স্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী ও সহ-সভাপতি অঞ্জন রায়ের অনুসারিদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তীর সমর্থকরা। এ সময় ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা সহ-সভাপতি অঞ্জন রায় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য উত্তম কুমার দাশের অনুসারিরা তাদের বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষের সময় শাহপরাণ ও দ্বিতীয় ছাত্রহলের ভেতরে কমপক্ষে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া তিনটি হলের অন্তত ৪০টি কক্ষে ভাঙচুর চালায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ১৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমন নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, নিহত সুমন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র বলে প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন। এখোন উভয়পক্ষের অনুসারিরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায় বলেছেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে জানান। মন্তব্য pay per click
Thursday, November 20, 2014
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে শাবিতে ছাত্র নিহত, প্রক্টরসহ আহত ২০:RTNN
স্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী ও সহ-সভাপতি অঞ্জন রায়ের অনুসারিদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তীর সমর্থকরা। এ সময় ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা সহ-সভাপতি অঞ্জন রায় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য উত্তম কুমার দাশের অনুসারিরা তাদের বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষের সময় শাহপরাণ ও দ্বিতীয় ছাত্রহলের ভেতরে কমপক্ষে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া তিনটি হলের অন্তত ৪০টি কক্ষে ভাঙচুর চালায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ১৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমন নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, নিহত সুমন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র বলে প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন। এখোন উভয়পক্ষের অনুসারিরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায় বলেছেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে জানান। মন্তব্য pay per click
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment