য় প্রেসক্লাবে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘সামনে আন্দোলন আসছে। সেই আন্দোলনে দেখব স্বৈরাচারী পেটোয়া বাহিনীর কাছে কত গুলি আছে। আমাদের নেতাকর্মীরা গুলি খাওয়ার জন্য বুক পেতে দিবে। পেটোয়া বাহিনীর গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে ছাড়বে না।’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যতই চেষ্টা করুন না কেন দেশের জনগণের মন থেকে মওলানা ভাসানী ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘মওলানা ভাসানীর সঙ্গে আমার বেশ কিছু সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে। আমার মতে মওলানা ভাসানীর জন্ম না হলে এদেশে অনেকেই রাজনীতিবিদ হতে পারতেন না। কিন্তু আজকে অনেকেই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রয়োজনবোধ করছেন না।’ তরুণ প্রজন্মকে মওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম-মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের একান্ত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাজমুল হক নান্নু প্রমুখ। মন্তব্য pay per click নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধক্ . . . বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘না . . . বিস্তারিত
Wednesday, November 19, 2014
খালেদার এক আহ্বানেই সরকারের পতন হবে: আব্বাস:RTNN
য় প্রেসক্লাবে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘সামনে আন্দোলন আসছে। সেই আন্দোলনে দেখব স্বৈরাচারী পেটোয়া বাহিনীর কাছে কত গুলি আছে। আমাদের নেতাকর্মীরা গুলি খাওয়ার জন্য বুক পেতে দিবে। পেটোয়া বাহিনীর গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে ছাড়বে না।’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যতই চেষ্টা করুন না কেন দেশের জনগণের মন থেকে মওলানা ভাসানী ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘মওলানা ভাসানীর সঙ্গে আমার বেশ কিছু সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে। আমার মতে মওলানা ভাসানীর জন্ম না হলে এদেশে অনেকেই রাজনীতিবিদ হতে পারতেন না। কিন্তু আজকে অনেকেই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রয়োজনবোধ করছেন না।’ তরুণ প্রজন্মকে মওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম-মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের একান্ত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাজমুল হক নান্নু প্রমুখ। মন্তব্য pay per click নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধক্ . . . বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘না . . . বিস্তারিত
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment