াসা থেকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন লোক তাদের ধরে নিয়ে যান। দারুস সালাম থানার ওসি রফিকুল ইসলাম পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, গত সোমবার রাতে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে দুই ভাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাসায় ফোন করলে পরিবারের সদস্যরা তাদের নিয়ে আসে। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তারা জানিয়েছেন, তাদের চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে মারধর করা হয়নি। কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—জানতে চাইলে তারা কিছু জানাতে পারেননি। দুই ভাইয়ের বাবা হাকিম আলী সরদার বলেন, কে বা কারা তার দুই ছেলেকে অপহরণ করেছে, সে সম্পর্কে কিছুই বলতে পারছেন না তিনি। তবে অপহরণকারীদের জ্যাকেটে ডিবি পুলিশ লেখা ছিল। তিনি বলেন, সোমবার রাতে মালিবাগ থেকে ফারুক ও ফিরোজ বাসায় ফোন করেন। পরে তাদের বাসায় নিয়ে আসা হয়। এখন দুজনই বাসায় সারাক্ষণ চুপ থাকছেন। কারো সঙ্গে কথা বলছেন না। হাকিম আলী জানান, তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যন্ত নেই। তাদের সঙ্গে কারো ব্যবসায়িক বিরোধও নেই। অক্ষত ও সুস্থ অবস্থায় ছেলেরা বাসায় ফিরে আসায় তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। বলেন, ‘অক্ষত অবস্থায় ছেলেদের ফিরে পেয়েছি। কারা অপহরণ করেছে, তা আর জানতেও চাই না।’ অপহৃতদের বড় ভাই আক্তার হোসেন বলেন, ‘অপহরণের রহস্য জানা না গেলেও একটি বিষয় অজানাই রয়ে গেল। সেটা হচ্ছে অপহরণের সময় তাদের যে গাড়িতে করে নেয়া হয়েছে সেটা র্যা বের গাড়ি ছিল। দারুস সালাম থানার সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজেও তা দেখতে পাওয়া গেছে।’ দারুস সালাম থানায় জিডি করা সত্ত্বেও র্যাছব, ডিবি, পুলিশ কেউই তাদের কোনো খোঁজ দিতে পারেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা ছাড়াই তারা দুই ভাইকে ফেরত পেয়েছেন বলে জানান আক্তার হোসেন। মন্তব্য pay per click
Thursday, November 20, 2014
অপহৃত দুই ভাইয়ের ফেরা নিয়েও রহস্য:RTNN
াসা থেকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন লোক তাদের ধরে নিয়ে যান। দারুস সালাম থানার ওসি রফিকুল ইসলাম পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, গত সোমবার রাতে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে দুই ভাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাসায় ফোন করলে পরিবারের সদস্যরা তাদের নিয়ে আসে। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তারা জানিয়েছেন, তাদের চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে মারধর করা হয়নি। কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—জানতে চাইলে তারা কিছু জানাতে পারেননি। দুই ভাইয়ের বাবা হাকিম আলী সরদার বলেন, কে বা কারা তার দুই ছেলেকে অপহরণ করেছে, সে সম্পর্কে কিছুই বলতে পারছেন না তিনি। তবে অপহরণকারীদের জ্যাকেটে ডিবি পুলিশ লেখা ছিল। তিনি বলেন, সোমবার রাতে মালিবাগ থেকে ফারুক ও ফিরোজ বাসায় ফোন করেন। পরে তাদের বাসায় নিয়ে আসা হয়। এখন দুজনই বাসায় সারাক্ষণ চুপ থাকছেন। কারো সঙ্গে কথা বলছেন না। হাকিম আলী জানান, তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যন্ত নেই। তাদের সঙ্গে কারো ব্যবসায়িক বিরোধও নেই। অক্ষত ও সুস্থ অবস্থায় ছেলেরা বাসায় ফিরে আসায় তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। বলেন, ‘অক্ষত অবস্থায় ছেলেদের ফিরে পেয়েছি। কারা অপহরণ করেছে, তা আর জানতেও চাই না।’ অপহৃতদের বড় ভাই আক্তার হোসেন বলেন, ‘অপহরণের রহস্য জানা না গেলেও একটি বিষয় অজানাই রয়ে গেল। সেটা হচ্ছে অপহরণের সময় তাদের যে গাড়িতে করে নেয়া হয়েছে সেটা র্যা বের গাড়ি ছিল। দারুস সালাম থানার সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজেও তা দেখতে পাওয়া গেছে।’ দারুস সালাম থানায় জিডি করা সত্ত্বেও র্যাছব, ডিবি, পুলিশ কেউই তাদের কোনো খোঁজ দিতে পারেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা ছাড়াই তারা দুই ভাইকে ফেরত পেয়েছেন বলে জানান আক্তার হোসেন। মন্তব্য pay per click
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment