ত্রণে রয়েছে। অপরদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ কমলেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে রাজস্ব আদায়ে। সামষ্টিক অর্থনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। আর্থিক খাতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের’ সভা কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি অর্থবছরে এটি হবে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও জিডিপির প্রবৃদ্ধির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা নেই। বিনিয়োগে স্থবিরতা এর প্রধান কারণ বলে মনে করেন তারা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর সমকালকে বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে গেছে, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ভালো নয়। চলতি অর্থবছরের জন্য ৬৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার বিশাল এডিপি নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথমার্ধে কাজের অগ্রগতি হয়েছে খুবই কম। চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৯ শতাংশ। এ হার গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগের অর্থবছরগুলোতে একই সময়ে বাস্তবায়ন হয়েছিল যথাক্রমে ১১ , ১৩ ও ১১ শতাংশ। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, আলোচ্য অর্থবছরের তিন মাসে বাজেটের মোট বরাদ্দের সাড়ে ৮ শতাংশ খরচ হয়েছে। এ প্রবণতা বজায় থাকলে অর্থবছর শেষে বাজেট ঘাটতি নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থাকবে। প্রতিবেদনে সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ সহনীয় রয়েছে। আবার রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি ভালো অবস্থানে। এ সবের ইতিবাচক প্রভাবের ফলে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মূল্যস্ফীতি। এদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া কমলেও বেড়ে গেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র বিক্রয় বাবদ ঋণ নেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে তিন মাসের মধ্যেই তার ৭৫ ভাগ অর্জিত হয়েছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রির এই প্রবণতা এ যাবৎকালোর মধ্যে রেকর্ড। মন্তব্য
Wednesday, November 12, 2014
এডিপি বাস্তবায়নের হার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন:RTNN
ত্রণে রয়েছে। অপরদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ কমলেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে রাজস্ব আদায়ে। সামষ্টিক অর্থনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। আর্থিক খাতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের’ সভা কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি অর্থবছরে এটি হবে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও জিডিপির প্রবৃদ্ধির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা নেই। বিনিয়োগে স্থবিরতা এর প্রধান কারণ বলে মনে করেন তারা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর সমকালকে বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে গেছে, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ভালো নয়। চলতি অর্থবছরের জন্য ৬৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার বিশাল এডিপি নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথমার্ধে কাজের অগ্রগতি হয়েছে খুবই কম। চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৯ শতাংশ। এ হার গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগের অর্থবছরগুলোতে একই সময়ে বাস্তবায়ন হয়েছিল যথাক্রমে ১১ , ১৩ ও ১১ শতাংশ। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, আলোচ্য অর্থবছরের তিন মাসে বাজেটের মোট বরাদ্দের সাড়ে ৮ শতাংশ খরচ হয়েছে। এ প্রবণতা বজায় থাকলে অর্থবছর শেষে বাজেট ঘাটতি নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থাকবে। প্রতিবেদনে সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ সহনীয় রয়েছে। আবার রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি ভালো অবস্থানে। এ সবের ইতিবাচক প্রভাবের ফলে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মূল্যস্ফীতি। এদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া কমলেও বেড়ে গেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র বিক্রয় বাবদ ঋণ নেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে তিন মাসের মধ্যেই তার ৭৫ ভাগ অর্জিত হয়েছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রির এই প্রবণতা এ যাবৎকালোর মধ্যে রেকর্ড। মন্তব্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment