ংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ৩ কর্মকর্তা, বিমানের ঠিকাদার ও এক মানি একচেঞ্জ ব্যবসায়িকে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিবি পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-বিমানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিজিএম-ফ্লাইট সার্ভিস) মো. এমদাদ হোসেন, প্ল্যানিং এন্ড সিডিউলিংয়ের প্রধান ক্যাপ্টেন আবু মো. আসলাম শহীদ, সিডিউলিং ম্যানেজার মো. তোজাম্মেল হোসেন, বিমানের ঠিকাদার মাহমুদুল হক পলাশ ও ফারহান মানি একচেঞ্জের মালিক মো. হারুন অর রশীদ। বিমানবন্দর, উত্তরা ও বসুন্ধরা এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপি’র যুগ্ম-কমিশনার(ডিবি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মাসের ১২ তারিখ বিজি-০৪৬ ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানের কেবিন ক্রু মাজহারুল আফসার রাসেলকে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম স্বর্ণসহ গ্রেফতার করে বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরপর বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয় যার তদন্তভার আসে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। রাসেলকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে বিমানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করে। তিনি বলেন, ‘তদন্তে গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আরও বিমানের অনেক কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনেকের নামও এসেছে। তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে যার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে তাকেই গ্রেফতার করা হবে।’ গ্রেফতার বিমান কর্মকর্তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা বিমানের সিডিউল তৈরি করতো। এমনকি বিমানে কার কখন দায়িত্ব থাকবে এবং কি দায়িত্ব থাকবে তারা নির্ধারন করত। স্বর্ণ চোরাচালান নিরাপদে বাইরে বের করে আনতে বিভিন্ন পর্যায়ে কার কি ভূমিকা থাকবে তাও তারা নির্ধারণ করতো।’ দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশী শফিউল আলম মিন্টু এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো জানিয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শফিউল দুবাই থেকে স্বর্ণ কিনে বিমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজোসে তা বাংলাদেশে পাঠাতো।’ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ নাজমুল আলম, ডিএমপি’র (মিডিয়া) উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান। জেইউ, জেএ
Wednesday, November 19, 2014
'স্বর্ণ চোরাচালানে বিমান কর্মকর্তারা জড়িত ':Time News
ংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ৩ কর্মকর্তা, বিমানের ঠিকাদার ও এক মানি একচেঞ্জ ব্যবসায়িকে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিবি পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-বিমানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিজিএম-ফ্লাইট সার্ভিস) মো. এমদাদ হোসেন, প্ল্যানিং এন্ড সিডিউলিংয়ের প্রধান ক্যাপ্টেন আবু মো. আসলাম শহীদ, সিডিউলিং ম্যানেজার মো. তোজাম্মেল হোসেন, বিমানের ঠিকাদার মাহমুদুল হক পলাশ ও ফারহান মানি একচেঞ্জের মালিক মো. হারুন অর রশীদ। বিমানবন্দর, উত্তরা ও বসুন্ধরা এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপি’র যুগ্ম-কমিশনার(ডিবি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মাসের ১২ তারিখ বিজি-০৪৬ ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানের কেবিন ক্রু মাজহারুল আফসার রাসেলকে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম স্বর্ণসহ গ্রেফতার করে বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরপর বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয় যার তদন্তভার আসে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে। রাসেলকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে বিমানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করে। তিনি বলেন, ‘তদন্তে গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আরও বিমানের অনেক কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনেকের নামও এসেছে। তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে যার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে তাকেই গ্রেফতার করা হবে।’ গ্রেফতার বিমান কর্মকর্তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা বিমানের সিডিউল তৈরি করতো। এমনকি বিমানে কার কখন দায়িত্ব থাকবে এবং কি দায়িত্ব থাকবে তারা নির্ধারন করত। স্বর্ণ চোরাচালান নিরাপদে বাইরে বের করে আনতে বিভিন্ন পর্যায়ে কার কি ভূমিকা থাকবে তাও তারা নির্ধারণ করতো।’ দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশী শফিউল আলম মিন্টু এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো জানিয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শফিউল দুবাই থেকে স্বর্ণ কিনে বিমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজোসে তা বাংলাদেশে পাঠাতো।’ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ নাজমুল আলম, ডিএমপি’র (মিডিয়া) উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান। জেইউ, জেএ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment