। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা বা না করা সরকারের ব্যাপার। সুপ্রীম কোর্ট তাদের রিপোর্টটি কমিশনকে দেওয়া থেকে নিরস্ত্র করতে নির্দেশ দিয়েছিল। তাতে দু’আড়াই বছর সময় লেগেছে। তাই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে অনেকটা দেরি হয়েছে। ইআর
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment