র সীমা লঙ্ঘন করার দায়ে ভারতে আটক রয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাসের মধ্যে দশটি ট্রলার আর সেগুলিতে সওয়ার ১৩০ জন মৎস্যজীবী সীমালঙ্ঘনের দায়ে এখন বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা কারাগারে আটক। পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপ উপকূলের মৎস্যজীবীরা জানতেন না যে সীমানা বদল হয়েছে। তাই গভীর সমুদ্রের যে সব এলাকায় তারা আগে মাছ ধরতে যান, সেখানে গিয়েই ধরা পড়তে লাগলেন তারা। কাকদ্বীপ মৎসজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, ‘প্রথমে তো বুঝতেই পারিনি যে কেন ট্রলারগুলো ধরা পড়ছে। কিছুদিন আগে বাংলাদেশে যাই ট্রলারগুলো ছাড়িয়ে আনতে, তখনই নতুন সীমানার ব্যাপারটা জানতে পারি। এত বড় একটা ঘটনা দুই দেশের সীমানা বদলে গেল, অথচ আমরা কিছুই জানলাম না!’ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারও জানে না যে সমুদ্র সীমার বদল হয়েছে, বলছিলেন মৎস্যজীবী ইউনিয়নের নেতা বিজন মাইতি। সুন্দরবন দপ্তরের পরিষদীয় সচিব এবং কাকদ্বীপ উপকূল অঞ্চলের বিধায়ক মন্টু পাখিরা অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরেই দায় চাপালেন। তার কথায়, ‘এটা তো কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের জানাবে। তারা তো কিছুই জানায়নি। আমাদের মৎস দপ্তরের কাছেও কোনো নির্দেশ আসেনি দিল্লি থেকে। কেন্দ্রের ত্রুটি আর উদাসীনতার জন্য এতগুলো গরিব লোক জেল খাটছে।’ তবে বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠনের চাপে অতি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। রাজ্য সরকারের কয়েকটি সূত্র বলছে, মঙ্গলবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে মৎসজীবীদের ছাড়িয়ে আনার ব্যাপারে কথা বলেছেন। সূত্র : বিবিসি
Thursday, December 4, 2014
নতুন সমুদ্রসীমা না জেনে বিপাকে জেলেরা:Time News
র সীমা লঙ্ঘন করার দায়ে ভারতে আটক রয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাসের মধ্যে দশটি ট্রলার আর সেগুলিতে সওয়ার ১৩০ জন মৎস্যজীবী সীমালঙ্ঘনের দায়ে এখন বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা কারাগারে আটক। পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপ উপকূলের মৎস্যজীবীরা জানতেন না যে সীমানা বদল হয়েছে। তাই গভীর সমুদ্রের যে সব এলাকায় তারা আগে মাছ ধরতে যান, সেখানে গিয়েই ধরা পড়তে লাগলেন তারা। কাকদ্বীপ মৎসজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, ‘প্রথমে তো বুঝতেই পারিনি যে কেন ট্রলারগুলো ধরা পড়ছে। কিছুদিন আগে বাংলাদেশে যাই ট্রলারগুলো ছাড়িয়ে আনতে, তখনই নতুন সীমানার ব্যাপারটা জানতে পারি। এত বড় একটা ঘটনা দুই দেশের সীমানা বদলে গেল, অথচ আমরা কিছুই জানলাম না!’ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারও জানে না যে সমুদ্র সীমার বদল হয়েছে, বলছিলেন মৎস্যজীবী ইউনিয়নের নেতা বিজন মাইতি। সুন্দরবন দপ্তরের পরিষদীয় সচিব এবং কাকদ্বীপ উপকূল অঞ্চলের বিধায়ক মন্টু পাখিরা অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরেই দায় চাপালেন। তার কথায়, ‘এটা তো কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের জানাবে। তারা তো কিছুই জানায়নি। আমাদের মৎস দপ্তরের কাছেও কোনো নির্দেশ আসেনি দিল্লি থেকে। কেন্দ্রের ত্রুটি আর উদাসীনতার জন্য এতগুলো গরিব লোক জেল খাটছে।’ তবে বিভিন্ন মৎস্যজীবী সংগঠনের চাপে অতি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। রাজ্য সরকারের কয়েকটি সূত্র বলছে, মঙ্গলবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে মৎসজীবীদের ছাড়িয়ে আনার ব্যাপারে কথা বলেছেন। সূত্র : বিবিসি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment