থেকে পরিচালিত ARU-র মানবিক সহায়তা শাখা বিশ্ব রোহিঙ্গা কেন্দ্র (Global Rohingya Centre-GRC)-র তিনজন স্বেচ্ছাসেবী কর্মী গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসেন। আসছে শীতে বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে মানবিক ত্রান কার্যক্রম পরিচালনের লক্ষ্যে এখানে সহায়তামূলক একটি আঞ্চলিক অফিস চালুর কার্যক্রম হাতে নিয়েই তারা এই সফরে এসেছিলেন। এমনকী বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের সহায়তার জন্য ডেন হাগে GRC-র অফিস থেকে একজন কর্মকর্তাকে নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কাছে পাঠানো হয়েছিল বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩শে নভেম্বর অজ্ঞাত কারণে একটি হোটেলে মিটিংরত অবস্থায় বাংলাদেশ সফররত ওই তিন মানবিক কর্মীকে দুই স্থা্নীয় সহযোগীসহ আটক করা হয়। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে যে, মিয়ানমারে প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসের হোতা বানানোর পায়তারা করা হচ্ছে। অপরদিকে, রোহিঙ্গারা তাদের জন্মভূমি আরাকার স্টেটে একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। বিশেষ করে নিজেদের রাজনৈতিক ও মানবিক অধিকারের ইস্যুতে রোহিঙ্গারা একটি স্থায়ী সমাধানে আসতে চায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে। এমনকী মিয়ানমারে যে কয়টি সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠী রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র রোহিঙ্গারাই দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি এবং কোন ধরনের সংঘাতে লিপ্ত হয়নি বলেও দাবি করা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। এতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটাই চায় যে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলুক এবং সততা, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টির সমাধানে এগিয়ে আসুক। এতে বলা হয়, বিশ্ব রোহিঙ্গা সম্প্রদায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে এটাই প্রত্যাশা করে যে, সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার নীতি প্রণয়নের সময় স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমের অসাধু, দুর্নীতিপরায়ন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকদের মতামতকে যেন গুরুত্ব না দেয়। একইসাথে মিয়ানমারের আরাকান স্টেট থেকে সংখ্যলঘু রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদে তৎপর কোন বহিরাগত ষড়যন্ত্রের ফাঁদে যেন পা না দেয় সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করা হয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশে আটক রোহিঙ্গা মানবিক কর্মীদের অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) এবং বিশ্বের সব মানবাধিকার সংগঠনের সহায়তা কামনা করা হয়েছে। একইসাথে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য মানবিক ত্রান কার্যক্রমে অংশ নিতে এই মানবিক কর্মীদের বাধা না দেয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু বিশেষ করে যারা অনিবন্ধিত তাদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য এবং ঋতুকালীন সহায়তা যেমন শীতকালীন বস্ত্র জরুরী বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। কেবি
Saturday, December 6, 2014
বাংলাদেশে আটক রোহিঙ্গা মানব কর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি দাবি:Time News
থেকে পরিচালিত ARU-র মানবিক সহায়তা শাখা বিশ্ব রোহিঙ্গা কেন্দ্র (Global Rohingya Centre-GRC)-র তিনজন স্বেচ্ছাসেবী কর্মী গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসেন। আসছে শীতে বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে মানবিক ত্রান কার্যক্রম পরিচালনের লক্ষ্যে এখানে সহায়তামূলক একটি আঞ্চলিক অফিস চালুর কার্যক্রম হাতে নিয়েই তারা এই সফরে এসেছিলেন। এমনকী বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের সহায়তার জন্য ডেন হাগে GRC-র অফিস থেকে একজন কর্মকর্তাকে নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কাছে পাঠানো হয়েছিল বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩শে নভেম্বর অজ্ঞাত কারণে একটি হোটেলে মিটিংরত অবস্থায় বাংলাদেশ সফররত ওই তিন মানবিক কর্মীকে দুই স্থা্নীয় সহযোগীসহ আটক করা হয়। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে যে, মিয়ানমারে প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসের হোতা বানানোর পায়তারা করা হচ্ছে। অপরদিকে, রোহিঙ্গারা তাদের জন্মভূমি আরাকার স্টেটে একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। বিশেষ করে নিজেদের রাজনৈতিক ও মানবিক অধিকারের ইস্যুতে রোহিঙ্গারা একটি স্থায়ী সমাধানে আসতে চায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে। এমনকী মিয়ানমারে যে কয়টি সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠী রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র রোহিঙ্গারাই দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি এবং কোন ধরনের সংঘাতে লিপ্ত হয়নি বলেও দাবি করা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। এতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটাই চায় যে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলুক এবং সততা, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টির সমাধানে এগিয়ে আসুক। এতে বলা হয়, বিশ্ব রোহিঙ্গা সম্প্রদায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে এটাই প্রত্যাশা করে যে, সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার নীতি প্রণয়নের সময় স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমের অসাধু, দুর্নীতিপরায়ন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকদের মতামতকে যেন গুরুত্ব না দেয়। একইসাথে মিয়ানমারের আরাকান স্টেট থেকে সংখ্যলঘু রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদে তৎপর কোন বহিরাগত ষড়যন্ত্রের ফাঁদে যেন পা না দেয় সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করা হয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশে আটক রোহিঙ্গা মানবিক কর্মীদের অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) এবং বিশ্বের সব মানবাধিকার সংগঠনের সহায়তা কামনা করা হয়েছে। একইসাথে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য মানবিক ত্রান কার্যক্রমে অংশ নিতে এই মানবিক কর্মীদের বাধা না দেয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু বিশেষ করে যারা অনিবন্ধিত তাদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য এবং ঋতুকালীন সহায়তা যেমন শীতকালীন বস্ত্র জরুরী বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। কেবি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment