ন মাসাকাদজা আর সিকান্দার রাজা সূচনা মন্দ করেননি। অবশ্য এক্ষেত্রে বদান্যতা দেখিয়েছেন টাইগার পেসার আল-আমিন হোসেনও। দলীয় ৪৭ রানে সাকিব আল হাসানের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে যান সিকান্দার রাজা (১৫)। এক বল পর সুইপ করতে গিয়ে রুবেল হোসেনের ক্যাচে পরিণত হন ভুসি সিবান্দা (০)। ব্রেন্ডন টেইলরকে নিয়ে লড়তে থাকেন মাসাকাদজা। পেসার রুবেল হোসেনকে বল দিয়েও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পাল্টান মাশরাফি বিন মুর্তজা। বোলিং এসেই হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে (৪২) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মাহমুদুল্লাহ। দলীয় ১২৪ রানে মাহমুদুল্লাহর রিয়াদের বলে বোল্ড হয়ে যান রেগিস চাকাকভা (৯)। এরপর ক্রমশঃ বিপজ্জনক হয়ে উঠা টেইলরকে (৫৪) মাশরাফি উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের দৃষ্টিনন্দন ক্যাচে পরিণত করেন। ফের মাশরাফির বলে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা (১৫) সাব্বির রহমানের তালুবন্দি হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় টাইগররা। সাকিব এসে সলমন মাইরেকে (১১) বোল্ড করে দিলে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৬৮ রান। পরে ওভারেই তিনাশে পানিয়াঙ্গারাকে (৭) আরাফাত সানি বোল্ড করে দিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে স্বাগতিকরা। জন নিয়ুম্বুকে (৪) মাহমুদুল্লাহর তালুবন্দি করে ৪ উইকেট পূর্ণ করেন বিশ্বের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব। তেন্দাই চাতারাকে (১০) সানি বোল্ড করে দিলে ৪২ ওভার ১ বলে ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৮১ রান করে বাংলাদেশ। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৩১ রানের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটের রেকর্ড জুটিতে বাংলাদেশকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন সাকিব ও মুশফিকুর রহিম। ১৪২ বলে ১৪৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই জনে। পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের আগের রেকর্ড জুটিতেও ছিলেন সাকিব। ২০০৮ সালে রকিবুল হাসানের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকায় ১১৯ রানের সেই জুটি গড়েছিলেন তিনি। শতরানে পৌঁছানোর পর সাকিবের বিদায়ে ভাঙে ২৩.৪ ওভার স্থায়ী জুটি। ৯৯ বলে খেলা সাকিবের ১০১ রানের ইনিংসটি গড়া ১০টি চারে। এটি সাকিবের ষষ্ঠ শতক। চার বছর পর শতক পেলেন এই অলরাউন্ডার। ম্যাচ সেরা হন সাকিব আল হাসান। মন্তব্য pay per click
Saturday, November 22, 2014
সাকিবময় ম্যাচে বাংলাদেশের বড় জয়:RTNN
ন মাসাকাদজা আর সিকান্দার রাজা সূচনা মন্দ করেননি। অবশ্য এক্ষেত্রে বদান্যতা দেখিয়েছেন টাইগার পেসার আল-আমিন হোসেনও। দলীয় ৪৭ রানে সাকিব আল হাসানের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে যান সিকান্দার রাজা (১৫)। এক বল পর সুইপ করতে গিয়ে রুবেল হোসেনের ক্যাচে পরিণত হন ভুসি সিবান্দা (০)। ব্রেন্ডন টেইলরকে নিয়ে লড়তে থাকেন মাসাকাদজা। পেসার রুবেল হোসেনকে বল দিয়েও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পাল্টান মাশরাফি বিন মুর্তজা। বোলিং এসেই হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে (৪২) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মাহমুদুল্লাহ। দলীয় ১২৪ রানে মাহমুদুল্লাহর রিয়াদের বলে বোল্ড হয়ে যান রেগিস চাকাকভা (৯)। এরপর ক্রমশঃ বিপজ্জনক হয়ে উঠা টেইলরকে (৫৪) মাশরাফি উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের দৃষ্টিনন্দন ক্যাচে পরিণত করেন। ফের মাশরাফির বলে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা (১৫) সাব্বির রহমানের তালুবন্দি হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় টাইগররা। সাকিব এসে সলমন মাইরেকে (১১) বোল্ড করে দিলে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৬৮ রান। পরে ওভারেই তিনাশে পানিয়াঙ্গারাকে (৭) আরাফাত সানি বোল্ড করে দিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে স্বাগতিকরা। জন নিয়ুম্বুকে (৪) মাহমুদুল্লাহর তালুবন্দি করে ৪ উইকেট পূর্ণ করেন বিশ্বের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব। তেন্দাই চাতারাকে (১০) সানি বোল্ড করে দিলে ৪২ ওভার ১ বলে ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৮১ রান করে বাংলাদেশ। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৩১ রানের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটের রেকর্ড জুটিতে বাংলাদেশকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন সাকিব ও মুশফিকুর রহিম। ১৪২ বলে ১৪৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই জনে। পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের আগের রেকর্ড জুটিতেও ছিলেন সাকিব। ২০০৮ সালে রকিবুল হাসানের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকায় ১১৯ রানের সেই জুটি গড়েছিলেন তিনি। শতরানে পৌঁছানোর পর সাকিবের বিদায়ে ভাঙে ২৩.৪ ওভার স্থায়ী জুটি। ৯৯ বলে খেলা সাকিবের ১০১ রানের ইনিংসটি গড়া ১০টি চারে। এটি সাকিবের ষষ্ঠ শতক। চার বছর পর শতক পেলেন এই অলরাউন্ডার। ম্যাচ সেরা হন সাকিব আল হাসান। মন্তব্য pay per click
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment