াণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ চাই না, আমরা চাই উন্নয়ন, শান্তি ও গণতন্ত্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় নয় মিনিটের বক্তব্যে দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ চলাকালে চট্টগ্রামবাসীকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আজকে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করে গেলাম। নির্মাণকাজ চলাকালে এলাকাবাসীর সহযোগিতা আমি কামনা করছি। মুরাদপুরে থেকে লালখানবাজার পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি নির্মাণের পর সেটি বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেইনে উন্নীত করার কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এটি ছয় লেইনে উন্নীত করা হবে। ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে আমরা ইন্টারন্যাশাল এয়ারপোর্ট করেছিলাম। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে গ্যাসের সমস্যা আছে। মহেশখালীর মাতারবাড়িতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এলএনজি টার্মিনাল হলে গ্যাসের সমস্যা থাকবেনা। তিনি বলেন, আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করেছি। এখানে যেসব সম্পদ পাওয়া যাবে তা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আগে খাদ্য ঘাটতি ছিল। আমরা সেটা দূর করেছি। এখন এত খাদ্য উৎপাদন হয় যে শ্রীলংকায় ৫০ লক্ষ টন চাল রপ্তানি করতে হয়েছে। একজন মানুষকেও আমরা না খেয়ে থাকতে দেবনা। তিনি বলেন, দেশে ৫ কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত দেশে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে চাই। আমরা মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। ৩ লক্ষ ৮ হাজার ছাত্রছাত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সারাদেশে ৪ হাজার ৫৪৯টি তথ্য সেবাকেন্দ্র আমরা করেছি যেগুলোর নাম দিয়েছি আমরা ডিজিটাল সেন্টার। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল পৌঁছে দিয়েছি। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল এই চট্টগ্রামের একজন মোবাইলের ব্যবসা কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন। তিনি ব্যবসাও করতেন আবার মন্ত্রিসভায়ও ছিলেন। মোবাইল ধরলেও ১০ টাকা, করলেও ১০টা। প্রতি কলে ২০ টাকা করে কেটে ফেলত। আমরা সেই মনোপলি ব্যবসা ভেঙ্গে দিয়েছি। সিডিএ সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর একনেকের সভায় মুরাদপুর-লালখানবাজার ফ্লাইওভার প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। চার লেনবিশিষ্ট ফ্লাইওভারের মোট দৈর্ঘ্য ৫.২ কিলোমিটার। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৬ এর জুন পর্যন্ত। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভার তৈরি করতে দুই বছর সময় লাগবে। বুধবার দুপুরে সোয়া ২টার দিকে চট্টগ্রাম সেনানিবাস থেকে মুরাদপুরে এসে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে ২টা ৩৫ মিনিটে আবারও সেই স্থান ত্যাগ করেন। এর আগে বুধবার সকাল সোয়া দশটার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবতরণ করে। সেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের তিনটি ইউনিটকে ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ সম্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের (ইবিআর) ৩৪, ৩৬ ও ৩৮ নম্বর ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদানের মাধ্যমে এ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পতাকা হল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সম্মান এবং মর্যাদার প্রতীক। আর আবহমান কাল থেকেই যুদ্ধের ময়দানে প্রতিটি জাতির জাতীয় মর্যাদার প্রতীক পতাকা বহন করার রীতি প্রচলিত আছে। মন্তব্য নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাঈনুল হোসেন আর নেই (ইন্না লিল্লাহে... রাজিউন)। মৃত্যুকালে ত . . . বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী কেন বাতিল ঘোষণা কর . . . বিস্তারিত
Thursday, November 13, 2014
চট্টগ্রামকে দ্বিতীয় রাজধানীর মর্যাদা দিতে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী:RTNN
াণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ চাই না, আমরা চাই উন্নয়ন, শান্তি ও গণতন্ত্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় নয় মিনিটের বক্তব্যে দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ চলাকালে চট্টগ্রামবাসীকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আজকে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করে গেলাম। নির্মাণকাজ চলাকালে এলাকাবাসীর সহযোগিতা আমি কামনা করছি। মুরাদপুরে থেকে লালখানবাজার পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি নির্মাণের পর সেটি বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেইনে উন্নীত করার কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এটি ছয় লেইনে উন্নীত করা হবে। ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে আমরা ইন্টারন্যাশাল এয়ারপোর্ট করেছিলাম। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে গ্যাসের সমস্যা আছে। মহেশখালীর মাতারবাড়িতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এলএনজি টার্মিনাল হলে গ্যাসের সমস্যা থাকবেনা। তিনি বলেন, আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করেছি। এখানে যেসব সম্পদ পাওয়া যাবে তা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আগে খাদ্য ঘাটতি ছিল। আমরা সেটা দূর করেছি। এখন এত খাদ্য উৎপাদন হয় যে শ্রীলংকায় ৫০ লক্ষ টন চাল রপ্তানি করতে হয়েছে। একজন মানুষকেও আমরা না খেয়ে থাকতে দেবনা। তিনি বলেন, দেশে ৫ কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত দেশে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে চাই। আমরা মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। ৩ লক্ষ ৮ হাজার ছাত্রছাত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সারাদেশে ৪ হাজার ৫৪৯টি তথ্য সেবাকেন্দ্র আমরা করেছি যেগুলোর নাম দিয়েছি আমরা ডিজিটাল সেন্টার। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল পৌঁছে দিয়েছি। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল এই চট্টগ্রামের একজন মোবাইলের ব্যবসা কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন। তিনি ব্যবসাও করতেন আবার মন্ত্রিসভায়ও ছিলেন। মোবাইল ধরলেও ১০ টাকা, করলেও ১০টা। প্রতি কলে ২০ টাকা করে কেটে ফেলত। আমরা সেই মনোপলি ব্যবসা ভেঙ্গে দিয়েছি। সিডিএ সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর একনেকের সভায় মুরাদপুর-লালখানবাজার ফ্লাইওভার প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। চার লেনবিশিষ্ট ফ্লাইওভারের মোট দৈর্ঘ্য ৫.২ কিলোমিটার। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৬ এর জুন পর্যন্ত। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভার তৈরি করতে দুই বছর সময় লাগবে। বুধবার দুপুরে সোয়া ২টার দিকে চট্টগ্রাম সেনানিবাস থেকে মুরাদপুরে এসে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে ২টা ৩৫ মিনিটে আবারও সেই স্থান ত্যাগ করেন। এর আগে বুধবার সকাল সোয়া দশটার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবতরণ করে। সেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের তিনটি ইউনিটকে ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ সম্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের (ইবিআর) ৩৪, ৩৬ ও ৩৮ নম্বর ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদানের মাধ্যমে এ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পতাকা হল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সম্মান এবং মর্যাদার প্রতীক। আর আবহমান কাল থেকেই যুদ্ধের ময়দানে প্রতিটি জাতির জাতীয় মর্যাদার প্রতীক পতাকা বহন করার রীতি প্রচলিত আছে। মন্তব্য নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাঈনুল হোসেন আর নেই (ইন্না লিল্লাহে... রাজিউন)। মৃত্যুকালে ত . . . বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী কেন বাতিল ঘোষণা কর . . . বিস্তারিত
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment