র্যাকের সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্টে (সিডিএম) শনিবার এসকনের ১৩তম বার্ষিক সম্মেলন শেষ হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির তৈরি স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ারটি ৫২০ মার্কিন ডলার মূল্যের প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। চেয়ারটি তৈরি করেছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম শামীম কায়সার, শামীম আল মামুন ও প্রভাষক জামশেদ ইকবাল চৌধুরী। এ বিষয়ে শামীম আল মামুন বলেন, প্রচলিত হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন—এমন পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু আমাদের তৈরি স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ার ব্যবহার করলে রোগীকে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হবে না। একজন রোগী তাঁর কাছে থাকা জয়স্টিক (হুইলচেয়ারটি চালানোর জন্য একটি যান্ত্রিক কাঠি) সামান্য নড়াচড়া করেই হুইলচেয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন। শামীম আল মামুন জানান, স্বয়ংক্রিয় এ হুইলচেয়ারটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন সাভারস্থ সিআরপির (সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড) ক্লিনিক্যাল অকুপেশনাল থেরাপিস্ট ফাতেমাতুজ জোহরা, উপ-কর কমিশনার মো. কামাল হোসেন এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব। থেরাপিস্ট ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, বিদেশে তৈরি এ ধরনের চেয়ার কিনতে খরচ পড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। কিন্তু আমাদের এই চেয়ার তৈরিতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। চেয়ারটি তৈরির সঙ্গে জড়িতদের কাছ থেকে জানা যায়, চেয়ারটি চলবে সৌরশক্তিতে। সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি চেয়ারটি মেরামতের দরকার হলে সাধারণ টেকনিশিয়ান তা করতে পারবেন। এএইচ
Sunday, November 30, 2014
স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ার জিতলো পুরস্কার:Time News
র্যাকের সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্টে (সিডিএম) শনিবার এসকনের ১৩তম বার্ষিক সম্মেলন শেষ হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির তৈরি স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ারটি ৫২০ মার্কিন ডলার মূল্যের প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। চেয়ারটি তৈরি করেছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম শামীম কায়সার, শামীম আল মামুন ও প্রভাষক জামশেদ ইকবাল চৌধুরী। এ বিষয়ে শামীম আল মামুন বলেন, প্রচলিত হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন—এমন পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু আমাদের তৈরি স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ার ব্যবহার করলে রোগীকে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হবে না। একজন রোগী তাঁর কাছে থাকা জয়স্টিক (হুইলচেয়ারটি চালানোর জন্য একটি যান্ত্রিক কাঠি) সামান্য নড়াচড়া করেই হুইলচেয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন। শামীম আল মামুন জানান, স্বয়ংক্রিয় এ হুইলচেয়ারটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন সাভারস্থ সিআরপির (সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড) ক্লিনিক্যাল অকুপেশনাল থেরাপিস্ট ফাতেমাতুজ জোহরা, উপ-কর কমিশনার মো. কামাল হোসেন এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব। থেরাপিস্ট ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, বিদেশে তৈরি এ ধরনের চেয়ার কিনতে খরচ পড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। কিন্তু আমাদের এই চেয়ার তৈরিতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। চেয়ারটি তৈরির সঙ্গে জড়িতদের কাছ থেকে জানা যায়, চেয়ারটি চলবে সৌরশক্তিতে। সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি চেয়ারটি মেরামতের দরকার হলে সাধারণ টেকনিশিয়ান তা করতে পারবেন। এএইচ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment