ার্টির ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান ১৬ থেকে ১৪ নম্বরে এসেছে। বর্তমান সরকারের যে সকল মন্ত্রীদের নামে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের দায় মুক্তি দিয়েছে। এ কমিশন এখন দুর্নীতি দমন কমিশন নয় দায় মুক্তি কমিশনে রূপান্তরিত হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে একটি রাবার স্টাম্পে পরিণত করেছে। এক দলীয় সরকার গঠন করেছে। তাই এ সরকারকে হটিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক নষ্ট সংস্কৃতি বন্ধ করে সুষ্ঠু ও সুন্দর রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে হবে। যে রাজনীতিতে থাকবে না গুম-খুন অপহরণ। বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, 'নিশা দেশাই দুই আনার মন্ত্রী আর ড্যান মজিনা কাজের মেয়ে' আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের এমন বক্তব্য প্রমাণ হয় আমেরিকার সাথে এ সরকারের কোনো সর্ম্পক নেই। তাদের কোনো বন্ধু নেই। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার গুম খুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তারা মনে করেছে মামলা, হামলা, গুম খুন, অপহরণ করে মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন বন্ধ করা যাবে। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলায় চার্জ গঠন করে দ্রুত মামলার কাজ শেষ করতে চায়। যার মাধ্যমে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা যায়। সরকার একে একে গণতন্ত্রে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ ৭২-৭৫ সাল পযর্ন্ত গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছিল। ২০১৪ সালের পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবার বাকশাল কায়েমের সব আয়োজন করেছে। এদেশের মানুষের অধিকারের উপর আঘাত এনেছে। বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত , অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বিচার বিভাগের দলীয় করণের প্রধান শিকার হচ্ছি আমরা। আমরা সঠিক বিচার পাই না। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনূর রহমান, ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান, এল ডিপির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, ডিএল এর মহাসচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি প্রমুখ। এমএইচ/কেএইচ
Thursday, December 4, 2014
স্বৈরাচারী সরকারকে আরেকটি ধাক্কা দিতে হবে : ফখরুল:Time News
ার্টির ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান ১৬ থেকে ১৪ নম্বরে এসেছে। বর্তমান সরকারের যে সকল মন্ত্রীদের নামে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের দায় মুক্তি দিয়েছে। এ কমিশন এখন দুর্নীতি দমন কমিশন নয় দায় মুক্তি কমিশনে রূপান্তরিত হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে একটি রাবার স্টাম্পে পরিণত করেছে। এক দলীয় সরকার গঠন করেছে। তাই এ সরকারকে হটিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক নষ্ট সংস্কৃতি বন্ধ করে সুষ্ঠু ও সুন্দর রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে হবে। যে রাজনীতিতে থাকবে না গুম-খুন অপহরণ। বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, 'নিশা দেশাই দুই আনার মন্ত্রী আর ড্যান মজিনা কাজের মেয়ে' আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের এমন বক্তব্য প্রমাণ হয় আমেরিকার সাথে এ সরকারের কোনো সর্ম্পক নেই। তাদের কোনো বন্ধু নেই। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার গুম খুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তারা মনে করেছে মামলা, হামলা, গুম খুন, অপহরণ করে মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন বন্ধ করা যাবে। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলায় চার্জ গঠন করে দ্রুত মামলার কাজ শেষ করতে চায়। যার মাধ্যমে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা যায়। সরকার একে একে গণতন্ত্রে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ ৭২-৭৫ সাল পযর্ন্ত গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছিল। ২০১৪ সালের পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবার বাকশাল কায়েমের সব আয়োজন করেছে। এদেশের মানুষের অধিকারের উপর আঘাত এনেছে। বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত , অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বিচার বিভাগের দলীয় করণের প্রধান শিকার হচ্ছি আমরা। আমরা সঠিক বিচার পাই না। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনূর রহমান, ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান, এল ডিপির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, ডিএল এর মহাসচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি প্রমুখ। এমএইচ/কেএইচ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment