ই, এই যে পদ্মার উভয়পাড়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখছেন, আমরাও স্বপ্ন দেখছি আপনাদের মতো যে, এই পদ্মার পাড়ে একদিন হংকং, সাংহাইয়ের মতো নয়ন জোড়ানো শহর গড়ে উঠবে। এখানে শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠবে। এখানে নব নব দুয়ার খুলে যাবে। পর্যটন সেন্টার হবে, ক্রীড়া কমপ্লেক্স হবে, এখানে বিমানবন্দর হবে, একটি আধুনিক শহরের যা যা প্রয়োজন তা এ পদ্মার সবুজ পাড়ে নির্মিত হবে।’ তিনি বলেন, ‘এখানে জীবনের এক নতুন যাত্রা শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুর উপরে যখন রেল চলবে, যখন গাড়ি চলবে, তখন গাড়ি থেকে, রেল থেকে রাতের বেলায় এখানকার যাত্রীরা দেখতে পাবেন পূর্ণিমার চাঁদ, পদ্মার জলে ঠিকরে পড়েছে। সেই অপরূপ দৃশ্যের জন্য আজ বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ অপেক্ষা করছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ স্বপ্ন দেখছেন।’ ‘সকল বাধা উপেক্ষা করে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে’ উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সিনো হাইড্রো কোম্পানি পদ্মার নদী শাসনের কাজ পেয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরা ১০ নভেম্বর চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। তারা ইতোমধ্যে প্রকিউরমেন্ট মোবিলাইজেশন শুরু করে দিয়েছে। নদী শাসনের অন্যান্য কাজো খুব শিগগিরই শুরু হয়ে যাবে। জানুয়ারি মাসে তারা পুরোদমে কাজ শুরু করবে।’ তিনি বলেন, ‘পদ্মার মূল সেতুর নির্মাণ কাজ পেয়েছে চায়নার মেজর ব্রিজ কোম্পানি লিমিটেড। তারা এখন সয়েল টেস্টের কাজ শুরু করেছে। আপনারা নদীতে দেখছেন ড্রেজিং হচ্ছে। নদীর পাড়ে যন্ত্রপাতি বসানো হচ্ছে। তাদের প্রয়োজনীয় উপকরণ আসছে। ইতোমধ্যে তাদের যন্ত্রপাতির চারটি শিপমেন্ট এসে গেছে। পর্যায়ক্রমে আরও আসবে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।’ মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জি এস এম জাফর উল্লাহ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। জেআই
Saturday, November 22, 2014
'পদ্মার সবুজ পাড়ে ‘হংকং-সাংহাই’র স্বপ্ন':Time News
ই, এই যে পদ্মার উভয়পাড়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখছেন, আমরাও স্বপ্ন দেখছি আপনাদের মতো যে, এই পদ্মার পাড়ে একদিন হংকং, সাংহাইয়ের মতো নয়ন জোড়ানো শহর গড়ে উঠবে। এখানে শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠবে। এখানে নব নব দুয়ার খুলে যাবে। পর্যটন সেন্টার হবে, ক্রীড়া কমপ্লেক্স হবে, এখানে বিমানবন্দর হবে, একটি আধুনিক শহরের যা যা প্রয়োজন তা এ পদ্মার সবুজ পাড়ে নির্মিত হবে।’ তিনি বলেন, ‘এখানে জীবনের এক নতুন যাত্রা শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুর উপরে যখন রেল চলবে, যখন গাড়ি চলবে, তখন গাড়ি থেকে, রেল থেকে রাতের বেলায় এখানকার যাত্রীরা দেখতে পাবেন পূর্ণিমার চাঁদ, পদ্মার জলে ঠিকরে পড়েছে। সেই অপরূপ দৃশ্যের জন্য আজ বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ অপেক্ষা করছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ স্বপ্ন দেখছেন।’ ‘সকল বাধা উপেক্ষা করে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে’ উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সিনো হাইড্রো কোম্পানি পদ্মার নদী শাসনের কাজ পেয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরা ১০ নভেম্বর চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। তারা ইতোমধ্যে প্রকিউরমেন্ট মোবিলাইজেশন শুরু করে দিয়েছে। নদী শাসনের অন্যান্য কাজো খুব শিগগিরই শুরু হয়ে যাবে। জানুয়ারি মাসে তারা পুরোদমে কাজ শুরু করবে।’ তিনি বলেন, ‘পদ্মার মূল সেতুর নির্মাণ কাজ পেয়েছে চায়নার মেজর ব্রিজ কোম্পানি লিমিটেড। তারা এখন সয়েল টেস্টের কাজ শুরু করেছে। আপনারা নদীতে দেখছেন ড্রেজিং হচ্ছে। নদীর পাড়ে যন্ত্রপাতি বসানো হচ্ছে। তাদের প্রয়োজনীয় উপকরণ আসছে। ইতোমধ্যে তাদের যন্ত্রপাতির চারটি শিপমেন্ট এসে গেছে। পর্যায়ক্রমে আরও আসবে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।’ মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জি এস এম জাফর উল্লাহ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। জেআই
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment