বস্থানে রয়েছে এবং সিঙ্গাপুর রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে। মার্সার এই জরিপ গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে করে আসছে। এক সময় এই জরিপের তথ্য বিভিন্ন দেশের সরকার ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ব্যবহার করতো। কারণ যারা দেশের বাইরে কাজ করে তাদের বেতন নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে এই জরিপের ফলাফল তারা কাজে লাগাতো। এদিকে, মার্সারের এই তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানীর ঢাকার অবস্থান ৬৩তম। গত বছর এই অবস্থান ছিল ১১৭তম। এর অর্থ বিগত এক বছরে ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অনেক বেশি। মার্কার বিশ্বের ২০৭টি শহরের ওপর ২০০টি আইটেমকে ভিত্তি ধরে ওই গবেষণা পরিচালনা করেছে। আদর্শ শহর হিসেবে ধরা হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ককে। কস্ট অব লিভিং সার্ভে শিরোনামের ওই বাৎসরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ১০টি ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় হংকং ছাড়া এশিয়ার অন্য যে চারটি শহর রয়েছে সেগুলো হলো— সিঙ্গাপুর, শাংহাই, বেইজিং ও সিউল। চীনে ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা ইউয়ানের মান বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে বলে এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন মার্কারের নির্বাহী নাথালি কনস্ট্যান্টিন মেটারাল। অন্যদিকে, জাপানে মুদ্রার মান পড়ে যাওয়ায় দেশটির রাজধানী টোকিওর অবস্থান চলে গেছে ১১ নম্বরে। যার অবস্থান গত বছর ছিল ৭ নম্বরে এবং ২০১২ সালে ছিল এক নম্বরে। পশ্চিম ইউরোপের শহরগুলোর র্যা ঙ্কিং পড়ে যাওয়ার কারণ হলো ইউরোর মান কমে যাওয়া। প্রথম ১০টি শহরের তালিকায় পশ্চিম ইউরোপের জুরিখ, জেনেভা ও বার্নের নাম রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় বরাবরের মতো প্রথম স্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডা। তেল সমৃদ্ধ এ দেশটিতে জীবনাযাত্রার মান অনেক বেশি। মন্তব্য
Thursday, June 18, 2015
ব্যয় বহুল শহর লুয়ান্ডা, ঢাকার অবস্থান ৬৩:আরটিএনএন
বস্থানে রয়েছে এবং সিঙ্গাপুর রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে। মার্সার এই জরিপ গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে করে আসছে। এক সময় এই জরিপের তথ্য বিভিন্ন দেশের সরকার ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ব্যবহার করতো। কারণ যারা দেশের বাইরে কাজ করে তাদের বেতন নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে এই জরিপের ফলাফল তারা কাজে লাগাতো। এদিকে, মার্সারের এই তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানীর ঢাকার অবস্থান ৬৩তম। গত বছর এই অবস্থান ছিল ১১৭তম। এর অর্থ বিগত এক বছরে ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অনেক বেশি। মার্কার বিশ্বের ২০৭টি শহরের ওপর ২০০টি আইটেমকে ভিত্তি ধরে ওই গবেষণা পরিচালনা করেছে। আদর্শ শহর হিসেবে ধরা হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ককে। কস্ট অব লিভিং সার্ভে শিরোনামের ওই বাৎসরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ১০টি ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় হংকং ছাড়া এশিয়ার অন্য যে চারটি শহর রয়েছে সেগুলো হলো— সিঙ্গাপুর, শাংহাই, বেইজিং ও সিউল। চীনে ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা ইউয়ানের মান বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে বলে এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন মার্কারের নির্বাহী নাথালি কনস্ট্যান্টিন মেটারাল। অন্যদিকে, জাপানে মুদ্রার মান পড়ে যাওয়ায় দেশটির রাজধানী টোকিওর অবস্থান চলে গেছে ১১ নম্বরে। যার অবস্থান গত বছর ছিল ৭ নম্বরে এবং ২০১২ সালে ছিল এক নম্বরে। পশ্চিম ইউরোপের শহরগুলোর র্যা ঙ্কিং পড়ে যাওয়ার কারণ হলো ইউরোর মান কমে যাওয়া। প্রথম ১০টি শহরের তালিকায় পশ্চিম ইউরোপের জুরিখ, জেনেভা ও বার্নের নাম রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় বরাবরের মতো প্রথম স্থানে রয়েছে আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডা। তেল সমৃদ্ধ এ দেশটিতে জীবনাযাত্রার মান অনেক বেশি। মন্তব্য
Labels:
আরটিএনএন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment