শ্নের জবাবে এ দাবি করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এইচটি ইমাম কি বলেছেন, ব্যক্তিগতভাবে তা আমি পড়ে দেখিনি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিও না। তাই কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমানের ভূমিকা এবং পরে রাজাকারদের সহযোগিতা করায় জনগণ থেকে একটি দাবি উঠছে- জিয়ার বীর উত্তম খেতাব কেড়ে নেয়ার।’ তবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে কিনা সেটি স্পষ্ট করেননি হাছান মাহমুদ। জিয়া পরিবার নিয়ে ফের বিষোদগার এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যুদ্ধের সময় খালেদাকে চিঠি লেখার পরও তিনি পাকিস্তানিদের অধীনে ছিলেন। পরে জিয়া তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হননি। এ কারণে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম নিয়েও মানুষের প্রশ্ন আছে।’ তিনি বলেন, ‘ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রদ্রোহী বানাতে চেয়েছিলেন। এখন তারেক জিয়াও বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রদ্রোহী বানাতে চাইছে। ইয়াহিয়া ও তারেক জিয়ার বক্তব্য এক হয়ে যাওয়ায় তারেকের জন্ম নিয়েও জনমনে প্রশ্ন জেগেছে।’ সজীব ওয়াজেদ জয়কে পৃথিবীর অন্যতম কম্পিউটার বিজ্ঞানী উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জয় হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট। তিনি বাংলাদেশর অহংকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় বরং বাস্তব। সেটা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই এসেছে।’ বিএনপির নেতাদের তার সম্পর্কে কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখারও পরামর্শ দেন তিনি। বিএনপি নেতাদের হনুমানের রোগে ধরেছে দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শুধু ফখরুল নয় বিএনপির আরো অনেক নেতাই জয় সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। এই নেতাগুলোর কথা-বার্তা শুনলে মনে হয় তাদের ডিমেনসিয়া রোগ হয়েছে। এই রোগ মানুষ বুড়ো হলে তাদের হয়। শুধু বুড়ো মানুষের নয়, এটা হনুমান বুড়ো হলে তাদেরও হয়। অতএব তাদের হনুমানের রোগে ধরেছে। ড্যাবের চিকিৎকদের অনুরোধ করব তারা যেন তাদের নেতাদের চিকিৎসা করান।’ জয়কে নিয়ে বক্তব্যে মামলা করা হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শুধু ফখরুল নয় তাদের আরো অনেক নেতা জয়কে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এজন্য যে কেউ চাইলে তার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে মামলা করতে পারেন।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুর নাহার লাইলি, শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দি, এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ। মন্তব্য
Sunday, November 16, 2014
ইমাম কি বলেছেন জানেনই না হাছান মাহমুদ:RTNN
শ্নের জবাবে এ দাবি করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এইচটি ইমাম কি বলেছেন, ব্যক্তিগতভাবে তা আমি পড়ে দেখিনি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিও না। তাই কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমানের ভূমিকা এবং পরে রাজাকারদের সহযোগিতা করায় জনগণ থেকে একটি দাবি উঠছে- জিয়ার বীর উত্তম খেতাব কেড়ে নেয়ার।’ তবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে কিনা সেটি স্পষ্ট করেননি হাছান মাহমুদ। জিয়া পরিবার নিয়ে ফের বিষোদগার এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যুদ্ধের সময় খালেদাকে চিঠি লেখার পরও তিনি পাকিস্তানিদের অধীনে ছিলেন। পরে জিয়া তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হননি। এ কারণে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম নিয়েও মানুষের প্রশ্ন আছে।’ তিনি বলেন, ‘ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রদ্রোহী বানাতে চেয়েছিলেন। এখন তারেক জিয়াও বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রদ্রোহী বানাতে চাইছে। ইয়াহিয়া ও তারেক জিয়ার বক্তব্য এক হয়ে যাওয়ায় তারেকের জন্ম নিয়েও জনমনে প্রশ্ন জেগেছে।’ সজীব ওয়াজেদ জয়কে পৃথিবীর অন্যতম কম্পিউটার বিজ্ঞানী উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জয় হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট। তিনি বাংলাদেশর অহংকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় বরং বাস্তব। সেটা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই এসেছে।’ বিএনপির নেতাদের তার সম্পর্কে কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখারও পরামর্শ দেন তিনি। বিএনপি নেতাদের হনুমানের রোগে ধরেছে দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শুধু ফখরুল নয় বিএনপির আরো অনেক নেতাই জয় সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। এই নেতাগুলোর কথা-বার্তা শুনলে মনে হয় তাদের ডিমেনসিয়া রোগ হয়েছে। এই রোগ মানুষ বুড়ো হলে তাদের হয়। শুধু বুড়ো মানুষের নয়, এটা হনুমান বুড়ো হলে তাদেরও হয়। অতএব তাদের হনুমানের রোগে ধরেছে। ড্যাবের চিকিৎকদের অনুরোধ করব তারা যেন তাদের নেতাদের চিকিৎসা করান।’ জয়কে নিয়ে বক্তব্যে মামলা করা হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শুধু ফখরুল নয় তাদের আরো অনেক নেতা জয়কে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এজন্য যে কেউ চাইলে তার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে মামলা করতে পারেন।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুর নাহার লাইলি, শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দি, এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ। মন্তব্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment