Thursday, December 4, 2014

অবৈধ সরকারকে আরেকটি ধাক্কা দিন: ফখরুল:RTNN

অবৈধ সরকারকে আরেকটি ধাক্কা দিন: ফখরুল নিজস্ব প্রতিবেদক আরটিএনএন ঢাকা: স্বৈরাচারী অবৈধ সরকারকে আরেকবার ধাক্কা দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা আজ জনগণ থেকে সম্পূর্ণ বিছিন্ন। আরেকবার ধাক্কা দিলেই এরা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে কল্যাণ পার্টির সপ্ত
ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় মির্জা ফখরুল এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে একটি রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত করেছে। একদলীয় সরকার গঠন করেছে। তাই এ সরকারকে হটিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পঁচা কালচার বন্ধ করে সুষ্ঠু ও সুন্দর রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে হবে। যে রাজনীতিতে থাকবে না গুম-খুন অপহরণ। বিএনপির মুখপাত্র বলেন, নিশা দেশাই দুই আনার মন্ত্রী আর ড্যান মোজেনা কাজের মেয়ে মর্জিনা- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের এমন বক্তব্য প্রমাণ করে আমেরিকার সঙ্গে সরকারের কোনো সর্ম্পক নেই। তাদের কোনো বন্ধু নেই। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার গুম-খুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তারা মনে করছে মামলা-হামলা, গুম-খুন, অপহরণ করে মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন বন্ধ করা যাবে। সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলায় চার্জ গঠন করে দ্রুত মামলার কাজ শেষ করতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। সরকার একে একে সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ ’৭২-৭৫ সাল পযর্ন্ত গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছিল। ২০০৮ সালের পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবার বাকশাল কায়েমের সব আয়োজন করেছে। তিনি বলেন, এদেশের মানুষের অধিকারের ওপর আঘাত হেনেছে। বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাত, অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বিচার বিভাগের দলীয়করণের প্রধান শিকার হচ্ছি আমরা। আমরা সঠিক বিচার পাই না। বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান ১৬ থেকে ১৪ নম্বরে এসেছে। বর্তমান সরকারের যে সকল মন্ত্রীদের নামে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল তাদের দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের দায় মুক্তি দিয়েছে। এ কমিশন এখন দুর্নীতি দমন কমিশন নয়, দায় মুক্তি কমিশনে রূপারিত হয়েছে। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আমিনুল ইসলাম, সাইফুদ্দীন মনি প্রমুখ। মন্তব্য pay per click    


No comments:

Post a Comment