তিবার বিকেল চারটার মধ্যে এবং ছাত্রীদের শুক্রবার সকাল নয়টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে বেলা সাড়ে ১০টা থেকে ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে সুমন নামে এক ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তিনি সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন ভিসি সুশান্ত কুমার দাস। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আধিপত্য বিস্তার, নতুন কমিটির বিরুদ্ধাচারণ ও হল দখলকে কেন্দ্র করে তিন ঘণ্টাব্যাপী ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ে প্রক্টর ড. হিমাদ্রি শেখর রায়সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী ও সহ-সভাপতি অঞ্জন রায়ের অনুসারিদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তীর সমর্থকরা। এ সময় ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা সহ-সভাপতি অঞ্জন রায় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য উত্তম কুমার দাশের অনুসারিরা তাদের বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষের সময় শাহপরাণ ও দ্বিতীয় ছাত্রহলের ভেতরে কমপক্ষে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া তিনটি হলের অন্তত ৪০টি কক্ষে ভাঙচুর চালায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ১৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমন নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায় বলেছেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে জানান। মন্তব্য pay per click
Thursday, November 20, 2014
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ছাত্র খুন, শাবি বন্ধ ঘোষণা:RTNN
তিবার বিকেল চারটার মধ্যে এবং ছাত্রীদের শুক্রবার সকাল নয়টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে বেলা সাড়ে ১০টা থেকে ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে সুমন নামে এক ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তিনি সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন ভিসি সুশান্ত কুমার দাস। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আধিপত্য বিস্তার, নতুন কমিটির বিরুদ্ধাচারণ ও হল দখলকে কেন্দ্র করে তিন ঘণ্টাব্যাপী ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ে প্রক্টর ড. হিমাদ্রি শেখর রায়সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী ও সহ-সভাপতি অঞ্জন রায়ের অনুসারিদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তীর সমর্থকরা। এ সময় ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা সহ-সভাপতি অঞ্জন রায় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য উত্তম কুমার দাশের অনুসারিরা তাদের বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষের সময় শাহপরাণ ও দ্বিতীয় ছাত্রহলের ভেতরে কমপক্ষে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া তিনটি হলের অন্তত ৪০টি কক্ষে ভাঙচুর চালায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ১৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমন নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায় বলেছেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে জানান। মন্তব্য pay per click
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment